ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৩ বার
ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক

প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।
পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের ‘ক্রসফায়ার’–সংক্রান্ত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অঙ্গনে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তাঁর বক্তব্যকে সরকারের জন্য বিব্রতকর বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। অন্যদিকে, আইজিপির বিষয়ে সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশে ফেরার পর বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। এদিকে পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন আইজিপির বক্তব্যের পক্ষে ব্যাখ্যা দিয়েছে।

বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে অপরাধ দমনে পুলিশের ক্ষমতা প্রয়োগ, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের বক্তব্যের দায়বদ্ধতা। পুলিশের প্রধানের বক্তব্যকে ঘিরে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতিতে একদিকে যেমন আইন প্রয়োগে দৃঢ়তার প্রশ্ন সামনে এসেছে, অন্যদিকে তেমনি আইনের সীমা মেনে চলা এবং নাগরিকের জীবন ও অধিকার সুরক্ষার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে।

গত সোমবার পুরান ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে আইজিপি আলী হোসেন ফকির বলেছিলেন, ‘ক্রসফায়ার যদি প্রয়োজন হয়, সরকার যদি অ্যালাউ (অনুমতি দেয়), আমরা সেটাই করব।’ বক্তব্যটি প্রকাশ্যে আসার পর বিভিন্ন মহলে সমালোচনা শুরু হয়। পরে পুলিশ সদর দপ্তর এক বিবৃতিতে জানায়, আইজিপি ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি ব্যবহার করলেও এর মাধ্যমে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বোঝাতে চাননি। তবে তাঁর বক্তব্যের ব্যাখ্যা সামনে এলেও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক আলোচনা থামেনি।

জাতীয়তাবাদী যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার রাজধানীর জিয়া উদ্যানে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এ সময় তিনি আইজিপির বক্তব্যের সমালোচনা করেন।

রিজভী বলেন, পুলিশ বাহিনীর প্রধান সরকারেরই একটি অংশ। তাঁর মুখে ক্রসফায়ারের মতো শব্দ উচ্চারিত হওয়া সরকারকে বিব্রত করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছে। বক্তব্যটি অনিচ্ছাকৃতভাবে বলা হয়ে থাকলে সেটি আলাদা বিষয়, তবে এমন মন্তব্যের প্রভাব ও তাৎপর্য উপেক্ষা করা যায় না বলেও তিনি মত দেন।

বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং ক্রসফায়ারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক আন্দোলন করেছে উল্লেখ করে রিজভী বলেন, সেই দলের সরকার ক্ষমতায় থাকার সময়ে পুলিশপ্রধানের মুখে এ ধরনের বক্তব্য তাঁদের ভাবিয়ে তুলছে।

তিনি বলেন, গত ১৭ বছর বিএনপি গুম, ক্রসফায়ার, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। সেই সংগ্রামের পর একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগণ এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রত্যাশা করেন, যেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি মানুষের মৌলিক অধিকারও সুরক্ষিত থাকবে।

রিজভীর বক্তব্যে অপরাধ দমনের পদ্ধতি নিয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। তাঁর মতে, দেশে অপরাধ দমনের জন্য পর্যাপ্ত আইন রয়েছে এবং সেসব আইন প্রয়োগের দায়িত্ব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর। প্রচলিত আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ করা হলে সন্ত্রাস ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, পুলিশ বাহিনীতে অনেক সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তা রয়েছেন। তাঁদের পেশাগত দক্ষতা কাজে লাগিয়ে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত প্রভাব ছাড়াই আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। গুম কিংবা ক্রসফায়ার কোনোভাবেই অপরাধ দমনের গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি হতে পারে না। দায়িত্বশীল পদে থাকা ব্যক্তিদের বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডেও সতর্কতা থাকা প্রয়োজন।

আইজিপির বক্তব্য নিয়ে সরকারের অবস্থান কী হবে, তা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশে ফেরার পর বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে পিআইডি সম্মেলন কক্ষে সরকারের কার্যক্রম নিয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে সরকারের চূড়ান্ত অবস্থান প্রধানমন্ত্রী নিজেই বিবেচনা করবেন। তিনি তাঁর গুরুত্বপূর্ণ সফর শেষ করে দেশে ফেরার পর বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

এক সাংবাদিক জানতে চান, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া সরকারের সময় পুলিশপ্রধান কেন ক্রসফায়ারের কথা বললেন এবং সাংবাদিকদের নিয়ে তাঁর মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাওয়া উচিত কি না।

জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, পুলিশ সদর দপ্তর ইতোমধ্যে আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছে। তাঁর মতে, বক্তব্যটি নিয়ে যে ব্যাখ্যা ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে, পুলিশ সদর দপ্তরের বিবৃতিতে সে বিষয়ে অবস্থান স্পষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছে।

জাহেদ উর রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, আইজিপির বক্তব্য থেকে কেউ কেউ বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ইঙ্গিত পেয়েছেন, যা একেবারে অসম্ভব ব্যাখ্যা নয়। তবে পরে আইজিপি নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন এবং তিনি কী বোঝাতে চেয়েছিলেন, তা পরিষ্কার করেছেন বলে মনে করেন তথ্য উপদেষ্টা।

সাংবাদিকদের নিয়ে আইজিপির মন্তব্য প্রসঙ্গেও উপদেষ্টা বলেন, বক্তব্যের একটি অংশ সাধারণীকরণ করা হয়েছে বলে মনে হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইজিপির ব্যাখ্যাও রয়েছে।

আইজিপি এ ধরনের বক্তব্য দিতে পারেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, আইজিপি তাঁর বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন এবং ভুল বার্তা তৈরি হয়ে থাকলে তা পরিষ্কার করার চেষ্টা করেছেন। এ কারণে বিষয়টি নিয়ে আর বেশি আলোচনা প্রয়োজন কি না, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।

একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন, আইজিপির বিষয়ে অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন আছে কি না, তা প্রধানমন্ত্রীই বিবেচনা করবেন। ফলে বিষয়টি নিয়ে সরকারের চূড়ান্ত অবস্থান এখনো নির্ধারিত হয়নি।

আইজিপির বক্তব্য নিয়ে দিনভর আলোচনা-সমালোচনার পর সোমবার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর একটি বিবৃতি দেয়। এতে বলা হয়, আলী হোসেন ফকির ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি ব্যবহার করলেও এর মাধ্যমে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বোঝানো হয়নি।

পুলিশ সদর দপ্তরের এ ব্যাখ্যার মূল বক্তব্য হলো, আইজিপি অপরাধ দমনে পুলিশের দৃঢ় অবস্থান বোঝাতে চেয়েছেন। তবে বক্তব্যের শব্দচয়ন নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা জনপরিসরে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দায়িত্ব ও ক্ষমতা সম্পর্কে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হয়। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেকটি পদক্ষেপ আইন দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে থাকতে হয়। অপরাধ দমনে দৃঢ়তা এবং বিচারবহির্ভূত ব্যবস্থা গ্রহণ এক বিষয় নয়। আইনের শাসনের মূলনীতি অনুযায়ী, অপরাধের অভিযোগ তদন্ত, প্রমাণ সংগ্রহ এবং আইনানুগ বিচারপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে অপরাধীর দায় নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

এই প্রেক্ষাপটে পুলিশপ্রধানের বক্তব্যের ব্যাখ্যা গুরুত্বপূর্ণ হলেও আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে বাহিনীর নীতি, নির্দেশনা এবং বাস্তব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সেই ব্যাখ্যার সামঞ্জস্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

আইজিপির মন্তব্য নিয়ে সমালোচনার মধ্যে পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনও বিবৃতি দিয়েছে। সংগঠনটি সরাসরি ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটির ওপর গুরুত্ব না দিয়ে আইজিপির বক্তব্যকে বিদ্যমান আইন ও বিধিবিধানের আলোকে ব্যাখ্যা করার আহ্বান জানিয়েছে।

অ্যাসোসিয়েশনের মতে, আইজিপির বক্তব্য ছিল আইন প্রয়োগে দৃঢ় ও আপসহীন থাকার সময়োপযোগী আহ্বান। আত্মরক্ষার অধিকারসহ আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তাদের অযথা দ্বিধাগ্রস্ত হওয়া উচিত নয় বলেও সংগঠনটি মত দিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, চলতি বছরে এ পর্যন্ত পুলিশ সদস্যদের ওপর ১৭৬টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় চার কর্মকর্তা নিহত এবং ৩৭০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে সংগঠনটি উল্লেখ করেছে।

অ্যাসোসিয়েশনের বক্তব্য অনুযায়ী, পুলিশের আইনানুগ কঠোরতাকে নেতিবাচকভাবে দেখা এবং অপরাধ দমনে নিষ্ক্রিয়তাকে দুর্বলতা হিসেবে বিবেচনা করার প্রবণতা মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনে অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে। পুলিশ আইনগত ক্ষমতা প্রয়োগে অযথা দ্বিধাগ্রস্ত হলে অপরাধীরা উৎসাহিত হতে পারে বলেও তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।

তবে সংগঠনটির বিবৃতিতে আইজিপির বক্তব্যে সরকারের অনুমতির প্রসঙ্গটি আলাদাভাবে ব্যাখ্যা করা হয়নি। ফলে ওই বক্তব্যের তাৎপর্য নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তার সবগুলোর উত্তর এতে পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, পুলিশের নন-ক্যাডার সদস্যদের সংগঠন বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন পৃথক বিবৃতিতে বলেছে, আইজিপি অপরাধ দমনে পুলিশের দৃঢ় অবস্থান বোঝাতে ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন। সংগঠনটির মতে, বক্তব্যটিকে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘোষণা হিসেবে ব্যাখ্যা না করে সামগ্রিক প্রেক্ষাপটে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

আইজিপির বক্তব্যকে ঘিরে বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে অপরাধ দমনে পুলিশের কার্যকর ভূমিকা এবং নাগরিকের অধিকার সুরক্ষার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার প্রশ্ন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। অপরাধ, সন্ত্রাস ও সহিংসতা প্রতিরোধে পুলিশের পেশাদারিত্ব এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ক্ষমতা প্রয়োগও জরুরি।

কিন্তু অপরাধ দমনের নামে আইনের বাইরে গিয়ে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ নেই। আত্মরক্ষার ক্ষেত্রে আইনসম্মত বলপ্রয়োগের বিধান এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। এ পার্থক্য স্পষ্ট রাখা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিশ্বাসযোগ্যতা এবং জনগণের আস্থা বজায় রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এ ধরনের পরিস্থিতিতে দায়িত্বশীল বক্তব্য, স্পষ্ট নীতিগত অবস্থান এবং স্বচ্ছ ব্যাখ্যা বিভ্রান্তি কমাতে পারে। একই সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের নিরাপত্তা, অপরাধ দমনে তাঁদের সক্ষমতা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার—সবকিছুকে বিবেচনায় রেখে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।

আইজিপির বক্তব্য নিয়ে সরকার কী সিদ্ধান্ত নেয়, তা এখন দেখার বিষয়। প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার পর এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা। তবে বিতর্কের বাইরে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পেশাদারিত্ব, জবাবদিহি এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করাই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com