প্রকাশ: ২৮শে জুলাই’ ২০২৫ । নিজস্ব সংবাদদাতা । একটি বাংলাদেশ অনলাইন
গাজায় ইসরায়েলের লাগাতার হামলায় ফিলিস্তিনি নারী ও শিশুর প্রাণহানি থামছেই না। প্রতিদিন নির্বিচারে হামলা চালিয়ে গাজার পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলছে ইসরায়েল। এই মানবিক বিপর্যয় ও নৃশংসতার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে ইসরায়েলকে কড়া ভাষায় নিন্দা জানিয়েছে পাকিস্তান ও তুরস্কের শীর্ষ কূটনীতিকরা।
সোমবার (২৮ জুলাই) জিও নিউজ এক প্রতিবেদনে জানায়, রোববার পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেনেটর মোহাম্মদ ইসহাক দার তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। সেই আলোচনায় গাজায় চলমান সহিংসতা, ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি এবং অসংখ্য নিরীহ মানুষের প্রাণহানি নিয়ে উভয় নেতা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা এসব কর্মকাণ্ডকে ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ বলে অভিহিত করে দৃঢ়ভাবে নিন্দা জানান।
দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনে করেন, যত দ্রুত সম্ভব যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা অত্যন্ত জরুরি এবং গাজায় বাধাহীনভাবে মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করতে হবে। তারা আরও বলেন, একটি ন্যায্য, স্থায়ী ও ব্যাপক শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমন্বিত ও ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায্য অধিকারের প্রতি অবিচল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে পাকিস্তান ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জাতিসংঘে অনুষ্ঠিতব্য দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়ন সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সম্মেলন থেকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ও অগ্রগতি প্রত্যাশা করেছেন।
পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, গাজার চলমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় মুসলিম বিশ্বের কূটনৈতিক অবস্থান আরও শক্তিশালী করা এখন সময়ের দাবি। পাকিস্তান ও তুরস্কের এই যৌথ বিবৃতি সেই প্রচেষ্টাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।