প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ । নিজস্ব সংবাদদাতা। একটি বাংলাদেশ অনলাইন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলাকালীন বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ প্যানেলের জিএস প্রার্থী আবু বাকের মজুমদার ভোট কারচুপির অভিযোগ করেছেন। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) তিনি সাংবাদিকদের জানান, নির্বাচনের পরিবেশ সাধারণভাবে ইতিবাচক ও শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিচ্ছেন, তবে তিনি কিছু কেন্দ্রে ব্যালট আগে থেকেই পূরণ করে রাখার খবর পেয়েছেন।
আবু বাকের বলেন, “ভোটের বাইরে পরিবেশ খুবই চমৎকার, কিন্তু আমরা অমর একুশে হলে এমন ঘটনা শুনেছি। এখানে আগে থেকে ব্যালট পূরণ করে রাখা হয়েছে। আমরা আরও পাঁচ-সাত দিন আগে জানতাম যে প্রতিটি হলে ২০০ থেকে ৩০০টি ভোট আগে পূরণ করা হতে পারে। এতে মোট পাঁচ হাজার ৬০০ ভোট প্রভাবিত হতে পারে।” তিনি এ বিষয়ে কারা দায়ী, তা জানতে চাইলে বলেন, “যাদের ভোট নেই এবং যারা ক্যাম্পাসে জনসম্পৃক্ত নয়, তারাই এই ধরনের পরিকল্পনায় যুক্ত। আজ বিষয়টি দৃশ্যমান হয়েছে।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, “এ ঘটনার দায় নির্বাচন কমিশনের ওপর বর্তায়। শুরু থেকেই আমরা বিষয়টি উল্লেখ করলে কমিশন গ্যারান্টি দিয়েছিল যে এমন কিছু ঘটবে না। কিন্তু আজ আমরা সেটাই দেখতে পাচ্ছি।” আবু বাকের ব্যক্তিগতভাবে ভোট দেওয়ার সময় আনন্দ অনুভব করলেও, আগে থেকেই ব্যালট পূরণের তথ্য শুনে তিনি অত্যন্ত দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
প্রার্থী আরও জানান, এই ধরনের অভিযোগ মূলত একুশে হলে সীমিত নয়, তবে ওই কেন্দ্রে প্রথম নজরে এটি প্রকাশ পেয়েছে। নারীদের হলগুলোতে ভোটার সংখ্যা বেশি থাকার কারণে সেখানে কারচুপির সম্ভাবনা সহজে ঘটতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, ২০১৯ সালে ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা রোকেয়া হল ও সুফিয়া কামাল হলে একই ধরনের প্রক্রিয়া প্রয়োগ করেছিল।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন কমিশনের প্রতিক্রিয়া এখনো জানা যায়নি। শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত ভোটাধিকার এবং ভোটের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কমিশনের পদক্ষেপ নজরকাড়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে।