ঢাকার আশুলিয়ার বাইপাইলে শুক্রবার অনুভূত ৩.৩ মাত্রার ভূমিকম্প ছিল গতকালের বড় কম্পনের আফটার শক। ভূমিকম্প গবেষণা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুবায়েত কবির শনিবার (২২ নভেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, আশুলিয়ায় অনুভূত এই কম্পনের উৎপত্তি স্থল ছিল নরসিংদীর পলাশ। এটি গতকাল মাধবদীতে অনুভূত বড় ভূমিকম্পের প্রাকৃতিক আফটার শক। রুবায়েত কবির ভাষায়, আফটার শকটি প্রায় ১০-২০ কিলোমিটার দূরেও অনুভূত হতে পারে, যা প্রমাণ করে এটি মূল ভূমিকম্পের উৎপত্তি স্থলের কাছাকাছি হয়েছে।
তিনি আরও সতর্ক করেছেন যে, সামনের দিনগুলোতে আরও বড় ভূমিকম্পের ঝুঁকি রয়েছে। রুবায়েত বলেন, “গত একশ বছরের মধ্যে ঢাকায় এমন মাত্রার ভূমিকম্প আগে কখনো ঘটেনি। আমরা বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে রয়েছি।”
গত শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকাল ১০টা ৩৮ মিনিট ২৬ সেকেন্ডে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। নরসিংদীর মাধবদীতে উৎপত্তি হওয়া এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৫.৭। এতে বাবা-ছেলেসহ পাঁচজন, ঢাকায় চারজন এবং নারায়ণগঞ্জে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া কয়েক শত মানুষ আহত হয়েছেন।
ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরনের কম্পন আমাদের ভূমিকম্প ঝুঁকির সচেতনতার দিকে আরও গুরুত্ব দিতে হবে। বিশেষ করে ঢাকা শহরসহ আশেপাশের অঞ্চলগুলোতে প্রস্তুতি নেওয়া এখন জরুরি।