“নাহিদ ইসলামের বক্তব্য যদি আরও স্পেসিফিক হতো” সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৪৬ বার
প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর' ২০২৫ । নিজস্ব সংবাদদাতা | একটি বাংলাদেশ অনলাইন সিলেটের সড়ক ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বানর ও কুকুরের দৌরাত্ম্যে সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা দিন দিন আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। বিশেষ করে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) হলগুলোতে বানরের আক্রমণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরাট উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে সামাদ রহমান হল এবং সুহাসিনী দাস হলে শতাধিক ছাত্রী বানরের হামলার শিকার হয়েছেন। এই ঘটনায় হলজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে, শিক্ষার্থীরা নিরাপদে চলাফেরায় অনিশ্চয়তায় রয়েছেন। বিবরণ অনুযায়ী, কিছু বানর এমন সাহসী হয়ে উঠেছে যে ঘরের মধ্যে প্রবেশ করছে এবং শিক্ষার্থীদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ছে। শিশুরা খেলার সময়ও বানরের আক্রমণের শিকার হচ্ছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বানরের কামড়ে আহত শিক্ষার্থীদের রক্তক্ষরণ দেখা দিয়েছে এবং দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা নিতে হয়েছে। যদিও কিছু ক্ষেত্রে এদের ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে, তবে অনেকেই জানেন না আহত হলে কী করণীয়। এই পরিস্থিতি জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে এবং হাসপাতালগুলোতে ভিড় বেড়েছে। সিকৃবি প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বসহকারে নিয়ে বন ভবন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করেছে। বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলাম, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. সামিউল আহসান তালুকদার এবং বন বিভাগের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমির হোসাইন চৌধুরী, বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চলের বন সংরক্ষক মো. সানাউল্লাহ পাটোয়ারী, বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিচালক মো. মিজানুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন বিভাগের কাছে আবেদন জানানো হয় যে, বানরের আক্রমণ থেকে শিক্ষার্থীদের রক্ষার জন্য দ্রুত এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক। বন বিভাগের প্রতিনিধিরা সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অনুরোধ জানান, পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণভাবে মোকাবিলা করতে শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বাড়াতে হবে। ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলাম জানিয়েছেন, বন ও পরিবেশ সংক্রান্ত আইন থাকা সত্ত্বেও এই সমস্যা সহজে সমাধান করা সম্ভব নয়। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ইতোমধ্যেই ছাত্রী হলের নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি আহতদের সুচিকিৎসা এবং প্রয়োজনীয় ভ্যাক্সিন প্রদানসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এছাড়া তিনি বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় ও বন বিভাগের সর্বোচ্চ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সমস্যা সম্পর্কে অবহিত করেছেন। ড. আলিমুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে আহ্বান জানিয়েছেন, আতঙ্কিত না হয়ে ধৈর্য ধরে সচেতনভাবে পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বদা সচেষ্ট এবং বদ্ধপরিকর। তিনি আরও বলেছেন, বন বিভাগের সহায়তায় এবং প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে বানরের আক্রমণ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে, যাতে শিক্ষার্থীরা নিরাপদে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারে। নাহিদ ইসলামের বক্তব্য যদি আরও স্পেসিফিক হতো

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর’ ২০২৫ । নিজস্ব সংবাদদাতা | একটি বাংলাদেশ অনলাইন

সচিবালয়ে বুধবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এক গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “নাহিদ ইসলামের বক্তব্য যদি আরও স্পেসিফিক হতো, হয়তো সরকারের পক্ষ থেকে তাতে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো যেত। কিন্তু এখানে সরকারের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগই নেই।” এই বক্তব্যটি নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে এবং উপদেষ্টাদের কার্যকারিতা ও সরকারের নীতি সংক্রান্ত প্রশ্নও তোলা হয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কোনো উপদেষ্টা যদি তার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে না পারেন, তা এক ধরনের ব্যর্থতা হিসাবেই গণ্য হবে। তবে ‘সেফ এক্সিট’ বিষয়ক যে প্রশ্নটি সামাজিক ও সংবাদমাধ্যমে আলোচিত হচ্ছে, তা মূলত একটি অনিয়মতান্ত্রিক বা অবাঞ্ছিত পরিবর্তনের প্রেক্ষাপট বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। গত দুই দিন ধরে জনমনে উত্থাপিত প্রশ্ন হলো, নাহিদ ইসলামের পাশাপাশি জার্জিস কেন এই বক্তব্য প্রকাশ করলেন, এবং সেটি কীভাবে সরকারের নীতি বা সিদ্ধান্তের সঙ্গে সম্পর্কিত।

সংবাদমাধ্যমগুলো এবং বিশেষত আন্তর্জাতিক নিউজ এজেন্সি বিবিসি এই বিষয়টি অনুসন্ধানের চেষ্টা করেছে। কিন্তু নাহিদ ও জার্জিসকে ফোনে যোগাযোগের পরেও তারা কোনো মন্তব্য প্রদান করেননি। ফলে প্রশ্ন থেকে যায়, উক্ত বক্তব্য কি তাদের ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ, নাকি সরকারের নীতির কোনো অপ্রকাশিত দিকের প্রতিফলন।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরনের বক্তব্য প্রায়ই জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করে, বিশেষ করে যখন তা স্পষ্ট ব্যাখ্যা ছাড়া প্রকাশিত হয়। পাশাপাশি এটি সরকারের নীতি ও উপদেষ্টাদের দায়িত্বপ্রয়োগের দক্ষতা সম্পর্কে নতুন আলোচনার সুযোগও তৈরি করে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা সতর্ক করেছেন, ‘সেফ এক্সিট’ বিষয়ে আলোচনা কখনো কখনো কূটনৈতিক বা প্রশাসনিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসাবেও দেখা যেতে পারে।

এই ঘটনায় সরকারি কর্মকর্তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া না থাকায় সংবাদমাধ্যম এবং সামাজিক প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন ধরনের ব্যাখ্যা ও অনুমান ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, উপদেষ্টাদের বক্তব্যের প্রকৃত অর্থ বোঝার জন্য সরকারের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা ছাড়া নির্ধারিত তথ্য পাওয়া যাবে না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত