আব্বাসের সতর্কবার্তা, গাজা রোডম্যাপে হামাসের প্রস্তুতি

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৯ বার
আব্বাসের সতর্কবার্তা, গাজা রোডম্যাপে হামাসের প্রস্তুতি

প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

ফিলিস্তিনের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে সতর্কবার্তা দিয়েছেন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। তাঁর অভিযোগ, ইসরায়েলের বর্তমান নীতি এখন আর শুধু দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনাকে দুর্বল করছে না, বরং ফিলিস্তিনিদের জীবন ও অস্তিত্বের ওপরও হুমকি তৈরি করছে। গাজায় চলমান যুদ্ধ, ব্যাপক ধ্বংস, বাস্তুচ্যুতি ও মানবিক সংকটের প্রেক্ষাপটে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে আব্বাসের একটি পূর্বে ধারণ করা ভিডিও বক্তব্য প্রচার করা হয়। রামাল্লায় নিজের কার্যালয় থেকে তিনি বক্তব্যটি রেকর্ড করেন। টানা দ্বিতীয় বছরের মতো যুক্তরাষ্ট্র ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিদলকে সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নেওয়ার জন্য ভিসা না দেওয়ায় আব্বাস সরাসরি নিউইয়র্কে উপস্থিত হতে পারেননি। এর পরিবর্তে তাঁর রেকর্ড করা বক্তব্য সাধারণ পরিষদে প্রচার করা হয়।

বক্তব্যে আব্বাস বলেন, ফিলিস্তিনিরা তাদের ইতিহাসের অন্যতম কঠিন ও বিপজ্জনক সময় পার করছে। বিশেষ করে গাজা উপত্যকার পরিস্থিতিকে তিনি নজিরবিহীন মানবিক বিপর্যয় হিসেবে বর্ণনা করেন। তাঁর বক্তব্যে যুদ্ধের কারণে প্রাণহানি, ব্যাপক ধ্বংস, অনাহার এবং মানুষের বাস্তুচ্যুত হওয়ার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।

গাজার মানুষের জীবনযাত্রার ওপর যুদ্ধের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন আব্বাস। তাঁর অভিযোগ, ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের কারণে আবাসিক এলাকা ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর পাশাপাশি স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য নাগরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। তাঁর মতে, এর ফলে শুধু বর্তমান প্রজন্মের স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হচ্ছে না, বরং শিশু ও তরুণদের ভবিষ্যৎও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ছে।

যুদ্ধের মানবিক ক্ষতির বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আব্বাস বলেন, একটি সমাজের টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেলে যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরও মানুষের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা কঠিন হয়ে পড়ে। হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, আবাসন এবং অন্যান্য নাগরিক অবকাঠামো পুনর্গঠন করতে দীর্ঘ সময় ও বিপুল সম্পদের প্রয়োজন হয়। ফলে যুদ্ধবিরতি হলেও গাজার মানুষের সামনে পুনর্গঠন ও পুনর্বাসনের বড় চ্যালেঞ্জ থেকে যাবে।

ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট একই সঙ্গে গাজা ও অধিকৃত পশ্চিম তীরের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও তাঁর অবস্থান তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, গাজা উপত্যকা ও পশ্চিম তীরকে একটি একক ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের অধীনে পুনরায় একত্রিত করা প্রয়োজন। এ জন্য একটি বৈধ ও একক নিরাপত্তা বাহিনী থাকা উচিত এবং যেকোনো অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা শেষে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

আব্বাসের বক্তব্যে ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক ব্যবস্থার সংস্কারের বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ আগামী ২৮ নভেম্বর আইনসভা নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা করছে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে এটি প্রায় দুই দশকের মধ্যে ফিলিস্তিনিদের প্রথম আইনসভা নির্বাচন হবে।

তবে নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে বিভক্ত। গাজার নিয়ন্ত্রণ ও পশ্চিম তীরের প্রশাসনিক ব্যবস্থার মধ্যে পার্থক্য থাকায় একটি অভিন্ন রাজনৈতিক কাঠামোর অধীনে নির্বাচন আয়োজন করা সহজ নয়। আব্বাস নিজেও তাঁর বক্তব্যে জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন।

২০০৫-০৬ সালের সময়কালে হামাস গাজার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকে ফিলিস্তিনে নতুন করে আইনসভা বা প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। দীর্ঘ সময় ধরে নির্বাচনী প্রক্রিয়া স্থবির থাকায় রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব, প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈধতা এবং জনগণের অংশগ্রহণ নিয়ে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। আব্বাস বলেছেন, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ জনগণ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে যে জাতীয় সংস্কার কর্মসূচির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা সম্পন্ন করেছে।

এই রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেই গাজার ভবিষ্যৎ প্রশাসন এবং যুদ্ধ-পরবর্তী ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। আব্বাস যেখানে গাজা ও পশ্চিম তীরকে একটি একক ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের অধীনে আনার কথা বলছেন, সেখানে গাজায় সক্রিয় হামাসও যুদ্ধ-পরবর্তী একটি পরিকল্পনা নিয়ে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে।

হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, গাজায় যুদ্ধ শেষ করতে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত ‘বোর্ড অব পিস’-এর সঙ্গে সম্মত হওয়া ১৫ দফা রোডম্যাপ বাস্তবায়নে তাদের দল প্রস্তুত। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এই পরিকল্পনার আওতায় হামাস ও অন্যান্য ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীর নিরস্ত্রীকরণ, গাজার প্রশাসনিক দায়িত্ব একটি ফিলিস্তিনি জাতীয় কমিটির কাছে হস্তান্তর এবং ধাপে ধাপে গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের বিষয় রয়েছে।

হামাসের এই অবস্থান গাজার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা কাঠামো নিয়ে আলোচনাকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। কারণ যুদ্ধের অবসানের পাশাপাশি কে গাজা পরিচালনা করবে, নিরাপত্তা ব্যবস্থার দায়িত্ব কার হাতে থাকবে, বিভিন্ন ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীর অস্ত্রের ভবিষ্যৎ কী হবে এবং ইসরায়েলি বাহিনীর প্রত্যাহার কোন পর্যায়ে ও কীভাবে সম্পন্ন হবে—এসব প্রশ্ন যুদ্ধ-পরবর্তী যেকোনো রাজনৈতিক সমঝোতার কেন্দ্রীয় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

হাজেম কাসেম দাবি করেছেন, রোডম্যাপ বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হামাস প্রস্তুত রয়েছে। তবে একই সঙ্গে তাঁর অভিযোগ, ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা বাড়ানোর পাশাপাশি যুদ্ধবিরতি চুক্তি ও গাজা রোডম্যাপের প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে। এসব অভিযোগ হামাসের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে এবং এর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অন্য পক্ষের অবস্থানও রয়েছে।

হামাসের মুখপাত্র আরও অভিযোগ করেছেন, ‘বোর্ড অব পিস’ এবং গাজার জন্য সংস্থাটির উচ্চ প্রতিনিধি নিকোলাই ম্লাদেনভ ইসরায়েলকে চুক্তির শর্ত বাস্তবায়নে বাধ্য করতে ব্যর্থ হয়েছেন। এর ফলে যুদ্ধবিরতি ও যুদ্ধ-পরবর্তী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

অন্যদিকে আব্বাসের বক্তব্যে মূল গুরুত্ব ছিল ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ এবং রাজনৈতিক ঐক্যের ওপর। তাঁর মতে, গাজা ও পশ্চিম তীরকে আলাদা রাজনৈতিক বাস্তবতায় রেখে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান সম্ভব নয়। একটি একক ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য দুই ভূখণ্ডের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে ঐক্য প্রয়োজন।

দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনা থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে এর বাস্তবায়ন আরও জটিল হয়ে উঠেছে। গাজায় ব্যাপক ধ্বংস, পশ্চিম তীরে নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক উত্তেজনা, বসতি সম্প্রসারণ নিয়ে বিরোধ, ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক বিভাজন এবং ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের দীর্ঘস্থায়ী চরিত্র—সবকিছু মিলিয়ে ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমাধানের পথ কঠিন হয়ে রয়েছে।

গাজার সাধারণ মানুষের জন্য পরিস্থিতির সবচেয়ে বড় বাস্তবতা হলো নিরাপত্তাহীনতা ও অনিশ্চয়তা। দীর্ঘ সংঘাতে ঘরবাড়ি হারানো পরিবারগুলোকে পুনর্বাসন, শিশুদের শিক্ষায় ফেরানো, স্বাস্থ্যব্যবস্থা পুনর্গঠন এবং খাদ্য ও মৌলিক সেবা নিশ্চিত করা—এসব কাজ যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরও বিশাল চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকবে। রাজনৈতিক সমাধানের পাশাপাশি এসব মানবিক প্রশ্নেরও কার্যকর সমাধান প্রয়োজন হবে।

আব্বাসের বক্তব্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তিনি ফিলিস্তিনি জনগণের রাজনৈতিক অধিকার এবং রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষার প্রতি আন্তর্জাতিক সমর্থন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁর বক্তব্যে ফিলিস্তিনি প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনর্গঠন এবং নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের সুযোগ তৈরির বিষয়টি উঠে এসেছে।

অন্যদিকে হামাসের ১৫ দফা রোডম্যাপ বাস্তবায়নে প্রস্তুতির ঘোষণা যুদ্ধ-পরবর্তী গাজার প্রশাসন ও নিরাপত্তা কাঠামো নিয়ে আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তবে পরিকল্পনাটি বাস্তবে কীভাবে কার্যকর হবে, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে কতটা সমঝোতা তৈরি হবে এবং নিরস্ত্রীকরণ, প্রশাসনিক ক্ষমতা হস্তান্তর ও সেনা প্রত্যাহারের মতো জটিল বিষয়গুলো কীভাবে সমাধান হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে ফিলিস্তিন প্রশ্নের সামনে একই সঙ্গে কয়েকটি বড় বাস্তবতা রয়েছে। একদিকে গাজায় যুদ্ধ ও মানবিক সংকটের অবসান প্রয়োজন, অন্যদিকে যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠন এবং প্রশাসনিক কাঠামো নির্ধারণ করতে হবে। একই সঙ্গে গাজা ও পশ্চিম তীরের রাজনৈতিক ঐক্য, ফিলিস্তিনি নির্বাচন এবং দীর্ঘমেয়াদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রশ্নও সামনে রয়েছে।

মাহমুদ আব্বাসের জাতিসংঘ বক্তব্য এবং হামাসের রোডম্যাপ বাস্তবায়নের প্রস্তুতির ঘোষণা তাই ফিলিস্তিনের ভবিষ্যৎ নিয়ে চলমান আলোচনার দুটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেছে। আব্বাস যেখানে একটি একক ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক ঐক্যের ওপর জোর দিয়েছেন, হামাস সেখানে যুদ্ধের অবসান ও গাজার ভবিষ্যৎ প্রশাসন নিয়ে প্রস্তাবিত পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে।

তবে এসব উদ্যোগ বাস্তবে কতটা এগোয়, তা নির্ভর করবে ইসরায়েল, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ, হামাস এবং সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক পক্ষগুলোর মধ্যে সমঝোতার ওপর। যুদ্ধবিরতি কার্যকর ও স্থায়ী করা, গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছানো, ধ্বংস হওয়া অবকাঠামো পুনর্গঠন এবং একটি গ্রহণযোগ্য রাজনৈতিক কাঠামো তৈরি—প্রতিটি ক্ষেত্রেই বড় ধরনের কূটনৈতিক ও বাস্তব চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

সবশেষে, আব্বাসের বক্তব্যে যে সতর্কবার্তা উঠে এসেছে তার কেন্দ্রবিন্দু হলো ফিলিস্তিনিদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ও অস্তিত্বের প্রশ্ন। আর হামাসের বক্তব্য সামনে এনেছে যুদ্ধ শেষ করার পাশাপাশি গাজার ভবিষ্যৎ প্রশাসন ও নিরাপত্তা কাঠামো নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা। ফলে ফিলিস্তিন সংকটের পরবর্তী পর্যায়ে সামরিক সংঘাতের অবসানের পাশাপাশি রাজনৈতিক ঐক্য, নির্বাচন, পুনর্গঠন এবং দীর্ঘমেয়াদি শান্তির পথ তৈরি করাই সবচেয়ে বড় আলোচ্য হয়ে উঠতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত