অ্যাশেজ নিশ্চিত করলো অস্ট্রেলিয়া

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৬০ বার

অ্যাডিলেড টেস্টে ইংল্যান্ডকে ৮২ রানে হারিয়ে দুই ম্যাচ হাতে রেখেই অ্যাশেজ সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। মিচেল স্টার্কের বিধ্বংসী বোলিং আর মার্নাস লাবুশেনের দুর্দান্ত ক্যাচে শেষ পর্যন্ত অধরাই রয়ে গেল ইংলিশদের ‘বাজবল’ স্বপ্ন। ২০১৫ সালের পর থেকে অ্যাশেজ পুনরুদ্ধারের যে মিশন নিয়ে বেন স্টোকসরা অস্ট্রেলিয়ায় পা রেখেছিলেন, অ্যাডিলেড হারের মাধ্যমে তা আরও দীর্ঘায়িত হলো।

অ্যাডিলেড টেস্টের সংক্ষিপ্ত স্কোর:

  • অস্ট্রেলিয়া: ৩৭১ ও ৩৪৯

  • ইংল্যান্ড: ২৮৬ ও ৩৫২ (লক্ষ্য ৪৩৫)

  • ফল: অস্ট্রেলিয়া ৮২ রানে জয়ী।

৪৩৫ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়ায় ইংল্যান্ডের হয়ে লড়াইটা চালিয়ে যাচ্ছিলেন জেমি স্মিথ ও উইল জ্যাকস। চতুর্থ দিন শেষে তাদের হাতে ছিল ৪ উইকেট এবং জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২২৮ রান। দিনের শুরুতে নাথান লায়ন ইনজুরিতে পড়ে মাঠ ছাড়লে কিছুটা আশার আলো দেখেছিল সফরকারীরা। কিন্তু মিচেল স্টার্ক ও স্কট বোল্যান্ডের তোপে সেই আশা দ্রুতই ফিকে হয়ে যায়। দলীয় ৩০৮ রানে ব্যক্তিগত ৬০ রান করা স্মিথকে সাজঘরে ফেরান স্টার্ক।

স্মিথ বিদায় নিলেও ব্রাইডান কার্সকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন উইল জ্যাকস। এক সময় ইংল্যান্ডের জয়ের লক্ষ্য ১০০ রানের নিচে নেমে আসলে ম্যাচটি জমে ওঠার ইঙ্গিত দিচ্ছিল। কিন্তু ৪৭ রানে থাকা জ্যাকস যখন স্টার্কের বলে খোঁচা মারতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন, তখন এক হাতে অবিশ্বাস্য এক ক্যাচ তালুবন্দি করেন মার্নাস লাবুশেন। আর সেখানেই মূলত ইংল্যান্ডের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। এরপর জফরা আর্চার ও টাং দ্রুত বিদায় নিলে ৩৫২ রানে অলআউট হয় ইংল্যান্ড। ব্রাইডান কার্স ৩৯ রানে অপরাজিত থাকলেও দলের হার এড়াতে পারেননি।

অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে বল হাতে অধিনায়ক প্যাট কামিন্স ও মিচেল স্টার্ক ৩টি করে উইকেট শিকার করেন। এর আগে প্রথম ইনিংসে অ্যালেক্স ক্যারের অনবদ্য সেঞ্চুরি এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ট্রাভিস হেডের বিধ্বংসী শতক অস্ট্রেলিয়াকে বড় সংগ্রহের ভিত্তি গড়ে দিয়েছিল। পার্থে ২ দিনে এবং ব্রিসবেনে ৪ দিনে হারের পর অ্যাডিলেডেও ব্যর্থতার বৃত্ত থেকে বের হতে পারল না ইংল্যান্ড। ২০১১ সালের পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সিরিজ জয়ের যে লক্ষ্য নিয়ে ম্যাককালামের শিষ্যরা এসেছিল, তা এখন কেবলই সান্ত্বনার লড়াইয়ে পরিণত হলো।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত