সর্বশেষ :
জীবননগরে আইসিটি কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ টানা পাঁচ দিন দেশজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা, স্বস্তি মিলতে পারে তাপদাহ থেকে সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য কঠোর নির্দেশনা, দায়িত্ব পালনে গাফিলতি না করার সতর্কবার্তা অবৈধ গ্যাস সংযোগে চুন কারখানা, রাষ্ট্রের কোটি টাকার ক্ষতির অভিযোগে দুইজন কারাগারে কবি আল মুজাহিদীর মৃত্যুতে শোকের ছায়া হামলা হলে ন্যাটোকে বিধ্বংসী জবাব দেবে রাশিয়া লেবানন সীমান্তে সংঘর্ষে নিহত ৪ ইসরাইলি সেনা, বাড়ছে উত্তেজনা সাঘাটায় যমুনা নদীর তীররক্ষা বাঁধে ধস, আতঙ্কে শতাধিক পরিবার আড়াই ঘণ্টার পতাকা বৈঠকেও মিলল না ডিপজলের খোঁজ, উদ্বেগে পরিবার সাতক্ষীরায় পৃথক স্থান থেকে তিন ব্যক্তির লাশ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য

এমপিও শিক্ষকদের পে-স্কেলে আনার কাজ চলছে

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬
  • ২৬ বার

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষকদের জাতীয় পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সব সমস্যার সমাধান একসঙ্গে হয়নি। সব সমস্যার সমাধান একসঙ্গে হবে, এমন কথাও বলা যায় না। তবে তাদের পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে। তার এই বক্তব্যের পর এমপিওভুক্ত শিক্ষক সমাজে নতুন করে আশার আলো তৈরি হয়েছে।

দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্তির দাবি জানিয়ে আসছেন। তাদের দাবি, একই শিক্ষাকাজ করেও তারা অনেক ক্ষেত্রে সরকারি শিক্ষকদের মতো আর্থিক সুবিধা পান না। বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ভাতা, উৎসব ভাতা, অবসর সুবিধা এবং পদোন্নতি নিয়ে তাদের নানা অভিযোগ আছে। তাই মন্ত্রীর বক্তব্যকে তারা গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত বার্তা হিসেবে দেখছেন।

তবে সরকার এখনই কোনো চূড়ান্ত ঘোষণা দেয়নি। মন্ত্রীর বক্তব্যে পরিষ্কার, বিষয়টি এখনো প্রক্রিয়াধীন। অর্থ মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় ছাড়া এমন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন সহজ নয়। কারণ এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের পে-স্কেলে আনতে হলে বড় আর্থিক বরাদ্দ দরকার হবে। সেই সঙ্গে বেসরকারি শিক্ষা খাতের কাঠামো, প্রতিষ্ঠানভিত্তিক নিয়োগ, পদসংখ্যা এবং বেতনব্যবস্থাও নতুন করে পর্যালোচনা করতে হবে।

এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার বড় অংশ বহন করেন। শহর থেকে গ্রাম, উপজেলা থেকে প্রত্যন্ত এলাকা, লাখো শিক্ষার্থী তাদের কাছেই পড়াশোনা করে। অনেক এলাকায় সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চেয়ে এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার ওপর মানুষের নির্ভরতা বেশি। তাই এই শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা ও মর্যাদা শুধু তাদের ব্যক্তিগত বিষয় নয়। এটি দেশের সামগ্রিক শিক্ষা মানের সঙ্গেও জড়িত।

সংবাদ সম্মেলনে শুধু এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বিষয় নয়, আসন্ন পরীক্ষা, ভর্তি পদ্ধতি, প্রাথমিক শিক্ষা এবং নতুন পাঠ্যসূচি নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেওয়া হয়। মন্ত্রী জানান, আগামী ২ জুলাই থেকে শুরু হতে যাওয়া এইচএসসি পরীক্ষা সব সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে নেওয়া হবে। একইভাবে আগামী বছরের এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রও সব বোর্ডে অভিন্ন রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, এক দেশে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ভিন্ন প্রশ্নে হতে পারে না। কোনো বোর্ডের প্রশ্ন সহজ, কোনো বোর্ডের প্রশ্ন কঠিন, এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তাই অভিন্ন প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে মূল্যায়নে সমতা আনার চেষ্টা করছে সরকার। তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে একই প্রশ্নপত্রে ইংরেজি মাধ্যমের ও-লেভেল ও এ-লেভেল পরীক্ষা নেওয়ার উদাহরণও দেন।

এই সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের মধ্যে বড় আলোচনার জন্ম দেবে। কারণ অভিন্ন প্রশ্নপত্র মানে একই মানদণ্ডে পরীক্ষা। এতে বোর্ডভেদে নম্বরের পার্থক্য কমতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, বৃত্তি, চাকরি ও মেধা মূল্যায়নে এটি সহায়ক হতে পারে। তবে এর সফলতা নির্ভর করবে প্রশ্নপত্রের মান, নিরাপত্তা, সিলেবাসের সমতা এবং পরীক্ষা ব্যবস্থাপনার ওপর।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবারের এসএসসি পরীক্ষা সবার সহযোগিতায় ভালোভাবে হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি। ফল প্রকাশ করা হবে ২০ জুলাই। প্রশ্নফাঁস ঠেকানো শিক্ষাব্যবস্থার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। তাই মন্ত্রীর এই বক্তব্যে বোঝা যায়, সরকার পরীক্ষা ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ধরে রাখতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

সেশনজট কমানোর বিষয়েও সরকার নতুন পরিকল্পনা নিয়েছে। মন্ত্রী জানান, সিলেবাস শেষ হওয়ার পরপরই এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ কারণে এক বছর আগেই পরীক্ষার সম্ভাব্য সময়সূচি জানানো হয়েছে। ঘোষণা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে ৭ জানুয়ারি এবং এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হবে ৬ জুন। আগে সময়সূচি জানানো হলে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারবে।

মাধ্যমিক স্তরের ভর্তি পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনছে সরকার। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে লটারিভিত্তিক ভর্তি পদ্ধতি বাতিল করে ক্যাচমেন্ট এরিয়া এবং নামমাত্র পরীক্ষার সমন্বয়ে ভর্তি নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে কেন্দ্রীয়ভাবে কোনো বড় ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। এই পরীক্ষা হবে নামমাত্র। এর জন্য কোচিং সেন্টারে যাওয়ার কোনো প্রশ্ন নেই। সরকার ক্যাচমেন্ট এরিয়া ও সহজ পরীক্ষার সমন্বয়ে শিক্ষার্থীদের ভর্তির আওতায় আনতে চায়।

এই সিদ্ধান্তের পেছনে দুটি উদ্দেশ্য থাকতে পারে। প্রথমত, নিজ এলাকার শিশুকে নিজ এলাকার স্কুলে ভর্তির সুযোগ দেওয়া। দ্বিতীয়ত, লটারির ওপর পুরোপুরি নির্ভর না করে শিক্ষার্থীর মৌলিক প্রস্তুতি যাচাই করা। তবে এই ব্যবস্থায় যেন কোচিং ব্যবসা না বাড়ে, সেটি দেখাও জরুরি। কারণ নামমাত্র পরীক্ষা হলেও অভিভাবকদের মধ্যে প্রতিযোগিতার ভয় তৈরি হতে পারে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষার ফি নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়েও মন্ত্রী অবস্থান পরিষ্কার করেন। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষার ফি নেওয়ার বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিবের একটি বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক ও অবৈতনিক। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষার ফি নেওয়ার কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

এই বক্তব্য অভিভাবকদের জন্য স্বস্তির। কারণ প্রাথমিক স্তরে সামান্য ফিও অনেক দরিদ্র পরিবারের জন্য চাপ তৈরি করতে পারে। শিক্ষা যদি বাধ্যতামূলক ও অবৈতনিক হয়, তাহলে স্কুলে শিশুকে ধরে রাখতে ফি-ভিত্তিক বাধা কম রাখা জরুরি। বিশেষ করে গ্রামীণ দরিদ্র পরিবার, শ্রমজীবী পরিবার এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিশুদের জন্য বিনা খরচে শিক্ষা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট এবং ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’-এর চূড়ান্ত আয়োজন নিয়েও তথ্য দেওয়া হয়। সরকারের লক্ষ্য, শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে আটকে না রেখে খেলাধুলা, বিজ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা এবং উদ্ভাবনী চিন্তায় যুক্ত করা।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন জানান, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে নতুন বিষয় চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। প্রাথমিক স্তরের চতুর্থ শ্রেণিতে ‘স্পোর্টস’ এবং ‘কালচার’ নামে দুটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার কথা ভাবা হচ্ছে। একই সঙ্গে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ বা আনন্দময় শিক্ষা এবং ‘টেকনিক্যাল অ্যান্ড ভোকেশনাল এডুকেশন’ নামে দুটি নতুন বিষয় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীদের শেখার ধরনে পরিবর্তন আসতে পারে। খেলাধুলা ও সংস্কৃতি শিশুর মানসিক বিকাশে বড় ভূমিকা রাখে। আবার কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে দক্ষতা তৈরি করতে পারে। শুধু পরীক্ষার ফল নয়, জীবন দক্ষতা, কাজ শেখা, দলগত আচরণ, সৃজনশীলতা এবং নৈতিকতা গড়াও শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

মাহ্দী আমিন বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থাকে শুধু সনদনির্ভর রাখা যাবে না। নৈতিক মূল্যবোধ, সামাজিকতা, সৃজনশীলতা, ক্রীড়া, সংস্কৃতি এবং কর্মমুখী দক্ষতার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। তার মতে, সরকারের লক্ষ্য এমন শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে সমতা, ন্যায্যতা এবং সুযোগের সমবণ্টন থাকবে। শহর ও গ্রামের শিক্ষার বৈষম্য কমিয়ে প্রতিটি শিশুর জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা হবে।

এদিকে আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য ক্যালকুলেটর ও হাতঘড়ি ব্যবহার নিয়ে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। বোর্ডের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সাধারণ ক্যালকুলেটরের পাশাপাশি নির্ধারিত আটটি মডেলের সায়েন্টিফিক নন-প্রোগ্রামেবল ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে। একই সঙ্গে নন-প্রোগ্রামেবল কাঁটাযুক্ত হাতঘড়ি ব্যবহার করতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা।

নির্ধারিত ক্যালকুলেটর মডেলগুলোর মধ্যে রয়েছে এফএক্স-৮২এমএস, এফএক্স-১০০এমএস, এফএক্স-৫৭০এমএস, এফএক্স-৯৯১এমএস, এফএক্স-৯৯১ইএস, এফএক্স-৯৯১ইএক্স, এফএক্স-৯৯১ইএস প্লাস এবং এফএক্স-৯৯১সিডব্লিউ। তবে প্রোগ্রামেবল ক্যালকুলেটর বা স্মার্ট ঘড়ি ব্যবহার করা যাবে না। এই নির্দেশনা পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত।

সব মিলিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই সংবাদ সম্মেলন নানা কারণে গুরুত্বপূর্ণ। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্তির উদ্যোগ, অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা, ভর্তি পদ্ধতির পরিবর্তন, নতুন বিষয় চালু, প্রাথমিকের ফি না নেওয়ার অবস্থান এবং পরীক্ষার্থীদের ক্যালকুলেটর নির্দেশনা, সব মিলিয়ে শিক্ষা খাতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে।

তবে ঘোষণা আর বাস্তবায়ন এক জিনিস নয়। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা করে এসব সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে হবে। বিশেষ করে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে এগোলে শিক্ষা খাতে আস্থা বাড়বে। আর পরীক্ষা ও ভর্তি ব্যবস্থার পরিবর্তন সফল করতে হলে মাঠ পর্যায়ে প্রস্তুতি, শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং স্পষ্ট নির্দেশনা জরুরি।

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সামনে এখন বড় পরীক্ষা। শুধু নতুন নিয়ম করলেই হবে না। সেই নিয়ম যেন শিক্ষার্থীর জীবন সহজ করে, শিক্ষককে মর্যাদা দেয় এবং অভিভাবকের চাপ কমায়, সেটিই হবে আসল সাফল্য। সরকারের ঘোষণাগুলো তাই আশার কথা বলছে। এখন দরকার ধাপে ধাপে কার্যকর বাস্তবায়ন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত