সক্ষমতা থাকলেও অবহেলায় রুগ্ণ বাপেক্স

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৫৫ বার
সক্ষমতা থাকলেও অবহেলায় রুগ্ণ বাপেক্স

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

দেশের নিজস্ব গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদনের অন্যতম প্রধান রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড—বাপেক্স। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিনের অবহেলা, সীমিত বিনিয়োগ, পুরোনো যন্ত্রপাতি, দক্ষ জনবলের ঘাটতি এবং দীর্ঘ প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার কারণে প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যে রয়েছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও গ্যাস অনুসন্ধানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের মতে, বাপেক্সের সক্ষমতা বাড়াতে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ এখন সময়ের দাবি।

গ্যাস অনুসন্ধানের সাফল্যের দিক থেকে বাপেক্সের সক্ষমতা নিয়ে ইতিবাচক মূল্যায়ন রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, বিদেশি কোম্পানিগুলো গড়ে চারটি কূপ খনন করে একটি কূপে সাফল্য পেলেও বাপেক্স তুলনামূলকভাবে কম কূপ খনন করেই সাফল্য অর্জন করেছে। অর্থাৎ অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানটির দক্ষতা একেবারে উপেক্ষা করার মতো নয়। দেশের বিভিন্ন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের ক্ষেত্রেও বাপেক্সের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তারপরও পর্যাপ্ত পৃষ্ঠপোষকতা ও বিনিয়োগের অভাবে প্রতিষ্ঠানটির সক্ষমতা প্রত্যাশিত মাত্রায় বিকশিত হয়নি।

দেশের জ্বালানি খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বাপেক্স দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনের তুলনায় কমসংখ্যক ও পুরোনো রিগ দিয়ে কূপ খননের কাজ পরিচালনা করছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির জনবলও প্রয়োজনের তুলনায় কম। বিশেষ করে কারিগরি ও অভিজ্ঞ জনবলের ঘাটতি থাকায় একাধিক কূপ একসঙ্গে খনন করা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে দেশে গ্যাস অনুসন্ধানের সম্ভাবনা থাকলেও সেই সম্ভাবনাকে দ্রুত কাজে লাগানো যাচ্ছে না।

বাপেক্সের বর্তমান রিগ সক্ষমতাও প্রতিষ্ঠানটির সীমাবদ্ধতার একটি বড় উদাহরণ। বর্তমানে সংস্থাটির পাঁচটি রিগ রয়েছে। এগুলোর মধ্যে বিজয়-১০, বিজয়-১১, বিজয়-১২, বিজয়-১৮ এবং আইডিএস-১ উল্লেখযোগ্য। এসব রিগের বয়স গড়ে ১০ থেকে ২৫ বছর। সংশ্লিষ্টদের মতে, পুরোনো এসব যন্ত্রপাতির ওপর নির্ভর করে আধুনিক ও দ্রুতগতির অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করা কঠিন। উপরন্তু রিগগুলোর প্রয়োজনীয় আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেশনের ঘাটতিও রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

তবে পরিস্থিতি পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাপেক্সের সক্ষমতা বাড়াতে দুটি আধুনিক রিগ কেনার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে ২ হাজার হর্সপাওয়ার ক্ষমতার একটি রিগ কেনার মূল্যায়ন প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি ১ হাজার ৫০০ হর্সপাওয়ার ক্ষমতার আরেকটি রিগ কেনার জন্য বিস্তারিত প্রকল্প প্রস্তাব তৈরির কাজ চলছে। প্রস্তাব চূড়ান্ত হওয়ার পর তা অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানোর কথা রয়েছে।

শুধু রিগ বাড়ালেই বাপেক্সের সমস্যার সমাধান হবে না বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, নতুন যন্ত্রপাতি পরিচালনার জন্য দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনবল তৈরি করা equally জরুরি। বাপেক্সের বর্তমান জনবল দিয়ে একসঙ্গে বেশি সংখ্যক কূপ খনন করা সম্ভব নয়। সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, পাঁচটি রিগ থাকলেও এর সবগুলো কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল প্রতিষ্ঠানে নেই। ড্রিলিং সাইটে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা কারিগরি জনবল প্রয়োজন হওয়ায় জনবল সংকট সরাসরি অনুসন্ধান কার্যক্রমের গতিকে প্রভাবিত করছে।

বিদেশি কোম্পানিগুলো যেখানে বছরে সাত থেকে আটটি পর্যন্ত কূপ খনন করতে সক্ষম, সেখানে জনবল ও অন্যান্য সীমাবদ্ধতার কারণে বাপেক্স বছরে প্রায় একটি কূপ খননের পর্যায়ে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এতে দেশের সম্ভাব্য গ্যাসসম্পদ দ্রুত অনুসন্ধান ও উৎপাদনের আওতায় আনার সুযোগ সীমিত হয়ে পড়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বাড়াতে হলে শুধু অবকাঠামো নয়, একই সঙ্গে মানবসম্পদ উন্নয়ন, প্রযুক্তি, অর্থায়ন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি বাড়াতে হবে।

বাপেক্সের জনবল সংকটের সঙ্গে বেতন কাঠামোর বিষয়টিও জড়িত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বহুজাতিক তেল ও গ্যাস কোম্পানিতে দক্ষ প্রকৌশলী ও বিশেষজ্ঞদের তুলনামূলক বেশি বেতন দেওয়ার সুযোগ থাকায় মেধাবী ও অভিজ্ঞ কর্মীদের ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। বাপেক্সের কর্মীদের বেতন অনেক ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতামূলক না হওয়ায় যোগ্য ব্যক্তিদের আকৃষ্ট করা এবং দীর্ঘদিন প্রতিষ্ঠানে ধরে রাখার ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আন্তর্জাতিক মানের একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হলে দক্ষ জনবলের জন্য প্রতিযোগিতামূলক বেতন ও ক্যারিয়ার সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. বদরুল ইমামের মতে, দীর্ঘদিন বিদেশি কোম্পানির ওপর গ্যাস অনুসন্ধানে বেশি নির্ভরতার কারণে বাপেক্স প্রয়োজনীয়ভাবে বিকশিত হওয়ার সুযোগ পায়নি। তাঁর মতে, দেশের বহু গ্যাসকূপ আবিষ্কারে বাপেক্সের ভূমিকা রয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটিকে যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা ও সরকারি অর্থায়ন দেওয়া প্রয়োজন। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাপেক্সকে শক্তিশালী করা গেলে দেশের নিজস্ব গ্যাসসম্পদ অনুসন্ধানে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভরতা কমানো সম্ভব হতে পারে।

সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধানের ক্ষেত্রেও বাপেক্সের সক্ষমতার ঘাটতি রয়েছে। সংস্থাটির নিজস্ব কোনো অনুসন্ধান জাহাজ নেই। আধুনিক ত্রিমাত্রিক সিসমিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সমুদ্রের তলদেশে সম্ভাব্য গ্যাসসম্পদ চিহ্নিত করতে বিশেষায়িত জাহাজের প্রয়োজন হয়। কিন্তু এই সক্ষমতা না থাকায় সমুদ্রভিত্তিক অনুসন্ধানে বাপেক্সকে অন্য প্রতিষ্ঠানের সহায়তার ওপর নির্ভর করতে হয়। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, দীর্ঘমেয়াদে সমুদ্রাঞ্চলে নিজস্ব সক্ষমতা তৈরির জন্য বাপেক্সের আধুনিক প্রযুক্তি ও বিশেষায়িত জাহাজের প্রয়োজন রয়েছে।

প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রেও বাপেক্সকে এগিয়ে নিতে হবে বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। জিওলজিক্যাল ও জিওফিজিক্যাল অনুসন্ধানে আধুনিক সফটওয়্যার ও প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ত্রিমাত্রিক সিসমিক সার্ভের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার নিয়মিত আধুনিকায়ন করা প্রয়োজন। পুরোনো প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করলে তথ্য বিশ্লেষণ ও সম্ভাব্য গ্যাসসম্পদ শনাক্ত করার সক্ষমতা কমে যেতে পারে। তাই বাপেক্সের প্রযুক্তি ক্রয় ও আধুনিকায়নের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন।

প্রতিষ্ঠানটির আরেকটি বড় সমস্যা হলো প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতা। বাপেক্সের কর্মকর্তাদের মতে, একটি কূপ খনন প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে দীর্ঘ অনুমোদন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। প্রথমে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব বা ডিপিপি তৈরি করতে হয়। এরপর তা বাপেক্সের বোর্ডে অনুমোদনের জন্য যায়। অনুমোদনের পর পেট্রোবাংলা, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অর্থায়নের বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে পরিকল্পনা কমিশনে যেতে হয়। পরবর্তী সময়ে একাধিক বৈঠক ও অনুমোদনের পর প্রকল্প একনেকে যেতে পারে। অনুমোদনের পর টেন্ডারসহ অন্যান্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কূপ খননের কাজ শুরু করা হয়।

বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ার কারণে দ্রুত গ্যাস অনুসন্ধান করা কঠিন হয়ে পড়ে। কোনো প্রকল্প অনুমোদন পেতে দীর্ঘ সময় চলে গেলে দেশের জ্বালানি চাহিদার পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হয় না। বাপেক্সের জন্য নির্দিষ্ট ও সময়োপযোগী অর্থ বরাদ্দ থাকলে এবং কিছু ক্ষেত্রে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সহজ করা গেলে বছরে আরও বেশি কূপ খনন করা সম্ভব বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

বাপেক্সের খনন বিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে সর্বোচ্চ দুটি রিগ পরিচালনার মতো জনবল রয়েছে। নতুন জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হলেও কারিগরি কাজে দক্ষতা অর্জন তাৎক্ষণিকভাবে সম্ভব নয়। নতুন কর্মীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য একাধিক কূপে কাজ করার প্রয়োজন হয়। ফলে জনবল সংকট দূর করার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ ও বাস্তব অভিজ্ঞতার সুযোগ তৈরি করতে হবে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ম. তামিমের মতে, বাপেক্সকে আন্তর্জাতিক সক্ষমতাসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে হলে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, কারিগরি দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা—তিনটিই প্রয়োজন। তাঁর মতে, বিশ্বব্যাপী দক্ষ ও মেধাবী জনবল খুঁজে এনে প্রতিযোগিতামূলক বেতনে নিয়োগ দেওয়ার পাশাপাশি বর্তমান কর্মকর্তাদের আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ দিতে হবে। আন্তর্জাতিক তেল-গ্যাস কোম্পানির সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে জ্ঞান বাড়ানোও জরুরি।

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আগামী কয়েক বছরে বিপুলসংখ্যক নতুন কূপ খননের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে ১৫০টি নতুন কূপ খননের পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে দেশীয় গ্যাসের উৎস অনুসন্ধানে দ্বিমাত্রিক ও ত্রিমাত্রিক সিসমিক সার্ভে পরিচালনার উদ্যোগও রয়েছে। এত বড় কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বাপেক্সকে শক্তিশালী করা ছাড়া কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া কঠিন হতে পারে।

দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা, গ্যাসের সরবরাহ ঘাটতি এবং আমদানিনির্ভরতার চাপের মধ্যে নিজস্ব গ্যাসসম্পদ অনুসন্ধানের গুরুত্ব আরও বেড়েছে। নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করা গেলে শিল্প, বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার কারখানা ও অন্যান্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে জ্বালানি সরবরাহের চাপ কমানো সম্ভব হতে পারে। একই সঙ্গে আমদানি করা জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমলে বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপও কিছুটা কমতে পারে।

তবে এ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হলে বাপেক্সকে কেবল একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে নয়, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার কৌশলগত সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। আধুনিক রিগ, দক্ষ জনবল, প্রতিযোগিতামূলক বেতন, উন্নত সফটওয়্যার, সমুদ্র অনুসন্ধানের সক্ষমতা, পর্যাপ্ত অর্থায়ন এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ব্যবস্থা—সবকিছুর সমন্বিত উন্নয়ন প্রয়োজন। বিচ্ছিন্নভাবে কোনো একটি ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করলে প্রতিষ্ঠানটির কাঙ্ক্ষিত সক্ষমতা অর্জন সম্ভব নাও হতে পারে।

দীর্ঘদিনের সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে বাপেক্সকে শক্তিশালী করা গেলে দেশের গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রমে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। রাষ্ট্রীয় এই প্রতিষ্ঠান নিজস্ব দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় যত বেশি কূপ খনন করতে পারবে, ততই দেশের সম্ভাব্য গ্যাসসম্পদ দ্রুত চিহ্নিত করার সুযোগ বাড়বে। আর সেই সক্ষমতা বাস্তবে কাজে লাগাতে পারলে বাপেক্স শুধু একটি রুগ্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে নয়, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার অন্যতম প্রধান ভরসা হিসেবে নতুন করে দাঁড়ানোর সুযোগ পেতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com