৪০ কোটি টাকার নার্সিং কলেজ, দুই বছরেও চালু হয়নি

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৪ বার
৪০ কোটি টাকার ভবন পড়ে আছে, দুই বছরেও চালু হয়নি মেহেরপুর নার্সিং কলেজ

প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

মেহেরপুরের শিক্ষার্থীদের নিজ জেলায় নার্সিং শিক্ষার সুযোগ তৈরি করতে প্রায় ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে একটি আধুনিক নার্সিং কলেজ। চারতলা একাডেমিক ভবন, চারতলা ছাত্রাবাস এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে দুই বছরেরও বেশি আগে। কিন্তু এখনো শুরু হয়নি শিক্ষা কার্যক্রম। শিক্ষক নেই, শিক্ষার্থী নেই, নেই প্রয়োজনীয় কর্মকর্তা-কর্মচারী, আসবাব কিংবা প্রশিক্ষণের যন্ত্রপাতি। ফলে বিপুল সরকারি অর্থ ব্যয়ে নির্মিত প্রতিষ্ঠানটি পড়ে আছে অব্যবহৃত অবস্থায়। ভবনের কক্ষগুলোতে জমছে ধুলা, প্রধান ফটকে ঝুলছে তালা, আর স্থানীয় শিক্ষার্থীদের নার্সিং পড়ার স্বপ্ন পূরণে অপেক্ষার সময় দীর্ঘ হচ্ছে।

মেহেরপুরের অনেক শিক্ষার্থীর কাছে নার্সিং পেশায় যাওয়ার আগ্রহ থাকলেও নিজ জেলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না থাকায় তাঁদের অন্য জেলায় গিয়ে পড়াশোনা করতে হয়। এতে আবাসন, খাবার, যাতায়াত ও শিক্ষার খরচ মিলিয়ে পরিবারের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ তৈরি হয়। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়েদের জন্য দূরের শহরে থেকে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। অথচ মেহেরপুর শহরেই নার্সিং কলেজের অবকাঠামো প্রস্তুত থাকলেও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে সেটি এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি।

মেহেরপুর পৌর শহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নার্স হিসেবে কাজ করেন সুইটি আক্তার। নার্সিংয়ে পড়াশোনা করতে তাঁকে ঢাকায় যেতে হয়েছিল। সেখানে বাসা ভাড়া করে থেকে পড়াশোনার খরচ জোগাতে তাঁর পরিবারকে বড় ধরনের আর্থিক চাপ সামলাতে হয়েছে। সুইটির ভাষ্য অনুযায়ী, মেহেরপুরে নার্সিং কলেজ থাকলে তাঁর মতো শিক্ষার্থীদের দূরে গিয়ে থাকার প্রয়োজন হতো না। পড়াশোনার খরচ মেটাতে তাঁর বাবাকে কৃষিজমি বন্ধক রাখতে হয়েছিল। দুই বছর ধরে চাকরি করেও সেই জমি ছাড়াতে পারেননি তিনি। সুইটির অভিজ্ঞতা স্থানীয় পর্যায়ে নার্সিং শিক্ষার সুযোগের প্রয়োজনীয়তা এবং একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু না হওয়ার মানবিক প্রভাবকে সামনে নিয়ে এসেছে।

স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মেহেরপুর পৌর শহরের টিঅ্যান্ডটি মোড় এলাকায় মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের পাশেই ৩ একর ৬৩ শতক জমির ওপর নার্সিং কলেজটির অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে। প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে ৩৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা। চারতলা একাডেমিক ভবন ও চারতলা ছাত্রাবাসসহ নির্মাণকাজ শেষ হয় ২০২৪ সালের ২৭ জুন। নার্সিং শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং দক্ষ জনবল তৈরির লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি নির্মাণ করা হলেও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমোদন ও জনবল নিশ্চিত না হওয়ায় এখনো পাঠদান শুরু করা যায়নি।

কলেজটি চালু করতে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা। প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ, প্রশাসনিক অনুমোদন, পদ সৃজন এবং জনবল পদায়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ এখনো শেষ হয়নি। এসব প্রক্রিয়ার সঙ্গে অর্থ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় যুক্ত রয়েছে। ফলে একটি প্রতিষ্ঠানের নির্মাণকাজ শেষ হলেও সেটিকে কার্যকর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে একাধিক সরকারি দপ্তরের সিদ্ধান্ত ও সমন্বয়ের অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের পরিচালক নাহিদ-উল-মোস্তাক জানিয়েছেন, কলেজটি পরিচালনার জন্য প্রশাসনিক কাজ তিনটি পর্যায়ে চলছে। অর্থ বরাদ্দের বিষয়টি অর্থ মন্ত্রণালয়ে, প্রশাসনিক অনুমোদন ও পদায়নের বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে এবং প্রয়োজনীয় পদ সৃজনের বিষয়টি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, আগামী বছরের জানুয়ারির মধ্যে এসব প্রক্রিয়া শেষ হতে পারে।

তবে প্রশাসনিক অনুমোদন পাওয়া মানেই যে পরদিন থেকেই কলেজে ক্লাস শুরু হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। অনুমোদনের পর শিক্ষক ও অন্যান্য জনবল নিয়োগ বা পদায়ন, আসবাবপত্র সরবরাহ, পাঠদান ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের যন্ত্রপাতি সংগ্রহ এবং শিক্ষার্থী ভর্তির মতো আরও কয়েকটি ধাপ সম্পন্ন করতে হবে। নার্সিং শিক্ষা শুধু শ্রেণিকক্ষভিত্তিক পাঠের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে হাসপাতালভিত্তিক হাতে-কলমে প্রশিক্ষণও যুক্ত। তাই প্রয়োজনীয় শিক্ষক, প্রশিক্ষণ সরঞ্জাম, ল্যাবরেটরি ও অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত না করে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা হলে শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে। ফলে জানুয়ারির মধ্যে প্রশাসনিক কাজ শেষ হলেও ঠিক কবে নাগাদ শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে পারবেন কিংবা পাঠদান শুরু হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

প্রশাসনিক জটিলতার পাশাপাশি আদালতে চলমান মামলাও কলেজটি চালুর পথে বাধা হয়ে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, নতুন জনবল নিয়োগের প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই অন্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত নার্সদের পদায়ন করে অন্তত প্রাথমিকভাবে কার্যক্রম শুরু করার একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নার্সদের পদায়নসংক্রান্ত মামলা উচ্চ আদালত ও প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে চলমান থাকায় সেই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না।

নাহিদ-উল-মোস্তাকের ভাষ্য, অন্তত নার্সদের দিয়ে কলেজটির কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু পদায়নসংক্রান্ত মামলা থাকায় অন্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত নার্সদের মেহেরপুরে পদায়ন করা যাচ্ছে না। ফলে নতুন প্রতিষ্ঠানটির প্রয়োজনীয় জনবল নিশ্চিত করার বিষয়টি আরও জটিল হয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে মামলা নিষ্পত্তি, প্রশাসনিক অনুমোদন এবং জনবল ব্যবস্থাপনার মধ্যে সমন্বয় না হলে কলেজ চালুর সময় আরও পিছিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে স্থানীয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে নার্সিং পড়ার আগ্রহ থাকলেও সুযোগের অভাবে তাঁদের অনিশ্চয়তায় থাকতে হচ্ছে। মেহেরপুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সামিয়া আক্তার ভবিষ্যতে নার্সিং বিষয়ে পড়াশোনা করতে চায়। কিন্তু নিজ জেলায় কলেজ চালু না হওয়ায় তাকে অন্য জেলায় গিয়ে পড়াশোনার পরিকল্পনা করতে হচ্ছে। এতে পরিবারের ওপর বাড়তি ব্যয়ের চাপ তৈরি হতে পারে বলে তার আশঙ্কা। সামিয়ার মতো অনেক শিক্ষার্থীর জন্য স্থানীয় পর্যায়ে নার্সিং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু হওয়া শুধু একটি শিক্ষার সুযোগ নয়, বরং পরিবারের সামর্থ্যের মধ্যে থেকে পেশাগত ভবিষ্যৎ গড়ার সম্ভাবনাও তৈরি করতে পারে।

নার্সিং কলেজ চালু হলে মেহেরপুরের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। নার্সিং শিক্ষার্থীরা স্থানীয় হাসপাতালে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের সুযোগ পেলে ভবিষ্যতে দক্ষ নার্স তৈরির পথ সহজ হবে। একই সঙ্গে হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষিত জনবলের সরবরাহ বাড়ানোর ক্ষেত্রেও প্রতিষ্ঠানটি ভূমিকা রাখতে পারে। তবে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ ও রোগীদের সেবার মান বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় জনবল এবং যথাযথ তত্ত্বাবধান নিশ্চিত করা জরুরি।

মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স মিনতি বিশ্বাস মনে করেন, হাসপাতালে নার্সিং শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের সুযোগ থাকলে রোগীদের সেবায় সহায়ক পরিবেশ তৈরি হতে পারে। তাঁর মতে, দীর্ঘদিন ধরেই হাসপাতালে চিকিৎসকসংকট রয়েছে এবং অনেক সময় নার্সদের ওপর অতিরিক্ত দায়িত্ব পড়ে। প্রশিক্ষণরত নার্সদের যথাযথ তত্ত্বাবধানে যুক্ত করা গেলে সেবার কাজে সহায়তা পাওয়া সম্ভব হতে পারে। তবে শিক্ষানবিশদের দিয়ে নিয়মিত দায়িত্বপ্রাপ্ত নার্সদের বিকল্প তৈরি করা নয়, বরং মানসম্মত প্রশিক্ষণ ও সেবার সমন্বয় নিশ্চিত করাই হওয়া উচিত প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য।

গত বুধবার দুপুরে সরেজমিনে কলেজ প্রাঙ্গণে গিয়ে দেখা যায়, প্রধান ফটকে তালা ঝুলছে। আশপাশের লোকজনের কাছ থেকে জানা যায়, ভেতরে একজন নিরাপত্তাকর্মী অবস্থান করেন। ডাকাডাকির পর তিনি এসে ফটকের তালা খুলে দেন। ভেতরে প্রবেশ করলে দেখা যায়, একাডেমিক ভবনের কক্ষগুলো ফাঁকা পড়ে রয়েছে। কোথাও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নেই, নেই ক্লাস বা প্রশিক্ষণের কোনো আয়োজন। ভবনের সামনের খোলা জায়গায় কাশফুল ফুটেছে, আর আবাসিক ভবনের দিকে যাওয়ার কংক্রিটের সড়কের ফাঁকে ফাঁকে জন্মেছে ঘাস। দীর্ঘদিন ব্যবহার না হওয়ায় কক্ষগুলোতে ধুলার স্তর জমেছে।

নিরাপত্তাকর্মী রবিউল ইসলাম জানান, সেখানে সাধারণত কেউ আসেন না। কলেজটি কবে চালু হবে, সে বিষয়েও তাঁর জানা নেই। ভবনের কক্ষগুলোতে ধুলা জমে আছে। তাঁর এই বক্তব্যে অব্যবহৃত অবকাঠামোর বর্তমান বাস্তবতা উঠে এসেছে। যে ভবনে শিক্ষার্থীদের পদচারণ, পাঠদান ও প্রশিক্ষণের ব্যস্ততা থাকার কথা, সেখানে এখন নীরবতা আর অপেক্ষাই প্রধান দৃশ্য।

মেহেরপুরের সিভিল সার্জন এ কে এম আবু সাঈদ জানিয়েছেন, নার্সিং কলেজ চালুর বিষয়ে তাঁরা নিয়মিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন এবং এ নিয়ে চিঠিপত্রও আদান-প্রদান করেছেন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্মাণকাজ শেষ করে ভবন স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করেছে। তবে তাঁর মতে, শুধু ভবন নির্মাণ করলেই একটি নার্সিং কলেজ পরিচালনা করা সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, জনবল এবং চিকিৎসাসংক্রান্ত প্রশিক্ষণ সরঞ্জাম থাকতে হবে।

মেহেরপুর নার্সিং কলেজের বর্তমান পরিস্থিতি সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এনেছে। অবকাঠামো নির্মাণে প্রায় ৪০ কোটি টাকা ব্যয় হলেও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রস্তুতি ও পরিচালনব্যবস্থা নিশ্চিত না হওয়ায় জনগণ এখনো এর সুফল পাচ্ছে না। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণের পাশাপাশি সেটি চালুর জন্য প্রয়োজনীয় জনবল, অর্থ, সরঞ্জাম ও ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনাও একই সময়ে সম্পন্ন করা জরুরি। তা না হলে উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে দীর্ঘ বিলম্ব ঘটে এবং বিনিয়োগ করা অর্থের প্রত্যাশিত সুফল পাওয়া যায় না।

এখন মেহেরপুরবাসীর প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরগুলো দ্রুত সমন্বিত উদ্যোগ নিয়ে কলেজটির বাকি কাজ শেষ করবে। প্রশাসনিক অনুমোদন, পদ সৃজন, জনবল পদায়ন, যন্ত্রপাতি ও আসবাব সরবরাহ এবং শিক্ষার্থী ভর্তির প্রক্রিয়া নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সম্পন্ন করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে আদালতে চলমান মামলার আইনগত নিষ্পত্তির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। কারণ, এই কলেজ চালু হওয়া মানে শুধু একটি ভবনে শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হওয়া নয়; এর মাধ্যমে স্থানীয় তরুণ-তরুণীদের জন্য নতুন শিক্ষার সুযোগ, দক্ষ নার্স তৈরির সম্ভাবনা এবং মেহেরপুরের স্বাস্থ্যসেবায় দীর্ঘমেয়াদি অবদান রাখার পথ তৈরি হতে পারে। দুই বছরের বেশি সময় ধরে অপেক্ষায় থাকা প্রতিষ্ঠানটি কবে সেই লক্ষ্য পূরণ করবে, এখন সেটিই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com