সর্বশেষ :
মুসলিমদের ঈদের নামাজে বাধা, হিন্দুদের যোগ দিবসে ৭ দিন বন্ধ রেড রোড—ধর্মীয় অনুষ্ঠান ঘিরে নতুন বিতর্ক লিফটকে পুনরায় মূলধনী যন্ত্রপাতি ঘোষণার দাবি বেলিয়ার, শুল্ক কাঠামো যৌক্তিকীকরণের আহ্বান হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ চুক্তিতে কার লাভ হলো—ইরান নাকি যুক্তরাষ্ট্রের? কূটনৈতিক সমীকরণে নতুন বিতর্ক ওবামা প্রশাসনের বিরুদ্ধে পুরোনো অভিযোগ পুনরুজ্জীবিত করলেন ট্রাম্প, ইরানকে ‘ঘুষ’ দেওয়ার দাবি মেসির জাদুতে মুগ্ধ স্কালোনি, অবসরের প্রসঙ্গে আবেগঘন আর্জেন্টিনা কোচ মার্কিন-ইরান সমঝোতার পরও লেবানন ছাড়ছে না ইসরাইল, বাড়ছে নতুন শঙ্কা আইইএলটিএস পরীক্ষার ফলাফলে ভুল, জরিমানার মুখে কেমব্রিজ ইংলিশ বেঁচে থাকাই বড় অর্জন’, তবে ইরানের লাভ আরও গভীর: বিশ্লেষকদের মূল্যায়ন আওয়ামী লীগ ও গণতন্ত্র কখনো একসঙ্গে চলেনি: মির্জা ফখরুল

আব্দুস সাত্তার প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব হিসেবে নিয়োগ

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২০ বার
আব্দুস সাত্তার প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব হিসেবে নিয়োগ

প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারি  ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

সরকারি প্রশাসনে এক গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের মাধ্যমে দেশের সুশাসন ও নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। সাবেক সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তারকে আগামী এক বছরের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মুখ্য সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে উপসচিব মোহাম্মদ রফিকুল হকের স্বাক্ষরিত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, নিয়োগকাল শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি পদে যোগদান করবেন এবং এক বছরের জন্য এই দায়িত্ব পালন করবেন। এই পদে দায়িত্ব গ্রহণের সময় আব্দুস সাত্তারকে বিশেষভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, তিনি অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা বা সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে বিদ্যমান কর্ম-সম্পর্ক বজায় রাখতে পারবেন না। এটি নিশ্চিত করবে যে, তিনি সম্পূর্ণ মনোযোগ ও ন্যায্যতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর অফিসের কাজ এবং নীতি প্রণয়নের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

এবিএম আব্দুস সাত্তার দেশের প্রশাসনিক খাতে একজন অভিজ্ঞ কর্মকর্তা হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। তার দায়িত্ববোধ, নীতি-নির্ধারণে দক্ষতা এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতা তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের জন্য উপযুক্ত প্রার্থী হিসেবে প্রমাণ করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, তার নিয়োগ সরকারের সুশাসন ও কার্যকর প্রশাসনিক নীতির ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, নিয়োগের সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য শর্তাবলি পৃথক চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। এই পদে দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে জনস্বার্থের সেবায় তার অবদান গুরুত্বপূর্ণ হবে, এবং দেশের প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি ও স্থিতিশীলতা আনার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষ ভূমিকা পালন করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদটি দেশের প্রশাসনিক কাঠামোয় এক গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান হিসেবে বিবেচিত হয়। এই পদে থাকা কর্মকর্তা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাজ করেন, নীতি প্রণয়নে অংশ নেন এবং সরকারি প্রশাসন ও নীতিমালা বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করেন। ফলে এবিএম আব্দুস সাত্তারকে নিয়োগ দেওয়া মানে শুধু একজন প্রশাসককে দায়িত্ব দেওয়া নয়, বরং সরকারের নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় দক্ষ ও অভিজ্ঞ নেতৃত্ব নিশ্চিত করা।

এবিএম আব্দুস সাত্তার তার পূর্ববর্তী দায়িত্বকালে সরকারি নীতি প্রণয়ন, বাজেট পর্যালোচনা এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প, জাতীয় কর্মসূচি এবং প্রশাসনিক সংস্কার কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে ভূমিকা রেখেছেন। তাই তার এই নিয়োগ সরকারী কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা ও সুশাসনের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব বহন করবে।

এই নিয়োগের মাধ্যমে সরকারি ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে আশা করা হচ্ছে, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ, দক্ষ ও সময়োপযোগী হবে। দেশের নীতি-নির্ধারণ এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা ক্ষেত্রেও এটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। পাশাপাশি সরকারের কার্যক্রমে জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।

এবিএম আব্দুস সাত্তার একজন প্রশাসনিক পেশাজীবী হিসেবে দেশের সেবায় নিবেদিতপ্রাণ। তার এই নতুন দায়িত্ব দেশের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে ধরা হচ্ছে। সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে তার অভিজ্ঞতা, সততা ও দক্ষতা তাকে এই পদে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করার যোগ্যতা প্রদান করেছে।

সামগ্রিকভাবে বলা যায়, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব হিসেবে এবিএম আব্দুস সাত্তারকে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত দেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা, দক্ষতা ও সুশাসনের প্রতি সরকারের অঙ্গীকারকে দৃঢ় করবে। এই পদে তার দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে প্রশাসনিক নীতি প্রণয়নে কার্যকরী নেতৃত্ব নিশ্চিত হবে এবং জনসেবা আরও গতিশীল ও স্বচ্ছভাবে পৌঁছানো সম্ভব হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত