প্রকাশ: ০৬ নভেম্বর বৃহস্পতিবার । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।
সারাদেশে আজকের আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে এবং আকাশ আংশিকভাবে মেঘলা থাকতে পারে। সকাল থেকেই ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সূর্যের দেখা মিলছে না, আকাশ হালকা মেঘে ঢাকা অবস্থায় রয়েছে। আবহাওয়া অধিদফতর জানাচ্ছে, এ ধরনের আবহাওয়ায় দিনের তাপমাত্রা কিছুটা হ্রাস পেতে পারে, যদিও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে। ঢাকার আকাশ দুপুর পর্যন্ত আংশিকভাবে মেঘলা থাকতে পারে এবং উত্তর বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৫ থেকে ১০ কিলোমিটার বেগে হালকা বাতাস বয়ে যেতে পারে।
সকাল ছয়টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২৫ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৮৭ শতাংশ। এদিন ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে বিকাল ৫টা ১৬ মিনিটে। আগামীকাল সকাল ৬টা ৮ মিনিটে সূর্যোদয় হবে। দেশের অন্যান্য এলাকায়ও আজকের আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী আংশিক মেঘলা আকাশ থাকলেও প্রধানত আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে।
তবে কিছু অঞ্চলে বৃষ্টি এবং বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়, পাশাপাশি রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। চট্টগ্রাম ও সিলেটের কিছু এলাকায় মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পেতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সাধারণত অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সময়ের আংশিক মেঘলা আবহাওয়া ও হালকা বৃষ্টিপাতের প্রভাবে মানুষকে হালকা গরম কাপড় ব্যবহার করতে হবে এবং রাতে ঠান্ডা অনুভূত হতে পারে।
সারা দেশের মানুষকে এই আবহাওয়ার সাথে মানিয়ে চলার জন্য সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। বিশেষ করে উত্তর ও পার্বত্য অঞ্চলগুলোতে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি এবং বাতাসের দিক পরিবর্তনের কারণে যাতায়াতের ক্ষেত্রে কিছুটা অসুবিধা হতে পারে।
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে ভোরে এবং সকাল ভাগে আর্দ্রতা বেশি থাকায় সকাল সময় শিশুরা ও প্রবীণরা ঠান্ডা অনুভব করতে পারে। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলসহ খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে দিনের প্রথমার্ধে হালকা বৃষ্টি হতে পারে, যা কৃষি এবং জনজীবনে সাময়িক প্রভাব ফেলতে পারে।
আবহাওয়া অধিদফতর সবসময় নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, হঠাৎ বৃষ্টির কারণে পানি জমা ও স্থানীয় দুর্যোগ পরিস্থিতি হতে পারে। তাই যারা বাহিরে যেতে যাচ্ছেন তারা ছাতা বা রেইনকোট সঙ্গে রাখলে সুবিধা হবে।
এই আবহাওয়ার পরিবর্তন দেশের কৃষি, যানবাহন এবং দৈনন্দিন জীবনে কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে খোলা মাঠে কাজ করা শ্রমিকরা এবং স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা এই সময়ের আবহাওয়ার কারণে নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে হবে।
সারাদেশে আজকের হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি এবং আংশিক মেঘলা আকাশের কারণে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত আবহাওয়া কিছুটা ঠাণ্ডা অনুভূত হবে। আবহাওয়া অধিদফতর মানুষকে প্রয়োজনমতো সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে, বিশেষ করে ভোর এবং রাতের সময় যাতায়াতের ক্ষেত্রে।
সমস্ত তথ্য ও পূর্বাভাসের আলোকে বলা যায়, আজ বৃহস্পতিবার দেশের আকাশ আংশিকভাবে মেঘলা থাকবে এবং কিছু কিছু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হবে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা হ্রাস পেতে পারে, দিনের তাপমাত্রা সাধারণত অপরিবর্তিত থাকবে। ফলে মানুষকে ঠান্ডা থেকে রক্ষা এবং যাতায়াত নিরাপদ রাখতে সচেতন থাকতে হবে।