অভিযোগের জেরে গ্রিসের রাষ্ট্রদূতকে সরাচ্ছেন ট্রাম্প

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১১ বার
অভিযোগের জেরে গ্রিসের রাষ্ট্রদূতকে সরাচ্ছেন ট্রাম্প

প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে গ্রিসে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত কিম্বারলি গিলফয়েলকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার ঘটনা। অর্থ, উপহার ও ব্যক্তিগত সুবিধার বিনিময়ে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠার পর তাঁর বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত একাধিক প্রতিবেদনে গিলফয়েলের কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলার পর বিষয়টি হোয়াইট হাউসের নজরে আসে। এর পরই তাঁর দায়িত্বে থাকা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।

ঘটনাটি শুধু একজন কূটনীতিকের পদ হারানোর বিষয় নয়; বরং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে ব্যক্তিগত সম্পর্কের ভূমিকা, রাষ্ট্রদূতদের জবাবদিহি এবং গুরুত্বপূর্ণ মিত্রদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পরিচালনার প্রশ্নও সামনে নিয়ে এসেছে। বিশেষ করে গ্রিসের মতো কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ন্যাটো সদস্যদেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তাৎপর্য পেয়েছে। তবে গিলফয়েল তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং নিজের সুনাম রক্ষায় লড়াই করার ঘোষণা দিয়েছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত সোমবার সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, গিলফয়েলকে বরখাস্ত করার বিষয়টি তিনি বিবেচনা করছেন। পরদিন মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, গিলফয়েল ভালো কাজ করছিলেন, কিন্তু তাঁর সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যগুলো প্রশাসনের পছন্দ হয়নি। ট্রাম্পের এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রদূতের ভবিষ্যৎ নিয়ে হোয়াইট হাউসের অসন্তোষ প্রকাশ্যে আসে।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি কেটি জাকারাইয়া মঙ্গলবার এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে গিলফয়েলকে পদত্যাগ করতে বলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি গিলফয়েলকে প্রশাসনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করে তাঁর ভবিষ্যৎ জীবনের সাফল্য কামনা করেন। তবে অভিযোগগুলোর প্রতিটি বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। ফলে ঠিক কোন অভিযোগকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, তা পুরোপুরি স্পষ্ট নয়।

গিলফয়েল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর প্রতি নিজের কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা অটুট থাকার কথা জানিয়েছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্বের অবসান ঘটলেও ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ আন্দোলন এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি তাঁর অঙ্গীকার শেষ হবে না। একই সঙ্গে নিজের নাম, সুনাম ও সততা রক্ষায় জোরালোভাবে লড়াই করার কথাও বলেছেন তিনি।

গিলফয়েলকে ঘিরে বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে ট্রাম্প প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ করে দেওয়ার বিনিময়ে অর্থ বা অন্যান্য সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে গত মাস থেকে প্রকাশিত একাধিক প্রতিবেদনে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্ক, ব্যবসায়িক যোগাযোগ এবং রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালনের ধরন নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এসব প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগগুলোই শেষ পর্যন্ত তাঁর পদ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরিতে ভূমিকা রেখেছে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদনে গ্রিসের একটি জ্বালানি কোম্পানির লবিস্টের সঙ্গে গিলফয়েলের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং ওই কোম্পানির স্বার্থে তাঁর প্রচারণার বিষয়টি তুলে ধরা হয়। অভিযোগটি গুরুত্বপূর্ণ এ কারণে যে, একজন রাষ্ট্রদূতের দায়িত্বের মধ্যে নিজ দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ এগিয়ে নেওয়া থাকলেও সেই দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও সম্ভাব্য স্বার্থের সংঘাতের বিষয়টি স্পষ্ট থাকা প্রয়োজন। কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে রাষ্ট্রদূতের তৎপরতা থাকলে তা সরকারি নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না এবং সেখানে ব্যক্তিগত সুবিধার কোনো ভূমিকা রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।

আরেকটি প্রতিবেদনে বলা হয়, সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ট্রাম্পের ছেলে এরিক ট্রাম্পের সম্মানে আয়োজিত একটি নৈশভোজে আমন্ত্রণ পাওয়ার চেষ্টা করার সময় গিলফয়েল ধনী গ্রিক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে একটি অডিও রেকর্ডিংয়ের কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তবে এসব অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য যাচাই করা জরুরি।

মার্কিন ব্যবসায়ী এরিক ডিটার্স ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে বলেছেন, গিলফয়েল অর্থের বিনিময়ে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ করে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। ডিটার্সের আরও অভিযোগ, একপর্যায়ে গিলফয়েল তাঁর কাছে ক্রেডিট কার্ডের এক লাখ ডলারের বিল পরিশোধ করার অনুরোধ করেছিলেন। অভিযোগটি গুরুতর হলেও এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত তদন্তের ফলাফল বা আদালতের সিদ্ধান্তের তথ্য প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। তাই অভিযোগকে প্রমাণিত অপরাধ হিসেবে উপস্থাপন করার সুযোগ নেই।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এথেন্সে মার্কিন দূতাবাসের কর্মীদের কাছ থেকে পাওয়া অনুপযুক্ত আচরণসংক্রান্ত অভিযোগও খতিয়ে দেখছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অভ্যন্তরীণ তদারকি বিভাগ। তবে তদন্তের সুনির্দিষ্ট পরিধি, অভিযোগের প্রকৃতি কিংবা এর ফলাফল সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। গ্রিস সরকারও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এবং এথেন্সে মার্কিন দূতাবাসের কাছে বক্তব্য জানতে চাওয়া হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

গিলফয়েলের পদত্যাগের ঘটনা এমন এক সময়ে সামনে এসেছে, যখন গ্রিস যুক্তরাষ্ট্রের জন্য পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার। ন্যাটোর সদস্য হিসেবে গ্রিস আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং সামরিক সহযোগিতায় ভূমিকা রাখে। দেশটি যুক্তরাষ্ট্রকে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা ব্যবহারের সুযোগ দেয়। পাশাপাশি লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি সামুদ্রিক অভিযানের নেতৃত্বও দিচ্ছে গ্রিস।

এ ধরনের সহযোগিতার কারণে এথেন্সে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব কেবল আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক যোগাযোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সামরিক সহযোগিতা, জ্বালানি নিরাপত্তা, বাণিজ্য, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক সংকট মোকাবিলার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও রাষ্ট্রদূতকে কাজ করতে হয়। ফলে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিকে ঘিরে বিতর্ক দেখা দিলে তা দুই দেশের পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার পরিবেশে প্রভাব ফেলতে পারে।

গত সপ্তাহে গ্রিস সফরের সময় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও দুই দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে সন্ত্রাসবাদ দমনে তথ্য বিনিময়ের নতুন উদ্যোগের কথা জানিয়েছিলেন। এই উদ্যোগ দুই দেশের নিরাপত্তা সহযোগিতার ধারাবাহিকতা তুলে ধরে। রাষ্ট্রদূতকে ঘিরে বিতর্কের মধ্যেও এসব সহযোগিতামূলক কার্যক্রম কতটা স্বাভাবিকভাবে এগিয়ে যাবে, তা পর্যবেক্ষণের বিষয় হয়ে উঠেছে।

দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই গিলফয়েল গ্রিসের সংবাদমাধ্যম ও জনপরিসরে আলোচনায় ছিলেন। তিনি ভোগ গ্রিস ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে জায়গা পেয়েছিলেন এবং গ্রিসের বিভিন্ন পরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন। তাঁর এই প্রকাশ্য উপস্থিতি তাঁকে স্থানীয়ভাবে পরিচিত করে তুললেও একজন কূটনীতিকের ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ড এবং সরকারি দায়িত্বের মধ্যকার সীমারেখা নিয়েও আলোচনা তৈরি হয়েছিল।

রাষ্ট্রদূত হিসেবে গিলফয়েল যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি খাতের স্বার্থ এগিয়ে নেওয়ার বিভিন্ন উদ্যোগে সক্রিয় ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্র থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি এবং এক্সনমবিলসহ বিভিন্ন কোম্পানির তেল-গ্যাস অনুসন্ধানসংক্রান্ত চুক্তি ছিল তাঁর কর্মকাণ্ডের উল্লেখযোগ্য অংশ। জ্বালানি সহযোগিতা যুক্তরাষ্ট্র ও গ্রিস উভয়ের জন্যই অর্থনৈতিক ও কৌশলগত গুরুত্ব বহন করে। তবে রাষ্ট্রীয় স্বার্থে বাণিজ্যিক উদ্যোগ এগিয়ে নেওয়া এবং ব্যক্তিগতভাবে কোনো প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ রক্ষার মধ্যে পার্থক্য বজায় রাখা কূটনৈতিক দায়িত্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

গিলফয়েলের দায়িত্ব পালনকালে আরেকটি উল্লেখযোগ্য বিতর্ক তৈরি হয়েছিল চীনের মালিকানাধীন গ্রিসের পিরেয়ুস বন্দরকে কেন্দ্র করে। গত বছরের নভেম্বরে গ্রিসে পৌঁছানোর পর স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া প্রথম সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, চীনের উচিত বন্দরটিতে থাকা তাদের ৬৭ শতাংশ মালিকানা বিক্রি করে দেওয়া। পিরেয়ুস বন্দর চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।

গিলফয়েলের ওই বক্তব্যের জবাবে গ্রিসে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ফাং চিউ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সেকেলে ও ক্ষতিকর মানসিকতা এবং আধিপত্যবাদী মনোভাবের অভিযোগ তুলেছিলেন। এই পাল্টাপাল্টি বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, গ্রিস শুধু যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা সহযোগিতার অংশীদার নয়; দেশটি চীনসহ বিভিন্ন বৈশ্বিক শক্তির অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থের সঙ্গেও যুক্ত। ফলে এথেন্সে মার্কিন প্রতিনিধির বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে প্রভাব ফেলতে পারে।

গিলফয়েলকে পদত্যাগ করতে বলার ঘটনায় গ্রিসের বিরোধী দল পাসোকের পররাষ্ট্রবিষয়ক মুখপাত্র দিমিত্রিস মানৎসোসও প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় এমন কিছু প্রশ্ন তৈরি হয়েছে, যেগুলোর উত্তর এখনো পাওয়া যায়নি। গ্রিক কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ব্যাখ্যা চাইবেন কি না, সে বিষয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর উদ্বেগের কেন্দ্রে রয়েছে, গ্রিসের মতো একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র বাইরের শক্তিগুলোর স্বার্থের দ্বন্দ্বে কতটা স্বাধীনভাবে নিজের অবস্থান নির্ধারণ করতে পারবে।

সব মিলিয়ে গিলফয়েলকে ঘিরে বিতর্কের পরিণতি এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর সত্যতা, সম্ভাব্য তদন্তের ফলাফল এবং পদত্যাগের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও তথ্য সামনে আসা প্রয়োজন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও গ্রিসের দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা, জ্বালানি ও কূটনৈতিক সহযোগিতা কীভাবে এগিয়ে যায়, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

একজন রাষ্ট্রদূতের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তা শুধু ব্যক্তিগত সুনামের প্রশ্নে সীমাবদ্ধ থাকে না; সরকারি দায়িত্বের স্বচ্ছতা, কূটনৈতিক আস্থার ভিত্তি এবং রাষ্ট্রীয় স্বার্থের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কের সীমারেখাও সামনে আসে। গিলফয়েল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, আর প্রশাসন তাঁর দায়িত্বের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। এখন অভিযোগের যথাযথ যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর স্পষ্ট বক্তব্যই নির্ধারণ করবে, এই বিতর্কের পরবর্তী অধ্যায় কোন দিকে এগোয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com