কাল ৩ মার্চ থেকে ট্রেনের ঈদ অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬
  • ৪৪ বার
ঈদ ট্রেন অগ্রিম টিকিট বাংলাদেশ

প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ ভাগাভাগি করতে বাংলাদেশ রেলওয়ে আগামীকাল মঙ্গলবার (৩ মার্চ) থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করবে। প্রথম ধাপে ১৩ মার্চের ট্রেনের জন্য অনলাইন ও কাউন্টার থেকে টিকিট পাওয়া যাবে। পূর্বাঞ্চল রেলের সব রুটে বিক্রি শুরু হবে দুপুর ২টায়, যাতে যাত্রীরা সহজে টিকিট সংগ্রহ করতে পারেন। এবারও শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি হবে, যা যাত্রীদের জন্য সুবিধাজনক এবং দীর্ঘ সময়ের অপেক্ষা কমাবে।

বাংলাদেশ রেলওয়ে জানিয়েছে, এবারের ঈদে যাত্রীদের চাপ সামাল দিতে পাঁচ জোড়া বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। দেশের মানুষ পছন্দের যাত্রার মাধ্যমে প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে ট্রেনকে একটি নিরাপদ ও আরামদায়ক পরিবহন মাধ্যম হিসেবে বেছে নিচ্ছেন। রেলওয়ের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত যাত্রী চাপ সামাল দিতে বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে যাত্রীরা স্বাচ্ছন্দ্যে এবং নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন।

পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে ৫৪টি আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করবে। পশ্চিমাঞ্চলের রাজশাহী, রংপুর এবং খুলনা বিভাগের জন্য পরিচালনা করা হবে ৫৮টি আন্তঃনগর ট্রেন। অগ্রিম বিক্রির সময়সূচি অনুযায়ী, ৪ মার্চ ১৪ মার্চের, ৫ মার্চ ১৫ মার্চের, ৬ মার্চ ১৬ মার্চের, ৭ মার্চ ১৭ মার্চের, ৮ মার্চ ১৮ মার্চের এবং ৯ মার্চ ১৯ মার্চের ট্রেনের টিকিট পাওয়া যাবে। এছাড়া ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ময়দানের ঈদের জামাত উপলক্ষে ভৈরব বাজার-কিশোরগঞ্জ রুটে ৫ জোড়া বিশেষ ট্রেন চলাচল করবে।

ঈদে যাত্রী চলাচলের নিরাপত্তা সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হবে। কমলাপুর রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার জানিয়েছেন, নতুন সরকারের যাত্রায় এবার সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করা হবে। অনলাইন টিকিট প্রাপ্তিতে কোনো জটিলতা এড়াতে পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনের জন্য আলাদা সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া পাহাড়তলী ওয়ার্কশপ থেকে ৪৭টি এমজি কোচ সার্ভিসে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং ঈদ যাত্রার দিনে কাউন্টারে ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিটের ব্যবস্থা রাখা হবে। শিডিউল বজায় রাখতে ইঞ্জিন বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।

টিকিট কাটার প্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছভাবে চালানোর জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইট এবং অ্যাপে বিস্তারিত নির্দেশনা রয়েছে। ব্যবহারকারী প্রথমে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করবেন, ওটিপি যাচাই করবেন এবং লগইন করার পর কাঙ্ক্ষিত তারিখ, স্টেশন, গন্তব্য এবং শ্রেণি নির্বাচন করে টিকিট কিনতে পারবেন। পেমেন্ট ভিসা, মাস্টার কার্ড বা বিকাশে করা যাবে। পেমেন্টের পর ই-টিকিট ডাউনলোড হবে এবং যাত্রীর ইমেইলে পাঠানো হবে।

যাত্রীদের নিরাপদ, আরামদায়ক এবং সময়মতো যাত্রা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রতিনিয়ত প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিশেষ করে ঈদুল ফিতরের মতো ব্যস্ত সময়ে ট্রেন যাত্রার সুবিধা এবং টিকিট প্রাপ্তি সহজ করার জন্য সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এই উদ্যোগে দেশের যাত্রীদের জন্য স্বাচ্ছন্দ্য এবং নিরাপত্তার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com