সিলেটে নাগরিক পার্টির সমাবেশ: জনমনে প্রশ্ন আইনশৃঙ্খলা প্রস্তুতি নিয়ে

একটি বাংলাদেশ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৮ জুলাই, ২০২৫
  • ৩৯ বার

 

প্রকাশ: ১৮ জুলাই । নিজস্ব সংবাদদাতা । একটি বাংলাদেশ অনলাইন

আগামী ২৫ জুলাই সিলেটে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক বিশাল জনসভা। পার্টির কেন্দ্রীয় নেতারা জানিয়েছেন, এই সমাবেশে অংশগ্রহণের জন্য সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা জড়ো হবেন এবং এটি হবে ‘জনসমর্থনের একটি বড় পরীক্ষা’। তবে রাজনৈতিক এই কর্মসূচিকে ঘিরে শহরের সাধারণ মানুষ এবং ব্যবসায়ী মহলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

সমাবেশের স্থান ও সময় এখনো প্রশাসনিকভাবে চূড়ান্ত না হলেও, সিলেট মহানগরের বিভিন্ন স্থানে পোস্টার, ফেস্টুন এবং মশাল মিছি ল মাধ্যমে সমাবেশ প্রচারণা শুরু হয়ে গেছে। এনসিপির স্থানীয় নেতারা জানাচ্ছেন, ‘এই কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা আমাদের দলীয় অবস্থান ও জনপ্রিয়তা দেখাতে চাই। এটি হবে শান্তিপূর্ণ এবং শৃঙ্খলাপূর্ণ।’

কিন্তু সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে ব্যবসায়ী ও গণপরিবহন চালকরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁদের প্রশ্ন, যে শহরে ইতোমধ্যে যানজট, পার্কিং সংকট ও ট্রাফিক বিশৃঙ্খলা নিত্যদিনের সমস্যা, সেখানে বড় ধরনের রাজনৈতিক সমাবেশের জন্য পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা প্রস্তুতি আছে কি না?

সিলেট নগরীর এক বাসিন্দা বলেন, “প্রতিবারই রাজনৈতিক সমাবেশ হলে শহরে চলাচল অস্বাভাবিক হয়ে পড়ে। নিরাপত্তার চেয়ে বড় চিন্তা হচ্ছে যাতায়াতের ভোগান্তি। অনেক সময় স্কুল-কলেজ বন্ধ করে দিতে হয়।”

এমন পরিস্থিতিতে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি, তবে একটি সূত্র বলছে—আসন্ন সমাবেশকে কেন্দ্র করে পুলিশ গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্পেশাল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এদিকে স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান সময়ে যেহেতু রাজনৈতিক উত্তাপ কিছুটা কম সিলেটে, তাই এই ধরনের সমাবেশগুলোতে অপ্রত্যাশিত বিশৃঙ্খলার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম থাকলেও, আগাম প্রস্তুতি না থাকলে ছোট সংঘর্ষ বড় আকার নিতে পারে।

সিলেট সিটি করপোরেশনের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “জনসমাগম হলে নোংরা হয় শহর, হকার বেড়ে যায়, বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবস্থাপনাতেও চাপ পড়ে। এ ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচির আগে প্রশাসন, পুলিশ ও সিটি করপোরেশনের মধ্যে সমন্বয় থাকা জরুরি।”

জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা অবশ্য আশ্বস্ত করেছেন যে, তারা আইন মেনে সব আয়োজন করছেন এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই তারা মাঠে নামবেন। পার্টির মহাসচিব বলেন, “আমাদের সমাবেশ শান্তিপূর্ণ হবে। কোনো বিশৃঙ্খলার সুযোগ আমরা দেব না।”

একইসঙ্গে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সিলেটের স্থানীয় প্রশাসনের কাছে জনসাধারণের প্রত্যাশা, তারা যেন সময়মতো ব্যবস্থা গ্রহণ করে শহরবাসীর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিঘ্নিত না হতে দেয় এবং নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করে।
শাহজালাল রহমতুল্লাহ ৩৬০ আউলিয়া মাজার শান্তিপূর্ণ এ শহরের মানুষ স্বভাবতই অতিথি পরায়ণ , রাজনীতির পেক্ষাপট যাই হউক না কেন অতিথি কে তাদের শহরে আসলে সম্মানিত করা হয়ে থাকে সাধারণ জনগণের উক্তি ,উল্লেখ্য গোপালগঞ্জের নেয়ায় কোনো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মানুষ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করনেই তাগিদ অনুভব করে।
একটি বাংলাদেশ অনলাইন বিষয়টির ওপর নিয়মিত পর্যবেক্ষণ রাখবে এবং নতুন কোনো তথ্য থাকলে তা পাঠকদের সামনে তুলে ধরবে।

একটি বাংলাদেশ অনলাইন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত