যশোর-৩ এ পাঁচ কেন্দ্রে এগিয়ে দাঁড়িপাল্লা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৩৪ বার

প্রকাশ: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৩ আসনের পাঁচটি কেন্দ্রের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আব্দুল কাদের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে এগিয়ে রয়েছেন। প্রাথমিক এই ফলাফল ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বাড়ছে উত্তেজনা।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে পর্যায়ক্রমে কেন্দ্রভিত্তিক গণনা শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে তথ্য পৌঁছায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায় পাঁচটি কেন্দ্র মিলিয়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ৫ হাজার ২৪৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত পেয়েছেন ৪ হাজার ৩০৮ ভোট। ফলে এই পাঁচ কেন্দ্রে মোট ৯৪০ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন মো. আব্দুল কাদের।

যশোর জিলা স্কুল পুরুষ কেন্দ্রে ধানের শীষ পেয়েছে ৯৭৮ ভোট। একই কেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লা পেয়েছে ৮২০ ভোট। জিলা স্কুল মহিলা কেন্দ্রে ধানের শীষ ৮৭২ ভোট পায়। সেখানে দাঁড়িপাল্লা অর্জন করে ৮১১ ভোট। এই দুই কেন্দ্রে ধানের শীষ এগিয়ে থাকলেও ব্যবধান ছিল তুলনামূলকভাবে সীমিত।

অন্যদিকে কাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে চিত্র ভিন্ন। সেখানে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক পেয়েছে ২ হাজার ২২ ভোট। ধানের শীষ পেয়েছে ১ হাজার ১৬৬ ভোট। এই কেন্দ্রেই বড় ব্যবধান তৈরি হয়। আমটতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লা পেয়েছে ১ হাজার ৩৯০ ভোট। ধানের শীষ পেয়েছে ১ হাজার ২১৯ ভোট। বিএএফ শাহীন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লা পেয়েছে ২০৫ ভোট। ধানের শীষ সেখানে পেয়েছে ৭৩ ভোট।

পাঁচটি কেন্দ্রের এই ফলাফল সামগ্রিক চিত্র নির্ধারণ করে না। তবে এটি ভোটের একটি প্রাথমিক প্রবণতা তুলে ধরে। স্থানীয় পর্যবেক্ষকেরা বলছেন শহরাঞ্চল ও নির্দিষ্ট কিছু কেন্দ্রে ভোটের ধরণে পার্থক্য স্পষ্ট। গ্রামীণ ও আধা-শহুরে এলাকাভেদে সমর্থনের ভিত্তি ভিন্নভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই গণনা শুরু হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে গণনা কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এখনো বাকি কেন্দ্রগুলোর ফলাফল প্রকাশিত হয়নি। সব কেন্দ্রের ফল একত্রিত হওয়ার পরই স্পষ্ট হবে যশোর-৩ আসনে কে এগিয়ে থাকছেন চূড়ান্ত হিসেবে।

এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল বেশ আলোচিত। প্রধান দুই প্রার্থীর মধ্যে প্রচারণা জোরালো ছিল শুরু থেকেই। ভোটের দিন শান্তিপূর্ণ পরিবেশের কথা জানিয়েছেন অনেক ভোটার। তবে চূড়ান্ত ফলাফলের আগে কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিক বিজয় ঘোষণা করছে না।

যশোর-৩ আসনের ভোটাররা উন্নয়ন কর্মসংস্থান ও অবকাঠামো উন্নয়নের ইস্যুকে গুরুত্ব দিয়েছেন বলে স্থানীয় বিশ্লেষকদের মত। পাঁচ কেন্দ্রের ফলাফল সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন কতটা ঘটিয়েছে তা স্পষ্ট হবে পূর্ণাঙ্গ ফল প্রকাশের পর।

এখন সবার দৃষ্টি বাকি কেন্দ্রগুলোর দিকে। গণনা শেষ হলে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে। প্রাথমিক ফলাফলে দাঁড়িপাল্লা এগিয়ে থাকলেও চূড়ান্ত হিসাবই নির্ধারণ করবে বিজয়ের পাল্লা কোন দিকে ঝুঁকছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত