প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।
সৌদি আরবের বিভিন্ন দূরবর্তী অঞ্চল ও শহরের কারাগারে দীর্ঘ দিন ধরে বর্তমানে প্রায় সাড়ে সাত হাজার বাংলাদেশি নাগরিক বিভিন্ন অপরাধ, আইনি জটিলতা ও দণ্ডাদেশ নিয়ে বন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। এই বিপুলসংখ্যক প্রবাসীর তথ্য পর্যালোচনা, আইনি সহায়তা প্রদান এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাঁদের মুক্তি বা দ্রুত দেশে ফেরানোর বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। সম্প্রতি রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত এক বাংলাদেশি প্রবাসী কর্মীর মরদেহ দেশে পৌঁছালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর প্রক্রিয়া শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এসব স্পর্শকাতর বিষয়ে কথা বলেন।
সৌদি আরবের জেদ্দাস্থ কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মর্মান্তিক এক হামলায় প্রাণ হারানো বাংলাদেশি শ্রমিক মো. শাহেদ আহম্মদের নিথর দেহ শুক্রবার সকালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকায় এসে পৌঁছায়। শাহেদ আহম্মদের বাড়ি বগুড়া জেলার শাজাহানপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মাদলা গ্রামে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের একটি বিখ্যাত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অধীনে প্লাম্বার হিসেবে জেদ্দা ও রিয়াদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে কর্মরত ছিলেন। বিমানবন্দরে তাঁর নিথর দেহ গ্রহণ করে শোকার্ত স্বজনদের হাতে তুলে দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিজেই। এই মর্মান্তিক ঘটনার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও সমবেদনা প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, গত ছয় মাসের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক যুদ্ধ ও সংঘাতময় পরিস্থিতিতে প্রাণ হারানো মোট ১১ জন প্রবাসী বাংলাদেশির মরদেহ রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বাকি যাদের মরদেহ এখনো সেখানে আটকে রয়েছে, সেগুলোকেও দ্রুত স্বদেশে ফেরত আনার প্রশাসনিক প্রক্রিয়া পুরোদমে চলছে। নিহতের পরিবারকে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে সরকারি জরুরি আর্থিক অনুদান হস্তান্তরের আশ্বাস দেন তিনি।
এদিকে সম্প্রতি সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নাগরিক নজরুল ইসলাম আবদুল বশির ও সুইটি আক্তারের মৃত্যুদণ্ড অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে কার্যকর করার ঘটনা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার ভয়াবহতা সত্ত্বেও সৌদি কর্তৃপক্ষ রিয়াদ কিংবা জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস বা কনস্যুলেটকে আগে থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বা আনুষ্ঠানিক বার্তা প্রদান করেনি। এমনকি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার পরও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য দূতাবাসকে সরবরাহ করা হয়নি। গত ১৮ অক্টোবর জেদ্দায় নিযুক্ত বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের শ্রম কল্যাণ উইং থেকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক গোপনীয় ও স্পর্শকাতর চিঠিতে এই মর্মান্তিক পুরো ঘটনাটির বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।
দূতাবাসের দাপ্তরিক চিঠির বিস্তারিত তথ্যানুযায়ী, গত ১৪ অক্টোবর সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিশেষ বিবৃতির বরাতে দেশটির স্থানীয় শীর্ষ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ থেকে প্রথম দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবরটি জানতে পারে কনস্যুলেট। ওই বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয় যে, পবিত্র মক্কা নগরীর একটি স্থানীয় মসজিদের ভেতরে অনৈতিক ও বেআইনি কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়ে পবিত্রতা লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগে মক্কা অঞ্চলেই তাঁদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। তবে কোন দণ্ডবিধির আওতায় কিংবা কী প্রক্রিয়ায় এই সর্বোচ্চ বিচারিক দণ্ড দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রকাশ করেনি। জানা গেছে, নজরুল ও সুইটি সৌদি আরবের ‘আল মাজাল’ নামের একটি স্থানীয় পরিচ্ছন্নতা সংস্থায় কাজ করতেন। গত ৩০ সেপ্টেম্বর প্রাপ্ত বন্দীদের তালিকা অনুযায়ী নজরুল ২০২৩ সালের আগস্টে তথ্যপ্রযুক্তিসংক্রান্ত অপরাধে এবং সুইটি ব্যভিচারের অভিযোগে জেদ্দার পৃথক দুটি সংশোধনাগারে আটক ছিলেন। সৌদি আরবের বিচার ব্যবস্থার ইতিহাসে তথ্যপ্রযুক্তি বা ব্যভিচারের অভিযোগে কোনো বাংলাদেশিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার নজির এবারই প্রথম, যা কনস্যুলেটের চিঠিতে গুরুত্বের সাথে উঠে এসেছে।
ঘটনার বিশদ বিবরণী সূত্রে জানা যায়, সৌদি আরবের জেদ্দাস্থ কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংঘটিত এক আকস্মিক ও বর্বরোচিত সামরিক হামলায় প্রাণ হারান বাংলাদেশি চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক মো. শাহেদ আহম্মদ। শুক্রবার সকাল আনুমানিক ৮টা ১২ মিনিটের দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ নিয়মিত ফ্লাইটে প্রয়াত শাহেদ আহম্মদের নিথর দেহ রাজধানী ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। বিমানবন্দরের ৮ নম্বর কার্গো গেটে পরম শ্রদ্ধা ও বেদনাসিক্ত পরিবেশে মরদেহটি আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম নিজে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাগজপত্র সম্পন্ন করার পর নিহতের শোকার্ত স্বজনদের হাতে মরদেহটি আনুষ্ঠানিকভাবে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। নিহত শাহেদ আহম্মদের বাড়ি বগুড়া জেলার শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামে। তিনি দীর্ঘ দিন ধরে সৌদি আরবের একটি বিখ্যাত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অধীনে প্লাম্বার হিসেবে জেদ্দা ও রিয়াদের বিভিন্ন জটিল অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে কর্মরত ছিলেন। বিমানবন্দরে উপস্থিত হয়ে শোকার্ত পরিবারকে সান্ত্বনা দেওয়ার সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অত্যন্ত আক্ষেপের সঙ্গে জানান যে, গত ছয় মাসের ব্যবধানে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে সংঘটিত রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ ও আঞ্চলিক সামরিক সংঘাতের কবলে পড়ে এ পর্যন্ত অন্তত ১১ জন নিবেদিতপ্রাণ প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিকের নিথর দেহ রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। সংঘাতের কারণে সেখানে আটকে পড়া বা নিখোঁজ থাকা অন্য প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও নিহতের মরদেহ ফেরানোর আইনি প্রক্রিয়া পুরোদমে চালু রয়েছে। একই সাথে নিহত শাহেদ আহম্মদের অসহায় পরিবারকে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে তাৎক্ষণিক অনুদান এবং পরবর্তী জীবনধারণের যাবতীয় সাহায্য দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
এদিকে সম্প্রতি সৌদি আরবের মক্কা অঞ্চলে দুই বাংলাদেশি নাগরিক—নজরুল ইসলাম আবদুল বশির ও সুইটি আক্তারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার স্পর্শকাতর ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঢাকা ও রিয়াদের কূটনৈতিক অঙ্গনে চরম উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। দুঃখজনক ও বিস্ময়কর বিষয়টি হলো, ওই দুই নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড প্রদানের পুরো বিচারিক প্রক্রিয়া এবং দণ্ড কার্যকরের চূড়ান্ত দিনক্ষণ সম্পর্কিত কোনো তথ্যই রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাস বা জেদ্দাস্থ কনস্যুলেট জেনারেলকে জানায়নি সৌদি কর্তৃপক্ষ। এমনকি সর্বোচ্চ সাজা কার্যকর করার পরেও আন্তর্জাতিক প্রটোকল বজায় রেখে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য দূতাবাসকে হস্তান্তর করা হয়নি। পরে জেদ্দায় অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের শ্রম কল্যাণ উইং থেকে গত ১৮ অক্টোবর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক অত্যন্ত গোপনীয় ও সংবেদনশীল দাপ্তরিক চিঠিতে ঘটনার করুণ ও অজানা দিকগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরা হয়।
কনস্যুলেটের প্রেরিত গোপনীয় চিঠির তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গত ১৪ অক্টোবর সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দাপ্তরিক বিবৃতির আলোকেই দেশটির শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি প্রভাবশালী জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সেই সংবাদগুলোর মাধ্যমে বাংলাদেশ কনস্যুলেট প্রথম জানতে পারে যে দুই বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যুদণ্ড চূড়ান্তভাবে কার্যকর করা হয়েছে। সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, পবিত্র মক্কা নগরীর একটি স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী মসজিদের ভেতরে অনৈতিক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়ে মসজিদের ধর্মীয় পবিত্রতা ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার গুরুতর অভিযোগে তাঁদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তবে অভিযুক্ত দুই প্রবাসীকে আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ দেওয়া হয়েছিল কি না অথবা কী দণ্ডবিধির অধীনে এত দ্রুত এই সর্বোচ্চ সাজা কার্যকর করা হলো, তার কোনো সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা সরবরাহ করা হয়নি। তথ্য অনুযায়ী, নজরুল ও সুইটি সৌদি আরবের ‘আল মাজাল’ নামের একটি বিশিষ্ট সেবা সংস্থায় পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। কনস্যুলেটের সংগৃহীত তালিকার নথিপত্রে জানা যায়, নজরুলকে ২০২৩ সালের ১ আগস্ট তথ্যপ্রযুক্তিসংক্রান্ত অপরাধের অভিযোগে পুলিশ গ্রেফতার করে জেদ্দা সংশোধনাগারে পাঠায় এবং তার পরের দিন ২ আগস্ট সুইটিকে ব্যভিচারের অভিযোগে জেদ্দার নারী কারাগারে আটক করা হয়। তবে সৌদি আরবের কঠোর বিচারিক নজির ও ইতিহাসের পাতা পর্যালোচনা করে জেদ্দা কনস্যুলেট জোর দিয়ে জানিয়েছে, সাইবার বা ব্যভিচারের মতো অভিযোগে ইতিপূর্বে কোনো বাংলাদেশি প্রবাসীকে মৃত্যুদণ্ড প্রদানের কোনো পূর্বনজির নেই, যা ঘটনাটির নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।
দূতাবাসের পাঠানো বিশদ নথিতে আরও একটি চাঞ্চল্যকর ও গভীর উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে, যেখানে স্পষ্ট দেখা যায় কেবল সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চলীয় এলাকার বিভিন্ন ছোট-বড় কারাগারে বিভিন্ন ধরনের নৈতিকতাবিরোধী, অনৈতিক ও দেওয়ানি মামলায় অন্তত ৩০৬ জন বাংলাদেশি নাগরিক বর্তমানে সাজা খাটছেন। এদের মধ্যে ইতিমধ্যে অন্তত ১৪৭ জন প্রবাসীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন মেয়াদের চূড়ান্ত কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করেছে দেশটির স্থানীয় বিচার বিভাগ। এই সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ কারাদণ্ড এক মাসের হলেও সর্বোচ্চ সাজা দেওয়া হয়েছে দীর্ঘ ১৫ বছরের কঠিন কারাদণ্ড। ভৌগোলিকভাবে বিশাল এই মরুভূমির দেশে বর্তমানে সব মিলিয়ে প্রায় সাড়ে সাত হাজার বাংলাদেশি প্রবাসীর চরম বন্দিদশা ও আইনি জটিলতা নিরসনে একটি সুনির্দিষ্ট রূপরেখা নিয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সার্বক্ষণিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জোর দাবি করেছেন সরকারের নীতি নির্ধারণী মহল।
জেদ্দা কনস্যুলেটের পাঠানো গোপনীয় নথিতে আরও একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে, যেখানে দেখা যায় সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন কারাগারে কেবল নৈতিকতাসংক্রান্ত ও অপরাধমূলক জটিল মামলায় ৩০৬ জন বাংলাদেশি নাগরিক বর্তমানে আটক রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে অন্তত ১৪৭ জন প্রবাসীর বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে বিভিন্ন মেয়াদের কঠোর কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা করেছে দেশটির আদালত, যার মধ্যে সর্বনিম্ন এক মাসের কারাদণ্ড থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড রয়েছে। তবে পুরো সৌদি ভূখণ্ডে সার্বিকভাবে প্রায় সাড়ে সাত হাজার বাংলাদেশি কারাবন্দী থাকায় তাঁদের সুরক্ষায় উচ্চপর্যায়ের নতুন কৌশল ও নিবিড় কূটনৈতিক আলোচনা চালানোর জোর আশ্বাস দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত