সর্বশেষ :

বার্সেলোনার প্রতি গভীর ভালোবাসার কথা জানালেন মেসি

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৪ বার
বার্সেলোনার প্রতি গভীর ভালোবাসার কথা জানালেন মেসি

প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনার নীল-লাল জার্সিতে অর্জনের শেষ ছিল না ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসির। জাভি হের্নান্দেস, আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা এবং কার্লেস পুয়োলদের মতো কিংবদন্তি ফুটবলারদের পাশে নিয়ে কাতালান এই ক্লাবটির হয়ে একের পর এক ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক শিরোপা জিতে সাফল্যের নতুন রূপকথা লিখেছিলেন তিনি। তবে শতাব্দীর অন্যতম সেরা এই মহাতারকার মতে, ন্যু ক্যাম্পে কাটানো সেই রূপালী সোনালি দিনগুলো কেবল শিরোপা জয়ের হিসাব-নিকাশ কিংবা ট্রফি ক্যাবিনেটে ট্রফি জমানোর আনন্দে সীমাবদ্ধ ছিল না। মাঠ ও মাঠের বাইরে সতীর্থ ও সুহৃদদের সঙ্গে কাটানো প্রতিদিনের সাধারণ ও নির্ভেজাল মুহূর্তগুলোকেও ট্রফি জয়ের সমপরিমাণ মহামূল্যবান বলে মনে করেন আটবারের ব্যালন ডি’অর বিজয়ী এই আর্জেন্টাইন জাদুকর।

সম্প্রতি স্প্যানিশ বার্তা সংস্থা এফেকে দেওয়া এক বিশেষ ও আবেগঘন সাক্ষাৎকারে নিজের দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য পেশাদার ফুটবল ক্যারিয়ারের নানা অজানা ও মানবিক অধ্যায় নিয়ে অত্যন্ত খোলামেলা কথা বলেছেন লিওনেল মেসি। বার্সেলোনার হয়ে পেশাদার ফুটবলের সম্ভাব্য সব বড় বড় ট্রফি ও সম্মাননা জয় করলেও, কেবল ট্রফির অর্জনের চেয়ে সতীর্থদের সঙ্গে ফুটবলকে প্রতিটি ক্ষণে উপভোগ করার মধুর স্মৃতিগুলোই তাঁর মনের ক্যানভাসে আজও সবচেয়ে বেশি স্পষ্ট ও উজ্জ্বল হয়ে আছে।

নিজের পুরোনো স্মৃতি ও ন্যু ক্যাম্পের ড্রেসিংরুম ভাগাভাগি করার সেই অভূতপূর্ব অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে আবেগাপ্লুত কণ্ঠে মেসি বলেন, ফুটবল ঈশ্বর তাঁদের অনেক দিয়েছেন এবং ক্লাবের হয়ে সম্ভাব্য সবকিছু জেতার এক বিরল সৌভাগ্য তাঁদের হয়েছিল। যেভাবে তাঁরা একের পর এক শিরোপাগুলো নিজেদের ঝুলিতে পুরেছিলেন, সেই দলগত যাত্রার ধরনটাও ছিল অত্যন্ত বিশেষ। মাঠে নেমে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা, ম্যাচ জেতা এবং বড় বড় সাফল্য পাওয়া সবসময়ই আনন্দের ছিল। কিন্তু সবকিছুর ঊর্ধ্বে প্রতিদিনের দলগত অনুশীলন এবং অনুশীলনের ফাঁকে সতীর্থদের সঙ্গে গল্প-গুজব ও আড্ডায় কাটানো মুহূর্তগুলো তাঁরা সবচেয়ে বেশি উপভোগ করতেন। ড্রেসিংরুমে সতীর্থদের সঙ্গে সময়টা তাঁদের সতinside চমৎকার ও আনন্দময় কাটত।

ক্যারিয়ারের বাঁকবদলে ফরাসি পরাশক্তি পিএসজিতে দুই মৌসুম কাটানোর পর বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের দল ইন্টার মায়ামিতে খেলছেন বিশ্ব ফুটবলের এই মহাতারকা। ঠিকানা পরিবর্তন কিংবা ভৌগোলিক দূরত্ব বাড়লেও বার্সেলোনা শহরের সঙ্গে তাঁর মনস্তাত্ত্বিক আত্মিক টান যে বিন্দুমাত্র কমেনি, তা স্পষ্ট উঠে এসেছে মেসির কথায়। বার্সেলোনাকে আজও নিজের ‘প্রাণের ক্লাব’ এবং ভালোবাসার ঘর মনে করে তিনি জানান, তাঁর তিন সন্তান থিয়াগো, মেতেও ও চিরোর জন্ম হয়েছে এই ঐতিহাসিক শহরেই। ফলে বার্সেলোনার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক স্রেফ ফুটবল খেলার বা চুক্তিপত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। স্পেনের এই শহর এবং ক্লাবটির প্রতি তাঁর হৃদয়ের গভীরতম কোণে এক চিরন্তন ভালোবাসা ও পরম টান রয়েছে।

ফুটবলের ক্লাব ক্যারিয়ারে সাফল্যের চূড়া স্পর্শ করলেও জাতীয় দল আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপ জয়ের সেই বহুল কাঙ্ক্ষিত ও অধরা ট্রফিটির জন্য লিওনেল মেসিকে দীর্ঘ ও কঠিন এক অপেক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল। অবশেষে ২০২২ সালের কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামে বিশ্বজয়ের সেই অধরা ট্রফি উঁচিয়ে ধরার ঐতিহাসিক মুহূর্তটিকে ‘স্বপ্নের চেয়েও সুন্দর ও পরম পাওয়া’ হিসেবে বর্ণনা করেন তিনি। ফ্রান্সের বিরুদ্ধে ফাইনালের সেই মহাকাব্যিক সমীকরণে নিজের করা অসাধারণ গোলগুলোকে ফুটবল ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা ও গুরুত্বপূর্ণ গোল হিসেবে তালিকাভুক্ত করেন মেসি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, চ্যাম্পিয়ন্স লিগের রোমাঞ্চকর ফাইনালে কিংবা চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের বিরুদ্ধে এল ক্লাসিকোতে করা সেরা গোলগুলোর ঠিক পাশেই চিরস্থায়ী জায়গা পাবে বিশ্বকাপের ফাইনালের গোলগুলো।

আবেগময় এই সাক্ষাৎকারে গত আগস্ট মাসে প্রয়াত হওয়া পরম শ্রদ্ধীয় বাবা হোর্হে মেসির স্মৃতির কথাও গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সঙ্গে স্মরণ করেন এই ফুটবল মহাতারকা। স্পেনের অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা ‘প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস’ পুরস্কার পাওয়ার শুভ খবরের কথা উল্লেখ করে মেসি জানান, এই বিশেষ জাতীয় সম্মাননার বিষয়টি জানতে পেরে তাঁর বাবা অত্যন্ত রোমাঞ্চকর ও আনন্দিত হয়েছিলেন। নিজের আন্তর্জাতিক ব্যস্ত সূচির মধ্যেও ছেলেকে ওবিয়েদো শহরে ব্যক্তিগতভাবে গিয়ে সরাসরি এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার গ্রহণের জন্য ক্রমাগত উৎসাহ ও প্রেরণা যুগিয়েছিলেন তাঁর বাবা। বাবার অকালপ্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করে মেসি বলেন, মাঠের ফুটবল অর্জনের বাইরে গিয়ে জীবনের অন্যতম বড় এই জাতীয় সম্মাননা লাভের দৃশ্যটি যদি তাঁর বাবা নিজ চোখে দেখে যেতে পারতেন, তবে তিনি সবচেয়ে বেশি আনন্দিত ও গর্বিত হতেন।

সম্প্রতি স্প্যানিশ বার্তা সংস্থা এফেকে দেওয়া এক অত্যন্ত আবেগঘন ও বিশদ সাক্ষাৎকারে নিজের দীর্ঘ, বর্ণাঢ্য ও সাফল্যমণ্ডিত ক্যারিয়ারের নানা অজানা ও মানবিক অধ্যায় নিয়ে অত্যন্ত খোলামেলা আলোচনা করেছেন আটবারের ব্যালন ডি’অর বিজয়ী এই বিশ্বসেরা ফুটবলার। বার্সেলোনার হয়ে পেশাদার ফুটবলের সম্ভাব্য সব বড় বড় সাফল্য ও মর্যাদাপূর্ণ স্মারক জয় করলেও, কেবল ট্রফির অর্জনের চেয়ে সতীর্থদের সঙ্গে ফুটবলকে প্রতিটি ক্ষণে পরম আনন্দে উপভোগ করার বৈচিত্র্যময় স্মৃতিগুলোই তাঁর মনের ক্যানভাসে আজও সবচেয়ে বেশি স্পন্দন তৈরি করে।

নিজের স্মৃতিমন্থন করতে গিয়ে এবং ন্যু ক্যাম্পের ঐতিহাসিক ড্রেসিংরুম ভাগাভাগি করার সেই অভূতপূর্ব দিনগুলোর কথা স্মরণ করে আবেগাপ্লুত কণ্ঠে মেসি বলেন, ফুটবল ঈশ্বর তাঁদের অনন্য সৌভাগ্য দান করেছিলেন এবং একটি ক্লাব হিসেবে যা কিছু জেতা সম্ভব, তার সবকিছুই জেতার সুযোগ তাঁদের হয়েছিল। যেভাবে পুরো দল এক হয়ে সেই সাফল্যগুলো অর্জন করেছিল, সেই পথচলাটাও ছিল অত্যন্ত বিশেষ ও অনুকরণীয়। মাঠে নেমে নিজেদের উজাড় করে ফুটবল খেলা, প্রতিপক্ষকে হারিয়ে শিরোপা জেতা এবং ক্লাবের জন্য ঐতিহাসিক মুহূর্ত তৈরি করা সবসময়ই আনন্দের ছিল। তবে সবকিছুর ঊর্ধ্বে প্রতিদিনের দলগত অনুশীলন এবং অনুশীলনের ফাঁকে সহযোদ্ধা সতীর্থদের সঙ্গে নিঃভেজাল গল্প-গুজবে কাটানো মুহূর্তগুলো তাঁরা সবচেয়ে বেশি উপভোগ করতেন। ড্রেসিংরুমের সেই আত্মিক পরিবেশ ও সতীর্থদের আন্তরিক সান্নিধ্য তাঁদের প্রতিদিনের কাজকে অনেক বেশি প্রাঞ্জল ও স্মরণীয় করে তুলেছিল।

পেশাদার ফুটবলের চিরন্তন নিয়ম ও ক্যারিয়ারের অনিবার্য বাঁকবদলে ফরাসি ক্লাব প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ে (পিএসজি) দুটি বছর কাটানোর পর বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবল দল ইন্টার মায়ামিতে নিজের দক্ষতা দেখাচ্ছেন এই আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। ভৌগোলিক দূরত্ব শত সহস্র মাইল বেড়ে গেলেও কিংবা সময় বদলে গেলেও বার্সেলোনা শহরের সঙ্গে তাঁর মনস্তাত্ত্বিক ও আত্মিক নাড়ির টান যে বিন্দুমাত্র কমেনি, তা মেসির আবেগঘন বক্তব্যেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বার্সেলোনাকে আজও নিজের ‘প্রাণের ক্লাব’ এবং ভালোবাসার নিরাপদ আশ্রয় মনে করেন তিনি। বার্সেলোনা শহরের প্রতি গভীর ভালোবাসার কারণ ব্যক্ত করতে গিয়ে অত্যন্ত স্পর্শকাতরভাবে মেসি জানান, তাঁর তিন সন্তান থিয়াগো, মেতেও ও চিরোর জন্ম হয়েছে এই ঐতিহাসিক শহরেই। ফলে কাতালুনিয়ার এই প্রাচীন শহরের সঙ্গে তাঁর গভীর আবেগ জড়িয়ে রয়েছে, যা স্রেফ ফুটবল খেলা বা পেশাদার চুক্তির গণ্ডিতে কখনোই সীমাবদ্ধ ছিল না।

ফুটবলের ক্লাব ক্যারিয়ারে সাফল্যের সর্বোচ্চ চূড়া বহু আগেই স্পর্শ করলেও, নিজের জন্মভূমি আর্জেন্টিনার আকাশী-সাদা জার্সিতে বিশ্বকাপ জয়ের সেই পরম কাঙ্ক্ষিত সোনার ট্রফিটির জন্য লিওনেল মেসিকে দীর্ঘ ও কঠিন এক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল। অনেক পরাজয়, কষ্ট ও সমালোচনার মেঘ পেরিয়ে অবশেষে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে কাতারের লুসাইল আইকনিক স্টেডিয়ামে বিশ্বজয়ের সেই অধরা ট্রফি উঁচিয়ে ধরার ঐতিহাসিক মুহূর্তটিকে ‘স্বপ্নের চেয়েও সুন্দর ও পরম পাওয়া’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেন তিনি। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ফ্রান্সের বিরুদ্ধে ফাইনালের সেই মহাকাব্যিক স্নায়ুচাপের ম্যাচে নিজের করা অবিস্মরণীয় গোলগুলোকে সমগ্র ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও আবেগপূর্ণ গোল হিসেবে চিহ্নিত করেন মেসি। তিনি জানান, ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স লিগের রোমাঞ্চকর ফাইনালে কিংবা চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের বিরুদ্ধে এল ক্লাসিকোর কঠিন মঞ্চে করা অবিস্মরণীয় গোলগুলোর পাশাপাশি বিশ্বকাপের ফাইনালের এই গোলগুলোও তাঁর হৃদয়ের সবচেয়ে বিশেষ স্থানে চিরস্থায়ী হয়ে থাকবে।

বিশেষ এই সাক্ষাৎকারে গত আগস্ট মাসে প্রয়াত হওয়া তাঁর পরম শ্রদ্ধেয় পিতা ও ক্যারিয়ারের প্রধান দিশারী হোর্হে মেসির স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা নিবেদন করেন ফুটবল জাদুকর। স্পেনের মর্যাদাপূর্ণ জাতীয় সম্মাননা ‘প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস’ পুরস্কার অর্জনের খবরটি স্মরণ করে মেসি জানান, এই বিশেষ সম্মানের সংবাদটি জানতে পেরে তাঁর বাবা অত্যন্ত আবেগাপ্লুত ও রোমাঞ্চকর হয়েছিলেন। জাতীয় দল ও ক্লাবের ব্যস্ততম সময়সূচির মধ্যেও ছেলেকে স্পেনের ওবিয়েদো শহরে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত থেকে পরম মর্যাদার এই পুরস্কার গ্রহণের জন্য অনবরত উৎসাহ জুগিয়েছিলেন তাঁর বাবা। বাবার এই আকস্মিক ও অকালপ্রয়াণে গভীর শোক ও শূন্যতা প্রকাশ করে মেসি বলেন, মাঠের ফুটবলীয় অর্জনের গণ্ডি পেরিয়ে জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই সামাজিক সম্মাননা গ্রহণের দৃশ্যটি যদি তাঁর পিতা নিজ চোখে দেখে যেতে পারতেন, তবে তিনি পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী ও গর্বিত বাবা হতেন।

পেশাদার ফুটবলের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পা রাখার বহু আগে থেকেই বাবা হোর্হে মেসির কাছ থেকে পাওয়া একটি বিশেষ উপদেশ আজও প্রতিদিনের জীবনে স্মরণ করেন বিশ্বসেরা এই খেলোয়াড়। ম্যাচের ফলাফল কিংবা জীবনের পরিণতি যাই হোক না কেন, কখনো চেষ্টা থামানো যাবে না—বাবার রেখে যাওয়া সেই কালজয়ী জীবনদর্শনই মূলত মেসির অবিচল পথচলা ও অদম্য মানসিকতার মূল ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিল। বাবার সেই অমূল্য শিক্ষাকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে আবেগভরা কণ্ঠে মেসি বলেন, বাবা সবসময় বলতেন—কখনো চেষ্টা করা বন্ধ করবে না। বল পায়ে তুলে নাও এবং আবার চেষ্টা করো। তুমি সফল হও কিংবা ব্যর্থ, সেই বিশেষ সাফল্য বা ব্যর্থতার মুহূর্তে আটকে থেকো না। কারণ জীবন ও ফুটবল খেলার সবচেয়ে সুন্দর দিকটি হলো—এখানে নতুন করে আবার চেষ্টা করার সুযোগ সবসময় উন্মুক্ত থাকে।

খেলার মাঠে পেশাদার ক্যারিয়ারের একদম সূচনালগ্ন থেকেই বাবা হোর্হে মেসির দেওয়া একটি বিশেষ ও কালজয়ী মূলমন্ত্র বা উপদেশ আজও হৃদয়ে লালন করেন বিশ্বসেরা এই ফুটবলার। জীবনের যেকোনো পরিস্থিতিতে ফল বা ফলাফল যাই আসুক না কেন, পথচলা ও থামাই আসল কথা— বাবার দেওয়া সেই চিরন্তন জীবনদর্শনই মূলত তাঁর পুরো ফুটবল ক্যারিয়ারের দৃঢ় ভিত্তি গড়ে দিয়েছিল। বাবার অমূল্য শিক্ষাকে পরম শ্রদ্ধায় স্মরণ করে আবেগঘন কণ্ঠে লিওনেল মেসি বলেন, বাবা সবসময় একটি কথাই বলতেন— জীবনে কখনো চেষ্টা করা বন্ধ করবে না। যখনই সুযোগ আসবে বল পায়ে তুলে নাও এবং পুনরায় চেষ্টা করো। সাফল্য আসুক কিংবা ব্যর্থতা, সেই বিশেষ মুহূর্তটির মাঝে থমকে বা আটকে থেকো না। কারণ জীবন ও ফুটবলে পুনরায় ফিরে আসার এবং চেষ্টা করার সুযোগ সবসময়ই উন্মুক্ত থাকে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com