জামায়াত: রাজনীতিবিদ ও আমলাদের সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা বাধ্যতামূলক করা হবে

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ৩৮ বার

প্রকাশ:  ১৮ আগস্ট ২০২৫ | নিজস্ব প্রতিবেদক | একটি বাংলাদেশ অনলাইন

ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামান ঘোষণা করেছেন, জামায়াত ক্ষমতায় এলে দেশের রাজনীতিবিদ ও আমলাদের সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া বাধ্যতামূলক হবে। সাধারণ নাগরিকদের পাশাপাশি রাষ্ট্রের নীতি নির্ধারকরা সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিলে স্বাস্থ্যখাতের বর্তমান দুরবস্থা স্বাভাবিকভাবেই কেটে যাবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর মহাখালীর জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরীক্ষা-নিরীক্ষা (সিটি স্ক্যান, রেডিওথেরাপি) যন্ত্র বন্ধ থাকা এবং প্রশাসনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে আয়োজিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে ডা. খালিদুজ্জামান প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

সমাবেশে তিনি হাসপাতালের সমাজ কল্যাণ তহবিলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এক কোটি টাকা প্রদান করার প্রতিশ্রুতি দেন, যা ক্যানসার রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হবে। ডা. খালিদুজ্জামান বলেন, “দেশের অনেক রাজনৈতিক নেতা এবং আমলারা বিদেশে চিকিৎসা নিতে যান। আমরা বিশ্বাস করি, রাষ্ট্রের সাধারণ নাগরিক এবং আমলারা একই হাসপাতালে চিকিৎসা নিলে হাসপাতালের যে ভঙ্গুর অবস্থা, তা স্বাভাবিকভাবেই পরিবর্তিত হবে। মানুষের জন্য এবং তাদের অধিকার রক্ষায় কাজ করতে হবে।”

ক্যানসার হাসপাতালের বর্তমান দুরবস্থার দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “হাসপাতালে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব দূর করতে হবে। প্রতিটি বিভাগে সমস্যা আছে এবং স্টাফ কোয়ার্টারেও বহিরাগত অবস্থান করছে, যা পরিষ্কার করতে হবে। হাসপাতালের পরিবেশ বর্তমানে অশৃঙ্খল এবং বিশৃঙ্খল হয়ে উঠেছে, চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।”

ডা. খালিদুজ্জামান আরও বলেন, “হাসপাতালকে আন্তর্জাতিক মানের স্তরে উন্নীত করতে হলে শুধু সরকার নয়, দেশের বিত্তশালীদেরও এগিয়ে আসা প্রয়োজন। দরিদ্রদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের একটি সমাজ কল্যাণ ফান্ড রয়েছে। জামায়াতের পক্ষ থেকে এ হাসপাতালে এক কোটি টাকা অনুদান দেওয়া হবে। আমি বিত্তশালীদেরও আহ্বান জানাচ্ছি—যারা ব্যক্তিগত সঙ্গী বা পোষ্যর জন্য বড় পরিমাণ অর্থ ব্যয় করেন, তারা মানুষের চিকিৎসায়ও এগিয়ে আসুন।”

জামায়াত নেতার এই ঘোষণায় হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, দুর্নীতি নিরসন এবং সমাজকল্যাণমূলক উদ্যোগের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। ডা. খালিদুজ্জামান মনে করেন, সরকার এবং সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতকে সকলের জন্য সমানভাবে কার্যকর ও উন্নত করা সম্ভব।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত