২৭ আগস্ট বসছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৭২ বার
২৭ আগস্ট বসছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন
প্রকাশ: ১১ আগস্ট  ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।
গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষা, আইন প্রণয়ন এবং রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ নীতি নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়ার জন্য আবারও বসতে চলেছে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের আসন্ন তৃতীয় অধিবেশন আগামী ২৭ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে আহ্বান করা হয়েছে। সাংবিধানিক নিয়মাবলী ও বিধিবিধান কঠোরভাবে অনুসরণ করে দেশের সর্বোচ্চ এই আইনসভার অধিবেশন আহ্বান করা হয়েছে, যা আগামী মাসের শেষ সপ্তাহে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক নতুন গতিশীলতা আনবে বলে আশা করা হচ্ছে। জাতীয় সংসদের অধিবেশনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রস্তুতি, সংসদ সচিবালয়ের প্রশাসনিক তৎপরতা এবং দেশের সাধারণ মানুষের নজর এখন রাজধানী ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় সংসদ ভবনের দিকে নিবদ্ধ রয়েছে। একটি কার্যকর ও প্রাণবন্ত সংসদের মাধ্যমে দেশের জনকল্যাণমূলক নানা আইন পাস হবে এবং জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসবে—এমনটাই প্রত্যাশা করছেন দেশের সচেতন নাগরিক সমাজ।
জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমের কাছে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই অধিবেশন আহ্বানের সুনির্দিষ্ট তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সম্মানিত সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়ার স্বাক্ষরসংবলিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্ধারিত এই তৃতীয় অধিবেশন আগামী ২৭ আগস্ট বুধবার বিকেল ঠিক ৩টায় তেজগাঁও ও শেরেবাংলা নগরস্থ সংসদ ভবনের মূল সংসদ কক্ষে শুরু হবে। দেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের ১ উপচ্ছেদ অনুযায়ী প্রাপ্ত সাংবিধানিক ক্ষমতাবলে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ এই অধিবেশন আহ্বান করেছেন। সংবিধানের এই নির্দেশনার ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সংসদের কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে, যা দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও বেশি শক্তিশালী ও সচল রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। অধিবেশন সফল ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার জন্য সংসদ সচিবালয়ের বিভিন্ন শাখা ইতোমধ্যে তাদের প্রস্তুতিমূলক কাজ জোরদার করেছে।
সংবিধানের সুনির্দিষ্ট বিধান অনুযায়ী সংসদের পরপর দুটি অধিবেশনের মধ্যবর্তী সময় বা বিরতি কোনোক্রমেই ষাট দিনের বেশি হতে পারবে না। এই সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা এবং আইনি ধারাবাহিকতা বজায় রাখার অংশ হিসেবেই চলতি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন সমাপ্ত হওয়ার পর থেকেই পরবর্তী অধিবেশনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল। এর আগে চলতি সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিল পাস ও আলোচনার মধ্য দিয়ে গত ১৫ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই সমাপ্তির পর থেকে সংবিধানের নির্ধারিত ৬০ দিনের সাংবিধানিক সময়সীমা এবং বিধানকে সম্পূর্ণ অক্ষুণ্ণ রেখেই এই তৃতীয় অধিবেশন আহ্বান করা হলো। সংসদীয় গণতন্ত্রের এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকার ফলে রাষ্ট্রের শাসনতান্ত্রিক কাজকর্মে কোনো ধরনের স্থবিরতা তৈরি হয় না এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা জরুরি বিষয় নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে খোলামেলা আলোচনার পথ উন্মুক্ত থাকে।
সংসদের এই নিয়মিত তৃতীয় অধিবেশন আহ্বানের পাশাপাশি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়া নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার উদ্দেশ্যে আগামী আগস্ট মাসেই জাতীয় সংসদের একটি বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। মহামান্য স্পিকারের সঙ্গে বিস্তারিত পরামর্শক্রমে নির্বাচন কমিশন খুব দ্রুতই, অর্থাৎ দু-এক দিনের মধ্যেই এই বিশেষ বৈঠক আহ্বান করবে বলে জানা গেছে। বিশেষ এই সংসদীয় বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা সিইসি স্বয়ং উপস্থিত থেকে নির্বাচন পরিচালনা করবেন, যা রাষ্ট্রপতির মতো একটি সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ পূরণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি ঘটনা। নিয়মিত আইন প্রণয়নমূলক কাজের পাশাপাশি রাষ্ট্রপতির মতো শীর্ষ পদের নির্বাচন প্রক্রিয়া সংক্রান্ত এই বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার সংবাদটি দেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে এক নতুন মাত্রায় উন্নীত করেছে। সব মিলিয়ে ২৭ আগস্ট থেকে শুরু হতে যাওয়া সংসদের এই তৃতীয় অধিবেশন এবং পরবর্তী বিশেষ বৈঠকটি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক ইতিহাসে এক বিশেষ মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন

জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমের কাছে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই অধিবেশন আহ্বানের সুনির্দিষ্ট তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সম্মানিত সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়ার স্বাক্ষরসংবলিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্ধারিত এই তৃতীয় অধিবেশন আগামী ২৭ আগস্ট বুধবার বিকেল ঠিক ৩টায় তেজগাঁও ও শেরেবাংলা নগরস্থ সংসদ ভবনের মূল সংসদ কক্ষে শুরু হবে। দেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের ১ উপচ্ছেদ অনুযায়ী প্রাপ্ত সাংবিধানিক ক্ষমতাবলে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ এই অধিবেশন আহ্বান করেছেন। সংবিধানের এই নির্দেশনার ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সংসদের কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে, যা দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও বেশি শক্তিশালী ও সচল রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। অধিবেশন সফল ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার জন্য সংসদ সচিবালয়ের বিভিন্ন শাখা ইতোমধ্যে তাদের প্রস্তুতিমূলক কাজ জোরদার করেছে।

সংবিধানের সুনির্দিষ্ট বিধান অনুযায়ী সংসদের পরপর দুটি অধিবেশনের মধ্যবর্তী সময় বা বিরতি কোনোক্রমেই ষাট দিনের বেশি হতে পারবে না। এই সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা এবং আইনি ধারাবাহিকতা বজায় রাখার অংশ হিসেবেই চলতি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন সমাপ্ত হওয়ার পর থেকেই পরবর্তী অধিবেশনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল। এর আগে চলতি সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিল পাস ও আলোচনার মধ্য দিয়ে গত ১৫ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই সমাপ্তির পর থেকে সংবিধানের নির্ধারিত ৬০ দিনের সাংবিধানিক সময়সীমা এবং বিধানকে সম্পূর্ণ অক্ষুণ্ণ রেখেই এই তৃতীয় অধিবেশন আহ্বান করা হলো। সংসদীয় গণতন্ত্রের এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকার ফলে রাষ্ট্রের শাসনতান্ত্রিক কাজকর্মে কোনো ধরনের স্থবিরতা তৈরি হয় না এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা জরুরি বিষয় নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে খোলামেলা আলোচনার পথ উন্মুক্ত থাকে।

সংসদের এই নিয়মিত তৃতীয় অধিবেশন আহ্বানের পাশাপাশি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়া নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার উদ্দেশ্যে আগামী আগস্ট মাসেই জাতীয় সংসদের একটি বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। মহামান্য স্পিকারের সঙ্গে বিস্তারিত পরামর্শক্রমে নির্বাচন কমিশন খুব দ্রুতই, অর্থাৎ দু-এক দিনের মধ্যেই এই বিশেষ বৈঠক আহ্বান করবে বলে জানা গেছে। বিশেষ এই সংসদীয় বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা সিইসি স্বয়ং উপস্থিত থেকে নির্বাচন পরিচালনা করবেন, যা রাষ্ট্রপতির মতো একটি সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ পূরণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি ঘটনা। নিয়মিত আইন প্রণয়নমূলক কাজের পাশাপাশি রাষ্ট্রপতির মতো শীর্ষ পদের নির্বাচন প্রক্রিয়া সংক্রান্ত এই বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার সংবাদটি দেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে এক নতুন মাত্রায় উন্নীত করেছে। সব মিলিয়ে ২৭ আগস্ট থেকে শুরু হতে যাওয়া সংসদের এই তৃতীয় অধিবেশন এবং পরবর্তী বিশেষ বৈঠকটি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক ইতিহাসে এক বিশেষ মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com