ভুয়া প্রতিষ্ঠানে ঋণ: জাবেদসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৩ বার
ভুয়া প্রতিষ্ঠানে ঋণ: জাবেদসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।
চট্টগ্রামে ইসলামী ব্যাংকের শাখা থেকে ভুয়া সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণের অর্থ ছাড় করে ৬৩ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, তাঁর স্ত্রী রুকমীলা জামানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) চট্টগ্রামের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ মামলাটি করা হয়। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে আরামিট সিমেন্ট পিএলসির জন্য অনুমোদিত কার্যকরী মূলধন ঋণ, ‘ক্লাসিক ট্রেডিং’ নামের একটি কথিত সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এবং ব্যাংকের মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়া ২৭টি বাই-মুরাবাহা লেনদেন।

দুদকের এজাহার অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ২৪ অক্টোবর থেকে ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে এসব লেনদেনের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তর করা হয়। সংস্থাটির অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত ঠিকানায় কোনো কার্যালয় বা গুদামের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। প্রতিষ্ঠানটির আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমেরও প্রমাণ মেলেনি বলে মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলাটিতে সাবেক মন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রীর পাশাপাশি আরামিট সিমেন্টের কর্মকর্তা এবং ইসলামী ব্যাংকের চট্টগ্রামের জুবলী রোড শাখার একাধিক কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়েছে। দুদকের অভিযোগ, পরস্পর যোগসাজশে ভুয়া নথি ও চালান ব্যবহার করে ব্যাংকের অর্থ ছাড় করানো এবং বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে তা স্থানান্তর করা হয়। তবে এসব অভিযোগ এখনো বিচারিকভাবে প্রমাণিত হয়নি। মামলার তদন্ত ও আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়াতেই অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারিত হবে।

মামলার এজাহার ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালে আরামিট সিমেন্টের নামে ইসলামী ব্যাংকের বহদ্দারহাট শাখায় একটি চলতি হিসাব খোলা হয়। পরবর্তী সময়ে, ২০১৭ সালের মে মাসে হিসাবটি ব্যাংকের জুবলী রোড শাখায় স্থানান্তর করা হয়।

একই বছরের অক্টোবরে আরামিট সিমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুকমীলা জামান প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ৫০০ কোটি টাকার কার্যকরী মূলধন ঋণের আবেদন করেন। পরে ব্যাংক ৩৫০ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন করে বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।

ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন, কাঁচামাল কেনা, সরবরাহকারীদের বিল পরিশোধ এবং দৈনন্দিন পরিচালন ব্যয় নির্বাহে কার্যকরী মূলধন ঋণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে এ ধরনের ঋণের অর্থ ছাড়ের ক্ষেত্রে পণ্যের প্রকৃত ক্রয়, সরবরাহকারীর পরিচয়, চালান, মূল্য এবং লেনদেনের যথার্থতা যাচাই করা জরুরি। কারণ, নথিতে দেখানো লেনদেনের সঙ্গে বাস্তব সরবরাহের মিল না থাকলে আর্থিক অনিয়ম শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে।

দুদকের অভিযোগ, আরামিট সিমেন্টের নামে অনুমোদিত ঋণের একটি অংশ ছাড় করতে এই যাচাইব্যবস্থার সুযোগ নেওয়া হয়েছিল। সংস্থাটির ভাষ্য অনুযায়ী, আরামিট গ্রুপের হিসাব বিভাগের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমকে একটি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের মালিক হিসেবে দেখানো হয়। তাঁর নামে ‘ক্লাসিক ট্রেডিং’ প্রতিষ্ঠানটি ব্যবহার করে ব্যাংকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়া হয় বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধানে ক্লাসিক ট্রেডিংয়ের নামে ব্যবহৃত ঠিকানায় কোনো কার্যালয় কিংবা গুদামের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি বলে মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমের সমর্থনে প্রয়োজনীয় প্রমাণও পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

এজাহারে বলা হয়েছে, ক্লিংকার, জিপসাম, চুনাপাথর ও স্ল্যাগের মতো সিমেন্ট উৎপাদনের কাঁচামাল সরবরাহের কথা উল্লেখ করে বিভিন্ন চালান ও নথি তৈরি করা হয়েছিল। এসব কাগজপত্রে পণ্য কেনাবেচা এবং সরবরাহের বিবরণ দেখিয়ে ব্যাংকের কাছে অর্থ ছাড়ের আবেদন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

কিন্তু দুদকের দাবি, নথিতে পণ্য সরবরাহের কথা থাকলেও বাস্তবে সংশ্লিষ্ট পণ্য সরবরাহের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এ অবস্থায় ২৭টি বাই-মুরাবাহা চুক্তি বা ডিলের বিপরীতে পে-অর্ডার ইস্যু করা হয় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থায় বাই-মুরাবাহা একটি ক্রয়-বিক্রয়ভিত্তিক অর্থায়ন পদ্ধতি। এ ব্যবস্থায় ব্যাংক নির্ধারিত পণ্য ক্রয় করে গ্রাহকের কাছে ঘোষিত মুনাফাসহ বিক্রি করে। ফলে পণ্য ক্রয়, সরবরাহ ও বিক্রয়সংক্রান্ত নথির যথার্থতা এ ধরনের অর্থায়নে গুরুত্বপূর্ণ। দুদকের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট লেনদেনগুলোতে এই প্রক্রিয়ার নামে ভুয়া নথি ব্যবহার করা হয়েছিল।

তবে কোনো প্রতিষ্ঠানের ঠিকানায় কার্যালয় না পাওয়া কিংবা কাগজপত্রে অসংগতি শনাক্ত হওয়ার বিষয়গুলো তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলেও সংশ্লিষ্ট প্রত্যেক ব্যক্তির দায় নির্ধারণে তাঁদের ভূমিকা, সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া এবং প্রমাণিত আর্থিক লেনদেন আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২৭টি ডিলের বিপরীতে ইস্যু করা পে-অর্ডারের অর্থ প্রথমে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) স্টেশন রোড শাখায় ক্লাসিক ট্রেডিংয়ের হিসাবে জমা হয়। পরে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তর করা হয়। এর একটি অংশ শেষ পর্যন্ত আরামিট সিমেন্টের হিসাবে জমা হয় বলে অভিযোগ করেছে দুদক।

সংস্থাটির অনুসন্ধান অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ২৪ অক্টোবর থেকে ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর পর্যন্ত এসব লেনদেনের মাধ্যমে মোট ৬৩ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। অর্থের গতিপথ শনাক্ত করতে ব্যাংক হিসাব, পে-অর্ডার, লেনদেনের নথি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।

দুদকের দাবি, লেনদেনের ক্ষেত্রে ভুয়া চালান ও মিথ্যা তথ্য ব্যবহার করা হয়েছিল এবং ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তবে অর্থ স্থানান্তরের প্রতিটি ধাপে কার কী ভূমিকা ছিল, কে কোন নথি অনুমোদন করেছেন এবং অর্থের চূড়ান্ত ব্যবহার কোথায় হয়েছে, তা তদন্তের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন।

আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে শুধু অর্থের পরিমাণ নয়, লেনদেনের অনুমোদনপ্রক্রিয়া এবং প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাও গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাংকের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সরবরাহকারীর অস্তিত্ব, পণ্য সরবরাহ এবং অর্থ ছাড়ের শর্ত যথাযথভাবে যাচাই করেছিলেন কি না, তা মামলার তদন্তে বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে।

সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ ও তাঁর স্ত্রী রুকমীলা জামান ছাড়াও মামলায় আরামিট সিমেন্টের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহ আলম, সহকারী মহাব্যবস্থাপক এ কে এম মারুফ এবং আরামিট গ্রুপের হিসাব বিভাগের এজিএম ও ক্লাসিক ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী হিসেবে উল্লেখ করা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমকে আসামি করা হয়েছে।

এ ছাড়া ইসলামী ব্যাংকের জুবলী রোড শাখার কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দীন, মোহাম্মদ আখতার হোসেন, মোহাম্মদ আব্দুল হক, মো. আবদুল কাদের, মুহাম্মদ আবদুল করিম, মো. শহীদুল্লাহ, মুহাম্মদ নিজাম উদ্দীন, আবুল কালাম আজাদ, মোহাম্মদ মহসীন আলী ও রিদওয়ানুল হক মামলার আসামির তালিকায় রয়েছেন।

দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মো. রুবেল হোসেন মামলাটির বাদী। দুদকের কর্মকর্তাদের বক্তব্যের বরাতে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, সংস্থাটির অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মামলা করা হয়েছে।

আসামিদের বিরুদ্ধে প্রতারণা, জালিয়াতি, অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অর্থ পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব অভিযোগে দণ্ডবিধি, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের বিভিন্ন ধারা প্রয়োগের কথা মামলার বিবরণে উল্লেখ রয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হওয়া মানেই আসামিদের অপরাধ প্রমাণিত হওয়া নয়; প্রত্যেকের দায় আদালতে উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে।

সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদকে ঘিরে এর আগেও ব্যাংকঋণের অর্থ আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচারের অভিযোগে দুদকের মামলা হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, ‘ভিশন ট্রেডিং’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) চট্টগ্রাম পোর্ট শাখা থেকে ২৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচারের অভিযোগে সাবেক মন্ত্রীসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়েছিল।

ওই মামলার বিচারিক কার্যক্রম চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ আদালতে চলমান রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সংবাদ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে আগের মামলার অভিযোগ এবং নতুন মামলার অভিযোগ পৃথকভাবে বিবেচনা করতে হবে। একটি মামলার অভিযোগ অন্য মামলায় কারও অপরাধ প্রমাণের বিকল্প হতে পারে না।

এ ছাড়া ২০২৬ সালের আগস্টে আরামিট সিমেন্টের নামে ইসলামী ব্যাংক থেকে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাইফুজ্জামান চৌধুরীসহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে তিনটি পৃথক মামলার অনুমোদনের খবর প্রকাশিত হয়েছিল। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংকঋণ বিতরণ, সরবরাহকারী যাচাই এবং অর্থের প্রকৃত ব্যবহার নিয়ে আর্থিক খাতের জবাবদিহির প্রশ্ন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

ব্যাংকঋণসংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ শুধু সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা ব্যাংকের আর্থিক হিসাবের বিষয় নয়; এর সঙ্গে আমানতকারীদের অর্থের নিরাপত্তা, ঋণ ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতা এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওপর জনসাধারণের আস্থার প্রশ্নও জড়িত। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে তা কীভাবে ঘটেছে, কারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং অর্থ কোথায় গেছে—এসব প্রশ্নের উত্তর বের করা জরুরি।

একই সঙ্গে তদন্ত হতে হবে প্রমাণনির্ভর ও নিরপেক্ষ। অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিটি ব্যক্তির ভূমিকা আলাদাভাবে যাচাই করা, ব্যাংকের নথি ও আর্থিক লেনদেন পরীক্ষা করা এবং আইনি প্রক্রিয়ায় সব পক্ষের বক্তব্য বিবেচনা করা ন্যায়বিচারের জন্য অপরিহার্য।

৬৩ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার এই মামলায় এখন নজর থাকবে তদন্তের অগ্রগতি, অর্থের গতিপথ শনাক্তকরণ এবং অভিযোগের পক্ষে উপস্থাপিত প্রমাণের ওপর। দুদকের অভিযোগের সত্যতা আদালতে প্রতিষ্ঠিত হলে সংশ্লিষ্টদের দায় নির্ধারিত হবে। তার আগে মামলাটিকে অভিযোগ ও তদন্তের পর্যায় হিসেবেই দেখা প্রয়োজন।

দীর্ঘমেয়াদে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে ব্যাংকের ঋণ অনুমোদন ও অর্থ ছাড়ের ক্ষেত্রে কার্যকর যাচাই, সরবরাহকারীর পরিচয় নিশ্চিত করা, লেনদেনের নিরীক্ষা এবং অনিয়ম শনাক্ত হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা গেলে শুধু অনিয়মের ঝুঁকিই কমবে না, সাধারণ আমানতকারী ও ব্যবসায়ীদের আস্থাও শক্তিশালী হবে।

 


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com