ডাকসু নির্বাচনে জয়লাভের পর শিবিরের দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১২২ বার
ডাকসু নির্বাচনে জয়লাভের পর শিবিরের দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ । নিজস্ব সংবাদদাতা
একটি বাংলাদেশ অনলাইন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’ বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভের পর বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। বিজ্ঞপ্তিতে তিনি উল্লেখ করেন, এই নির্বাচনের মূল বিজয় অর্জিত হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরই কারণে, এবং যারা বিভিন্ন প্যানেল ও স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচিত হয়েছেন, তাদের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছেন।

জাহিদুল ইসলাম বলেন, “মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ কৃপায় ডাকসু নির্বাচনে আমাদের সমর্থিত প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০ হাজার শিক্ষার্থীর পক্ষ থেকে অর্পিত দায়িত্বের আমানত নির্বাচিত প্রতিনিধিদের যথাযথভাবে রক্ষা করার তাওফিক দান করুন। আমিন।”

ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা দুই দিনের কর্মসূচিতে রয়েছে দিনব্যাপী শুকরিয়া আদায় করে দোয়া মাহফিল ও শব্বেদারি বা নৈশ ইবাদত, পাশাপাশি শহীদদের কবর জিয়ারত ও শহীদ পরিবার ও আহত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ। জাহিদুল ইসলাম বলেন, “কেন্দ্রীয় নির্দেশনার আলোকে ছাত্রশিবিরের সকল মহানগর, বিশ্ববিদ্যালয়, শহর ও জেলা শাখাকে উক্ত কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। তবে কোনো ধরনের আনন্দ মিছিল, শোভাযাত্রা বা র‌্যালি আয়োজন থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করা হচ্ছে।”

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সহ-সভাপতি (ভিপি), সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ও সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) এই তিনটি শীর্ষ পদসহ প্রায় সবকটি পদেই ছাত্রশিবির সমর্থিত জোট বিজয়ী হয়েছে। ভিপি পদে মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম), জিএস পদে এস এম ফরহাদ এবং এজিএস পদে মহিউদ্দিন খান বিশাল ব্যবধানে জয় লাভ করেছেন।

সিনেট ভবনে বুধবার ঘোষিত ফলাফলে দেখা গেছে, অন্যান্য প্যানেল যেমন ছাত্রদল, বাম ও বাগছাস থেকে প্রার্থী দেওয়া হলেও তারা গুরুত্বপূর্ণ কোনো পদে জয়লাভ করতে পারেনি। তবুও তিনটি পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও নির্বাচিত হয়েছেন। এই ফলাফল বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচনের ইতিহাসে শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ অংশগ্রহণ ও শান্তিপূর্ণ ভোটের পরিবেশের স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত