প্রকাশ: ২৩ নভেম্বর ২০২৫। একটি বাংলাদেশ ডেস্ক। একটি বাংলাদেশ অনলাইন।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে দূতাবাসে সশস্ত্র বাহিনী দিবস আয়োজন করা হলো । স্থানীয় সময় শুক্রবার সন্ধ্যায় দূতাবাসের নিজস্ব মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনীতিক, পেন্টাগন ও স্টেট ডিপার্টমেন্টের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তারা, ডিফেন্স অ্যাটাচে ও যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের প্রতিনিধিরা। সমৃদ্ধ উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিকে কূটনৈতিক মর্যাদা ও তাৎপর্য আরও বৃদ্ধি করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মার্কিন সেনাবাহিনীর সিনিয়র জজ অ্যাডভোকেট জেনারেল (জেএজি) মেজর জেনারেল ববি লি ক্রিস্টিন। তিনি বক্তব্যে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন এবং জানান, জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অবদান বিশ্বজুড়ে সম্মানিত। উন্নত প্রশিক্ষণসহ দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন মেজর জেনারেল ক্রিস্টিন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম। তিনি বলেন, সশস্ত্র বাহিনী শুধু দেশের প্রতিরক্ষা নয়, শান্তি, মর্যাদা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। বিশ্ব শান্তি মিশনে জীবন বাজি রেখে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা বাংলাদেশের সম্মান আরও উজ্জ্বল করে তুলছে। অনুষ্ঠানে দূতাবাসের ডিফেন্স অ্যাটাচে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন খান যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, বহু বছর ধরে দুই দেশের মধ্যে তথ্য বিনিময়, পেশাগত উন্নয়ন, উচ্চতর প্রশিক্ষণ ও সামরিক সহযোগিতা সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কে পরিণত হয়েছে, যা ভবিষ্যতে আরও সমৃদ্ধ হবে।
তিনি ১৯৭১ সালের শহীদ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন এবং ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবে নিহত ও আহতদের প্রতিও সম্মান জানান। অনুষ্ঠান শেষে বিশেষ কেক কাটা ও নৈশভোজের মধ্য দিয়ে উদ্যাপন শেষ হয়। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন দূতাবাসের কাউন্সেলর (লোকাল) নাজনীন সুলতানা।