সর্বশেষ :
২০২৬ বিশ্বকাপে বড় পরিবর্তন, ফুটবল টুর্নামেন্টে নতুন যুগের ইঙ্গিত সোমালি রেফারিকে ঢুকতে না দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনায় ইয়ান রাইট ২০২৬ বিশ্বকাপ: গোল্ডেন বুটের দৌড়ে কারা এগিয়ে? মিরসরাইয়ে নিখোঁজ তিন কিশোর উদ্ধার, স্বস্তি ফিরেছে পরিবারে মেলান্দহে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু চিরিরবন্দরে ৩ মাদকসেবীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কারাদণ্ড ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার, বাজার স্থিতিশীলতায় উদ্যোগ প্রশাসনিক কাজে জবাবদিহি নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মে মাসে বিজিবির অভিযানে ১৭৭ কোটি টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ, সীমান্তে কড়াকড়ি জোরদার ৭৯ হাজার ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ নিয়ে নতুন বিতর্ক, যাচাই প্রক্রিয়া ঘিরে আলোচনা

১৩৩ অধ্যাদেশ পাঠানো হলো সংসদের বিশেষ কমিটিতে

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬
  • ৪২ বার
১৩৩ অধ্যাদেশ

প্রকাশ: ১৫ মার্চ ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। সংসদের প্রথম বৈঠকে এই অধ্যাদেশগুলো তুলে পর্যালোচনার জন্য কমিটিকে আগামী ২ এপ্রিলের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

রোববার জাতীয় সংসদে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান অধ্যাদেশগুলো বিশেষ কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব করেন। প্রস্তাব অনুমোদনের পর অধ্যাদেশগুলো ওই কমিটিতে হস্তান্তর করা হয়। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে বেলা ১১টায় সংসদের বৈঠক শুরু হয়, যেখানে এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কোনো অধ্যাদেশ জারি করলে সেই অধ্যাদেশ সংসদের প্রথম বৈঠকে তুলতে হয়। এই নিয়ম মেনে গত বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম বৈঠকে আইনমন্ত্রী অধ্যাদেশগুলো সংসদে উপস্থাপন করেন।

সাধারণত কোনো বিল বা অধ্যাদেশ যাচাই–বাছাই করে সংসদে প্রতিবেদন দেয় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি। কিন্তু এ মুহূর্তে মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি এখনও গঠিত হয়নি। তাই অধ্যাদেশগুলো যাচাই ও বাছাই করার জন্য ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বৈঠকে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটি এখন দায়িত্বে রয়েছে অধ্যাদেশগুলো পর্যালোচনা করে সংসদে প্রতিবেদন দাখিল করার।

বিশেষ কমিটির মাধ্যমে অধ্যাদেশ পর্যালোচনার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় আইন প্রণয়নের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার দিকে একটি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আইনমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, “বিশেষ কমিটি অধ্যাদেশগুলোর যথাযথ পর্যালোচনা করে সংসদে সুস্পষ্ট এবং সংবিধানসঙ্গত প্রতিবেদন জমা দেবে। এটি সংসদের কার্যক্রমে পারদর্শিতা এবং ন্যায্যতা নিশ্চিত করবে।”

সংবিধান ও নিয়ম অনুযায়ী, এই অধ্যাদেশগুলো সংসদে গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত আইনগত কার্যকারিতা বহাল থাকবে। তবে বিশেষ কমিটির প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর সংসদ প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে এবং অধ্যাদেশগুলো আইনগত রূপে স্থায়ী করতে পারে বা বাতিলের প্রস্তাব দিতে পারে।

এবারের বিশেষ কমিটির কাজ অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি হওয়া ১৩৩টি অধ্যাদেশের প্রভাব, প্রয়োজনীয়তা এবং সাংবিধানিক বৈধতা মূল্যায়ন করা। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি ভবিষ্যতে জাতীয় আইন প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। বিশেষ করে যখন মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি এখনও গঠিত হয়নি, তখন এই প্রক্রিয়া সংসদীয় তদারকির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে গণ্য হবে।

এই অধ্যাদেশগুলো রাষ্ট্র ও জনগণের জন্য যে প্রভাব ফেলতে পারে, তা বিশেষ কমিটি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করবে। প্রতিবেদন প্রস্তুত হওয়ার পর সংসদ তা বিবেচনা করবে এবং প্রয়োজনে সংশোধন বা বাতিলের সুপারিশ করতে পারে। ফলে এটি বাংলাদেশের আইন প্রণয়নের স্বচ্ছতা ও সংবিধান সম্মত কার্যকারিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে ধরা হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত