প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৫ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন
জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রতীক নিয়ে ইসির চূড়ান্ত সময়সীমা ১৯ অক্টোবর ।নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) যদি ১৯ অক্টোবরের মধ্যে নির্বাচনী তফসিলের মধ্যে প্রতীক বেছে না নেয়, তাহলে কমিশন নিজের বিবেচনায় তাদের জন্য প্রতীক বরাদ্দ দিবে। তিনি বলেন, নির্বাচনী বিধিমালার বাইরে থাকায় এনসিপিকে শাপলা প্রতীক দেওয়ার সুযোগ নেই। তবে কমিশন দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা আলোচনা শেষে তাদের ব্যাখ্যা গ্রহণ করেছে এবং আগের অবস্থান অনুযায়ী শাপলা প্রতীকের বিষয়ে কোনো পরিবর্তন করা হয়নি।
ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, “যদি এনসিপি নতুন প্রতীক জমা না দেয়, তাহলে ১৯ অক্টোবরের পর কমিশন নিজস্ব সিদ্ধান্তে তাদের জন্য প্রতীক নির্ধারণ করবে। আমাদের কাজ হচ্ছে নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা এবং প্রতিটি দলকে স্বচ্ছ ও ন্যায্যভাবে সুযোগ দেওয়া।”
প্রবাসী ভোটারদের জন্য নির্বাচনী প্রস্তুতি প্রসঙ্গে তিনি জানান, পুরনো ১১টি দেশের সঙ্গে আরও চারটি দেশে ভোটার হালনাগাদ প্রক্রিয়া শুরু হবে। এছাড়া, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ভোট দেওয়ার জন্য একটি নতুন অ্যাপ লঞ্চের পরিকল্পনা রয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনের জন্য জরুরি সরঞ্জাম ইতিমধ্যেই কমিশনের কাছে পৌঁছে গেছে।
এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা এবং সংবাদিকরা কমিশনের কার্যক্রমে যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন। নতুন ১২টি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বিষয়ে সচিবালয় ও মাঠ পর্যায়ে অনুসন্ধান কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে আখতার আহমেদ বলেন, গণভোট অনুষ্ঠিত হবে কি হবে না, এ বিষয়ে এখনও নির্বাচন কমিশনে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়নি। তাই এর ওপর ভিত্তি করে প্রস্তুতির বিষয়ে মন্তব্য করা সম্ভব নয়।
জাতীয় নাগরিক পার্টি ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে চলমান এই প্রক্রিয়া রাজনৈতিক মহলে নজরকাড়া বিষয় হয়ে উঠেছে। ১৯ অক্টোবরের মধ্যে এনসিপি কি প্রতীক বেছে নেবে, নাকি কমিশন নিজস্ব বিবেচনায় তাদের জন্য প্রতীক নির্ধারণ করবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
একটি বাংলাদেশ অনলাইন