সর্বশেষ :

সীমান্তে দালালসহ আটক ৪, ভারতীয় মালামাল উদ্ধার

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৪ বার
সীমান্তে দালালসহ আটক ৪, ভারতীয় মালামাল উদ্ধার

প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) পরিচালিত একাধিক বিশেষ অভিযানে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশের চেষ্টাকালে এক মানব পাচারকারী বা দালালসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সীমান্ত এলাকা থেকে বিজিবি সদস্যরা পরিত্যক্ত অবস্থায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় অবৈধ কীটনাশক ও ওষুধ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন। বিজিবির ৫৮ ব্যাটালিয়নের চৌকস সীমান্ত রক্ষী দলগুলোর ধারাবাহিক সতর্ক নজরদারি ও তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে এই অপরাধীদের হাতেনাতে গ্রেপ্তার এবং চোরাচালানকৃত মালামাল জব্দ করা সম্ভব হয়।

সীমান্তবর্তী মহেশপুর ব্যাটালিয়নের ৫৮ বিজিবির পক্ষ থেকে শুক্রবার প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিকভাবে জারীকৃত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই বিস্তারিত অভিযান ও গ্রেপ্তারের সার্বিক তথ্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করা হয়েছে। বিজিবির প্রদত্ত দায়িত্বশীল তথ্যানুযায়ী, সীমান্ত নিরাপত্তা সুসংহত রাখতে ও অবৈধ অনুপ্রবেশ সম্পূর্ণ রোধ করতে নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে সীমান্তবর্তী একাধিক পয়েন্টে একযোগে এই অভিযান পরিচালিত হয়। সীমান্ত এলাকা দিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে দালাল চক্রের প্রলোভনে পড়ে বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের ঝুকি নিয়ে অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপারের প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিজিবি তাদের গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল জোরদার করে।

ঘটনার স্থান ও উদ্ধার অভিযানের বিবরণ প্রদান করতে গিয়ে বিজিবি জানায়, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রথম অভিযানটি পরিচালনা করে নতুনপাড়া সীমান্ত ফাঁড়ি বা বিওপির একটি বিশেষ দল। গোপন সূত্রে প্রাপ্ত নির্দিষ্ট সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবির দলটি সীমান্ত পিলার ৬৬/৭-এস এর প্রায় ১০০ গজ বাংলাদেশের অভিমুখে অভ্যন্তরে একটি নিবিড় আমবাগানে ঝটিকা অভিযান চালায়। অভিযান চলাকালে বিজিবি সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা দ্রুত সটকে পড়লেও আমবাগানের মাঝে বেশ সতর্কতার সঙ্গে পরিত্যক্ত অবস্থায় রেখে যাওয়া মোট ২০০ প্যাকেট মানহীন ও ক্ষতিকর ভারতীয় নিষিদ্ধ কীটনাশক উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত এসব পণ্য স্থানীয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে প্রবেশ করানো হয়েছিল।

এরই ধারাবাহিকতায় অন্য আরেকটি চৌকস টহল দল খোসালপুর বিওপির আওতাধীন স্থানীয় যোশপুর গ্রামে সীমান্ত অতিক্রমের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে। বিজিবির এই দলটি সীমান্ত এলাকা পর্যবেক্ষণ করার সময় অবৈধ উপায়ে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে তিন সাধারণ বাংলাদেশি নাগরিককে এক মানব পাচারকারী দালালের হাত থেকে উদ্ধার করে এবং ওই চারজনকেই গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। গ্রেপ্তারকৃত দালাল চক্রের সদস্যের নাম বিল্লাল হোসেন, যার বয়স ৩৫ বছর। অনুসন্ধানে জানা গেছে, সে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার বাঘাডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা এবং সীমান্ত চোরাচালান ও মানব পাচারের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিল।

অনুপ্রবেশের চেষ্টার সময় গ্রেপ্তার হওয়া অন্য তিন নিরীহ ও বিভ্রান্ত বাংলাদেশি তরুণদের মধ্যে রয়েছেন কুমিল্লা জেলার অধিবাসী বাইশ বছর বয়সী তরুণ সায়েদ আলম এবং তেইশ বছর বয়সী সাব্বির হোসাইন। তাঁদের সাথে গ্রেপ্তার হওয়া অন্য তরুণ হলেন চাঁদপুর জেলার বাসিন্দা একুশ বছর বয়সী তরুণ মো. মাহমুদুল হাসান। সীমান্ত পাচারের উদ্দেশ্যে তাঁদের ব্যবহৃত একটি অবৈধ ইজিবাইকও ঘটনা স্থান থেকে আলামত হিসেবে বিজিবি সদস্যরা আটক করেন। জীবনের মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে দালালদের খপ্পরে পড়ে সীমান্ত পার হতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত বিজিবির হাতে তাঁদের এই অনভিপ্রেত আটকে পড়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

এর পাশাপাশি সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মহেশপুর সীমান্তের যাদবপুর বিওপির আওতাধীন এলাকায় শুক্রবার খুব ভোরে পৃথক আরেকটি সময়োপযোগী সফল অভিযান চালায় বিজিবি। রাতের অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে সীমান্ত পেরিয়ে চোরাচালানকারীরা বেতবাড়িয়া এলাকার একটি ফসলি খেতের মধ্য দিয়ে চোরাই মালামাল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। বিজিবি টহল দলের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা মালামাল ফেলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ওই খেতের পাশ থেকে তল্লাশি চালিয়ে মোট ৬৫৩ পিস বিভিন্ন প্রকারের ভারতীয় ওষুধ পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধারে সক্ষম হন দায়িত্বরত বিজিবি জোয়ানরা।

ঝিনাইদহের সীমান্তবর্তী মহেশপুর ব্যাটালিয়নের ৫৮ বিজিবির সদর দফতর থেকে শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে জারীকৃত এক বিস্তারিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই সফল সীমান্ত অভিযান, উদ্ধার কাজ এবং আসামীদের গ্রেপ্তারের সার্বিক তথ্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করা হয়। বিজিবির প্রদত্ত দায়িত্বশীল তথ্যানুযায়ী, সীমান্ত এলাকা ব্যবহার করে অবৈধ পারাপার, মাদক ও আন্তর্জাতিক চোরাচালান বন্ধে নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে সীমান্তবর্তী বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত পয়েন্টে একযোগে বিশেষ সতর্ক অবস্থান নেওয়া হয়। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন দূরবর্তী অঞ্চল থেকে আসা কিছু সহজ-সরল মানুষকে অসৎ উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে সীমান্ত পার করে দেওয়ার নাম করে প্রতারক ও পাচারকারী চক্র প্রলুব্ধ করছিল—এমন সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই বিজিবি এই কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে।

ঘটনাস্থল ও অভিযানের সুনির্দিষ্ট সময়ক্রমের বর্ণনা দিতে গিয়ে বিজিবির দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, প্রথম অভিযানটি পরিচালিত হয় গত বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে। নতুনপাড়া সীমান্ত ফাঁড়ি বা বিওপির একটি অত্যন্ত চৌকস বিশেষ টহল দল গোপন সূত্র থেকে নিশ্চিত তথ্য পায় যে একটি চোরাচালানকারী দল বিপুল মালামাল নিয়ে সীমান্ত পার হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। খবর পাওয়া মাত্রই বিজিবির জোয়ানরা সীমান্ত পিলার ৬৬/৭-এস থেকে প্রায় ১০০ গজ বাংলাদেশের অভিমুখে অভ্যন্তরে অবস্থিত একটি নিরিবিলি ও নিবিড় আমবাগানে ঝটিকা ঘেরাও অভিযান চালায়। বিজিবি টহল দলের ক্ষিপ্র আগমন ও উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাচালানকারীরা মালামাল ফেলে দ্রুত ঘন ঝোপঝাড় ও আমবাগানের মধ্য দিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও, আমবাগানের আড়ালে সুকৌশলে পরিত্যক্ত অবস্থায় রেখে যাওয়া মোট ২০০ প্যাকেট ভারতীয় নিষিদ্ধ ও ঝুঁকিপূর্ণ কীটনাশক আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী এই বাহিনীর প্রথম সফলতার পরপরই সীমান্ত পারাপারের মূল চক্রটিকে ধরতে খোসালপুর বিওপির আরেকটি নিয়মিত ও অত্যন্ত নিখুঁত টহল দল সীমান্তে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে। টহল দলটি মহেশপুর সীমান্তের আওতাধীন যোশপুর গ্রাম এলাকায় গোপন নজরদারি জোরদার করে। ঠিক সেই মুহূর্তে স্থানীয় এক কুখ্যাত দালালের সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রমের পাঁয়তারা করার সময় বিজিবি সদস্যরা আকস্মিকভাবে ঘেরাও করে তিন নিরীহ বাংলাদেশি নাগরিক এবং তাঁদের নিয়ে যাওয়া মূল মানব পাচারকারী দালালকে চারপাশ থেকে অবরুদ্ধ করে আটক করে।

আটককৃত পাচারকারী ও দালালের পরিচয় নিশ্চিত করে বিজিবি জানিয়েছে, সে স্থানীয় মহেশপুর উপজেলার সীমান্ত ঘেঁষা বাঘাডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা বিল্লাল হোসেন। ৩৫ বছর বয়সী এই বিল্লাল দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানব পাচার ও সীমান্ত চোরাচালানের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থেকে একটি সংগঠিত আন্তর্জাতিক দালাল সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছিল। অপরদিকে প্রতারক দালালের অনৈতিক ফাঁদে ও প্রলোভনে পড়ে জীবন ও জীবিকার সন্ধানে সীমান্ত পাড়ি দিতে গিয়ে বিজিবির হাতে আটক হওয়া তিন তরুণ ও অসহায় বাংলাদেশি হলেন—কুমিল্লা জেলার অধিবাসী ২২ বছর বয়সী তরুণ সায়েদ আলম এবং ২৩ বছর বয়সী সাব্বির হোসাইন। তাঁদের সঙ্গে আটক হওয়া অপর তরুণ হলেন চাঁদপুর জেলার অধিবাসী ২১ বছর বয়সী তরুণ মো. মাহমুদুল হাসান। সীমান্তে অভিযানের সময় পাচারকাজে ব্যবহৃত তাঁদের একটি চালিত ইজিবাইকও জব্দ করা হয়েছে। অসৎ উপায়ে ঝুঁকিপূর্ণ উপায়ে সীমান্ত অতিক্রমের কুফল এবং দালালের প্রতারণার শিকার হয়ে এই তরুণদের আটক হওয়ার ঘটনায় স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যেও গভীর উদ্বেগ ও সচেতনতা তৈরি করেছে।

কেবল মানব পাচার রোধই নয়, চোরাচালান প্রতিরোধেও বিজিবির এই ধারাবাহিক তৎপরতা অব্যাহত থাকে শুক্রবার ভোররাত পর্যন্ত। মহেশপুর সীমান্তের যাদবপুর বিওপির আওতাধীন প্রত্যন্ত বেতবাড়িয়া সীমান্ত এলাকায় তৃতীয় অভিযানটি পরিচালিত হয়। ভোরের ঘন অন্ধকার ও নীরবতার সুযোগ নিয়ে পাচারকারীদের একটি দল সীমান্ত পেড়িয়ে অবিক্রীত এবং ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়া ভারতীয় জীবন রক্ষাকারী ওষুধের বড় চালানের চালান বাংলাদেশে ঢোকানোর চেষ্টা করছিল। কিন্তু বিজিবির নিবেদিতপ্রাণ টহল দলের দূরদর্শী নজরদারির কারণে তাদের সেই চেষ্টা সম্পূর্ণ নস্যাৎ হয়ে যায়। বিজিবির জোয়ানরা ধাওয়া করলে চোরাকারবারীরা একটি আমন ও সবজি খেতের মাঝে মালামাল ফেলে রাতের অন্ধকারে সীমান্ত পেরিয়ে উধাও হয়ে যায়। পরবর্তীতে ওই খেতের পাশ থেকে বিশদ তল্লাশি চালিয়ে মোট ৬৫৩ পিস ভারতীয় বিভিন্ন নামের ওষুধ জব্দ করে নিজেদের হেফাজতে নেয় বিজিবি।

পুরো ঘটনা, আইনগত পদক্ষেপ ও সীমান্ত সুরক্ষার বিষয়ে মহেশপুর ৫৮ বিজিবির সহকারী পরিচালক মুন্সী এমদাদুর রহমান একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানান, সীমান্তে যেকোনো প্রকার অবৈধ অনুপ্রবেশ, সীমান্ত অপরাধ এবং চোরাচালান রোধে বিজিবির পক্ষ থেকে ‘জিরো টলারেন্স’ বা শূন্য সহনশীলতার নীতি কার্যকর রাখা হয়েছে। তিনি অত্যন্ত জোর দিয়ে বলেন, সীমান্ত দিয়ে অসাধু উপায়ে আসা-যাওয়া রোধে এবং নিরীহ মানুষদের দালাল চক্রের হাত থেকে রক্ষা করতে তাদের এই অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে। তিনি আরও নিশ্চিত করেন যে, আটককৃত পাচারকারী ও তিন বাংলাদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ আইনি কাঠামোর সুনির্দিষ্ট ধারায় অবৈধ অনুপ্রবেশ চেষ্টা ও মানব পাচারের দায়ে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ভারতীয় মালামাল, বিষাক্ত কীটনাশক ও জব্দকৃত ইজিবাইকসহ আসামীদের পরবর্তী আইনি নিষ্পত্তির জন্য স্থানীয় মহেশপুর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।

ঘটনা ও সামগ্রিক আইনগত প্রক্রিয়ার ব্যাপারে বিস্তারিত জানাতে গিয়ে মহেশপুর ৫৮ বিজিবির সহকারী পরিচালক মুন্সী এমদাদুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, সীমান্ত রক্ষা, চোরাচালান প্রতিরোধ ও অবৈধ সীমান্ত পারাপার বন্ধে বিজিবির শূন্য সহনশীলতা বা জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রয়েছে। তিনি জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ধারায় অবৈধ প্রবেশ চেষ্টা ও পাচারের অপরাধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জব্দ করা ইজিবাইক, অবৈধ ওষুধ ও কীটনাশকসহ গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্ট মহেশপুর থানায় পরবর্তী বিচারিক কার্যক্রমে সোপর্দ করা হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় এই ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণরূপে নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত বিজিবির নজরদারি ও কঠোর টহল অভিযান জোরদার থাকবে বলেও সংস্থাটির তরফ থেকে পুনরায় আশ্বস্ত করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com