প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।
জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (জেডআরএফ) ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আগামীকাল রোববার (১৮ অক্টোবর) পালিত হবে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনটির পক্ষ থেকে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে সকালে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারতের আয়োজন করা হয়েছে।
জেডআরএফের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় জিয়া উদ্যানের কবর প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এই কর্মসূচিকে ঘিরে সংগঠনটির নেতাকর্মী ও সদস্যদের মধ্যে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে কর্মসূচিতে অংশ নিতে জেডআরএফের বোর্ড অব ডিরেক্টর, মনিটর, কো-অর্ডিনেটর, আজীবন সদস্য এবং প্রস্তাবিত সদস্যসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
শুক্রবার জেডআরএফের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন কমিটি ২০২৬-এর আহ্বায়ক ড. মোর্শেদ হাসান খান এবং সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কর্মসূচির বিষয়টি জানানো হয়।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মতো সাংগঠনিক আয়োজন সাধারণত একটি সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সাংগঠনিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার সুযোগ তৈরি করে। জেডআরএফের ক্ষেত্রেও এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিতে সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে। ফলে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিন সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিদের একত্রিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
কবর জিয়ারতের কর্মসূচিকে ঘিরে আয়োজকদের পক্ষ থেকে সময় মেনে উপস্থিত থাকার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময় সকাল সাড়ে ৯টায় জিয়া উদ্যানের কবর প্রাঙ্গণে সংশ্লিষ্ট সবাইকে উপস্থিত থাকতে অনুরোধ করা হয়েছে। কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা সেখানে একত্রিত হয়ে শ্রদ্ধা ও দোয়ার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কার্যক্রম শুরু করবেন বলে আয়োজকদের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা বলে আসছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সংগঠনটির জন্য তাই শুধু একটি বার্ষিক আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং সংগঠনের সদস্যদের একত্রিত হওয়া এবং অতীতের কার্যক্রম স্মরণ করার একটি উপলক্ষ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে। এবারের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতেও সেই ধারাবাহিকতার প্রতিফলন ঘটবে বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
রাজনৈতিক অঙ্গনের সঙ্গে জেডআরএফের নাম ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত থাকায় সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যেও আগ্রহ তৈরি করেছে। বিশেষ করে কর্মসূচিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির সদস্য রুহুল কবীর রিজভীর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার বিষয়টি আয়োজনটির রাজনৈতিক গুরুত্বও বাড়িয়েছে। তবে আয়োজকদের ঘোষিত কর্মসূচির মূল কেন্দ্রবিন্দু থাকছে কবর জিয়ারত ও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন।
এবারের আয়োজনের মাধ্যমে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যদের মধ্যে যোগাযোগ আরও সক্রিয় হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। বোর্ড অব ডিরেক্টর থেকে শুরু করে মনিটর, কো-অর্ডিনেটর, আজীবন সদস্য ও প্রস্তাবিত সদস্যদের উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে। এতে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিদের একই কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজকদের পক্ষ থেকে সদস্যদের প্রতি যে আহ্বান জানানো হয়েছে, তাতে কর্মসূচির শৃঙ্খলা ও সময়ানুবর্তিতার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। নির্ধারিত স্থানে নির্দিষ্ট সময়ে উপস্থিত থাকার মাধ্যমে কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করা হয়েছে। একটি বড় সংগঠনের বার্ষিক কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সদস্যদের সমন্বিত অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
জেডআরএফের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত রাখা হয়েছে। এ কারণে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক স্মৃতির বিষয়টিও কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে কবর জিয়ারতের মাধ্যমে তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
রাজনৈতিক সংগঠন ও তাদের সহযোগী বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন বার্ষিক কর্মসূচিতে অতীতের নেতৃত্ব ও সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের স্মরণ করার রীতি রয়েছে। জেডআরএফের এবারের কর্মসূচিতেও সেই ধারার একটি প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। তবে কর্মসূচির বিস্তারিত পরিধি সম্পর্কে বিজ্ঞপ্তিতে কবর জিয়ারতের আয়োজনের কথাই বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
আগামীকাল রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির পাশাপাশি সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যদের উপস্থিত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। ফলে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিন জেডআরএফের সদস্যদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ সেখানে উপস্থিত হবেন বলে আশা করছেন আয়োজকেরা।
একটি সংগঠনের দীর্ঘ পথচলায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী গুরুত্বপূর্ণ একটি সময়। এ ধরনের দিন সংগঠনের অতীত কার্যক্রম পর্যালোচনা, সদস্যদের পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নিয়ে ভাবনার সুযোগ তৈরি করে। ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীও জেডআরএফের জন্য তেমন একটি উপলক্ষ হিসেবে সামনে এসেছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যদের মধ্যে নতুন করে যোগাযোগ ও সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।
আয়োজকদের বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে নির্ধারিত সময় ও স্থানে উপস্থিত থাকার অনুরোধ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে কর্মসূচিটি সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে বোঝা যায়।
আগামীকালকের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এখন সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে প্রস্তুতি চলছে। সকাল সাড়ে ৯টায় জিয়া উদ্যানের কবর প্রাঙ্গণে কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি পালিত হবে। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে রুহুল কবীর রিজভীর উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
২৭ বছর পূর্তির এই আয়োজন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সাংগঠনিক পথচলায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে যুক্ত হচ্ছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিতে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যদের অংশগ্রহণ এবং কবর জিয়ারতের আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি পালনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এখন আয়োজকদের মূল লক্ষ্য নির্ধারিত সময় ও পরিকল্পনা অনুযায়ী কর্মসূচিটি সম্পন্ন করা এবং প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে সুশৃঙ্খলভাবে উদযাপন করা।
স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত