ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম কাঁপিয়ে ইতালির রূপকথা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২২ বার
ইতালির রূপকথা

প্রকাশ: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

অভিষেক টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেই জোরালো আগমনী বার্তা দিল ইতালি জাতীয় ক্রিকেট দল। বাছাইপর্ব পেরিয়ে প্রথমবার মূল আসরে জায়গা পাওয়া ইউরোপের এই দল মুম্বাইয়ের ঐতিহাসিক ভেন্যুতে ১০ উইকেটের দাপুটে জয়ে উড়িয়ে দিয়েছে ফেবারিট নেপাল জাতীয় ক্রিকেট দল। বল হাতে শৃঙ্খল ছিল দৃঢ়। ব্যাট হাতে আগ্রাসন ছিল নির্মমভাবে কার্যকর।

টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে নেপাল। ইতালির নিয়ন্ত্রিত বোলিং লাইন গতি কাড়ে প্রতিপক্ষের ইনিংস থেকে। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ১৯.৩ ওভারে থামে ১২৩ রানে। আরিফ শেখ করেন সর্বোচ্চ ২৭। অধিনায়ক রোহিত পাউডেল ১৪ বলে ২৩ রানের ঝড় তোলেন। শেষদিকে করণ কেসির ১৮ কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে। ততক্ষণে ম্যাচের রাশ ইতালির মুঠোয় শক্ত।

নেপালের ধস নামানোর নায়ক লেগস্পিনার ক্রিশান কালুগামাগে। চার ওভারে মাত্র ১৮ রান দিয়ে নেন তিন শিকার। মধ্যক্রম ঘূর্ণিতে দিশেহারা হয়ে পড়ে। কার্যকর সহায়তা দেন বেন মেনেত্তি। তিনি ৯ রানে তুলে নেন দুই উইকেট।

১২৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইতালি দেখায় সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপ। ঝুঁকিহীন তবে নির্ভীক সূচনা। দুই ওপেনার জাস্টিন মোসকাঅ্যান্থনি মোসকা শুরু থেকেই ছন্দে। নেপালের বোলারদের ওপর ধারাবাহিক চাপ গড়ে তোলেন তারা। উদ্বোধনী জুটিতে অবিচ্ছিন্ন ১২৪ রান। মাত্র ১২.৪ ওভারেই নিশ্চিত জয়।

জাস্টিন করেন ৪৪ বলে ৬০। ইনিংসে পাঁচ চার তিন ছক্কা। অ্যান্থনি ছিলেন আরও বিধ্বংসী। ৬২ রানে অপরাজিত থাকেন। তিন চার ছয় ছক্কায় গড়া ইনিংস। উদ্বোধনী জুটি গড়ে ইতালির ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংগ্রহ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বমঞ্চে এটি অন্যতম স্মরণীয় পার্টনারশিপ।

মজার বাঁক আছে গল্পে। আগের ম্যাচে স্কটল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দল এর কাছে ৭৩ রানে হার দেখেছিল ইতালি। সেই ধাক্কা ঝেড়ে এমন প্রত্যাবর্তন মানসিক দৃঢ়তার স্পষ্ট প্রমাণ। এখন দৃষ্টি পরবর্তী লড়াইয়ে। প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দল। ওয়াংখেড়ের আত্মবিশ্বাস যদি সঙ্গ দেয় তবে আরেক চমক একেবারেই অসম্ভব নয়।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

নেপাল ১২৩ অলআউট ১৯.৩ ওভার
ইতালি ১২৪/০ ১২.৪ ওভার
ফল: ইতালি ১০ উইকেটে জয়ী
ম্যাচসেরা: ক্রিশান কালুগামাগে

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত