সর্বশেষ :
কক্সবাজারে ৪ পর্যটকের সাগরে প্রানহানি, এখনও নিখোঁজ ১ ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু অসুস্থ: উন্নত চিকিৎসায় বিএমইউতে স্থানান্তর রংপুরের গঙ্গাচড়ায় বিড়ির বাজার দখল কেন্দ্রিক কোন্দলে বিএনপি অফিসে ভাঙচুর ‘ইশরাক পোষ্য কোটায় রাজনীতিতে এসেছেন, অভিজ্ঞতার ঘাটতি রয়েছে’: নিলোফার চৌধুরী খুলনার দাকোপে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফেক নিউজ নিয়ন্ত্রণে আইনি পদক্ষেপ ও বাকস্বাধীনতার ভারসাম্য চান তথ্যমন্ত্রী ‘ক্ষমতাহীন নাগরিকই শাসকদলের চাঁদাবাজির শিকার’: হাসনাত আবদুল্লাহ সৌদি আরবের দাম্মাম বিমানবন্দরে ভয়াবহ হামলা: নিহত ১, আহত ৮ গাজীপুরে গভীর রাতে বিধ্বংসী আগুন: পুড়ল মসজিদ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নভেম্বরের শুরুতে স্কুল-কলেজে মিলতে পারে টানা ৩ দিনের ছুটি

গাজীপুরে গভীর রাতে বিধ্বংসী আগুন: পুড়ল মসজিদ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৫ বার
গাজীপুরে গভীর রাতে বিধ্বংসী আগুন: পুড়ল মসজিদ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান

প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

গভীর রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে হুট করেই চারপাশ ছেয়ে গেল লেলিহান শিখা আর কুণ্ডলী পাকানো কালো ধোঁয়ায়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের তীব্র উত্তাপ ও ভয়াভয়তায় আশপাশের মানুষের ঘুমের ঘোর ভেঙে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার চন্নাপাড়া গ্রামের ২ নম্বর সিঅ্যান্ডবি বাজারে ঘটে যাওয়া এক মর্মান্তিক ও ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে স্থানীয় একটি মসজিদ, একাধিক দোকানপাট এবং বিভিন্ন মালামালের গুদাম। সব হারিয়ে অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দা আজ দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। অগ্নিকাণ্ডের শিকার এসব পরিবারের আহাজারি আর কান্নায় পুরো এলাকার বাতাস এক ভারী ও করুণ পরিবেশে রূপ নিয়েছে। গতকাল বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে স্থানীয়দের অস সতর্কতায় নাকি কোনো বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে অগ্নিকাণ্ডের এই হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রের বিবরণ অনুযায়ী, যখন পুরো এলাকার মানুষ গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, ঠিক তখনই বাজারে হঠাৎ করে আগুনের সূত্রপাত হয়। দাহ্য পদার্থ ও শুষ্ক মালামাল বেশি থাকায় খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আগুনের শিখা চারদিকে দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। স্থানীয় বাসিন্দারা আগুন জ্বলতে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং দ্রুত তা নেভানোর জন্য যে যেভাবে পেরেছেন বালতি, পানি ও বালু নিয়ে ছুটে আসেন। তবে আগুনের ভয়াবহ তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে সাধারণ মানুষের পক্ষে তা প্রাথমিক পর্যায়ে নিয়ন্ত্রণে আনা একপ্রকার অসম্ভব হয়ে পড়ে। আগুন একে একে গ্রাস করে নেয় স্থানীয় স্যানিটারি দোকান, কয়েকটি মুরগির দোকান, ঝুট ও তুলার গুদামসহ একটি ভাঙারির দোকানকে। অগ্নিকাণ্ডের সবচেয়ে বেদনাদায়ক দিকটি হলো, লেলিহান শিখার গ্রাস থেকে রক্ষা পায়নি স্থানীয়দের পবিত্র উপাসনালয় মসজিদটিও। আল্লাহর ঘর এবং বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চোখের সামনে পুড়ে ছাই হতে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন স্থানীয় মুসলিম ধর্মপ্রাণ জনগণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।

আগুনের তীব্রতা ও ভয়াবহতার ভয়ানক বিবরণ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের তরফ থেকে দ্রুত ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সকে খবর দেওয়া হয়। খবর পাওয়ার সাথে সাথেই শ্রীপুর ফায়ার স্টেশনের প্রথম দুটি ইউনিট দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। তবে বাজারে ঝুট, তুলা ও স্যানিটারি সামগ্রীর মতো অতি দাহ্য পদার্থ মজুত থাকার কারণে আগুনের তীব্রতা ক্রমেই বাড়তে থাকে, যা ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক প্রচেষ্টাকে বেশ চ্যালেঞ্জিং করে তোলে। পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করার আশঙ্কায় শ্রীপুর ফায়ার স্টেশন থেকে আরও একটি ইউনিট এবং পার্শ্ববর্তী রাজেন্দ্রপুর মডার্ন ফায়ার স্টেশন থেকে আরও একটি ইউনিট তাৎক্ষণিকভাবে এসে যোগ দেয়।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার নুরুল করিম জানান, রাত ৩টা ৫৫ মিনিটের দিকে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পান। বার্তা পাওয়ার পরপরই তাদের দক্ষ ও সাহসী ফায়ার ফাইটার দল দ্রুততম সময়ে চন্নাপাড়া গ্রামের ২ নম্বর সিঅ্যান্ডবি বাজারে পৌঁছায়। ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিটের উদ্ধার কর্মীদের নিরলস ও চরম ঝুঁকিপূর্ণ চেষ্টার পর প্রায় দুই ঘণ্টা পর ভোর ৫টা ৪৮ মিনিটের দিকে অবশেষে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে কয়েকলক্ষ টাকার বেশি মূল্যের সম্পদ ও বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তবে ফায়ার সার্ভিসের সময়োপযোগী ও তৎপর পদক্ষেপের কারণে আশপাশের আরও বহু দোকানপাট ও বসতবাড়ি আগুনের ভয়াবহ ধ্বংসলীলা থেকে রক্ষা পেয়েছে বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।

প্রাথমিক তদন্তে এ ঘটনায় কোনো ধরনের প্রাণহানি কিংবা কোনো ব্যক্তির আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি, যা এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের মাঝে এক পরম স্বস্তির বিষয়। কিন্তু অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও সর্বস্ব হারানো মানুষগুলোর অর্থনৈতিক ক্ষতি অপূরণীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকে তাদের জীবনের সমস্ত সঞ্চয় ও ঋণ করা মূলধন বিনিয়োগ করেছিলেন এসব দোকানে। সব হারিয়ে এখন খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়েছেন তারা। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী ক্ষতিগ্রস্ত এসব ব্যবসায়ীদের জন্য এবং পুড়ে যাওয়া মসজিদটি দ্রুত পুনর্নির্মাণের জন্য সরকারি ও বেসরকারি জরুরি সহায়তার আকুল আবেদন জানিয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, যখন পুরো এলাকার মানুষ গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, ঠিক তখনই বাজারের একটি অংশ থেকে হঠাৎ করে আগুনের সূত্রপাত হয়। বাজারে ঝুট ও তুলার মতো দাহ্য পদার্থ এবং অন্যান্য শুষ্ক মালামাল মজুত থাকার কারণে আগুনের তীব্র শিখা খুব অল্প সময়ের মধ্যেই চারদিকে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। স্থানীয় বাসিন্দারা আগুন জ্বলতে দেখে চারদিকে দিগ্বিদিক ছুটাছুটি শুরু করেন এবং ভয়াবহ এই আগুন নেভানোর জন্য যে যেভাবে পেরেছেন বালতি, পানি ও বালু নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। কিন্তু আগুনের ভয়াবহ তাণ্ডব এতটাই বেশি ছিল যে সাধারণ মানুষের পক্ষে প্রাথমিক পর্যায়ে তা নিয়ন্ত্রণে আনা বা থামানো একপ্রকার অসম্ভব হয়ে পড়ে। আগুন একে একে গ্রাস করে নেয় স্থানীয় একটি স্যানিটারি দোকান, কয়েকটি মুরগির দোকান, বিশাল ঝুট ও তুলার গুদামসহ একটি ভাঙারির দোকানকে।

অগ্নিদুর্ঘটনার সবচেয়ে মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক দিকটি হলো, লেলিহান শিখার এই নির্মম গ্রাস থেকে রক্ষা পায়নি স্থানীয়দের পবিত্র উপাসনালয় চন্নাপাড়া বাজার মসজিদটিও। চোখের সামনে মহান আল্লাহর ঘর এবং নিজেদের তিল তিল করে গড়ে তোলা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হতে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। রাতের অন্ধকারে অগ্নিকাণ্ডের ভয়াবহতা দেখে পুরো চন্নাপাড়া গ্রামের মানুষের মাঝে চরম আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা ছড়িয়ে পড়ে।

আগুনের চরম ভয়াবহতার খবর চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় অধিবাসীদের তরফ থেকে অতি দ্রুত ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কন্টাক্ট নম্বরে যোগাযোগ করা হয়। খবর পাওয়ার সাথে সাথেই শ্রীপুর ফায়ার স্টেশনের প্রথম দুটি ইউনিট দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং উদ্ধার ও আগুন নেভানোর সমন্বিত কাজ শুরু করে। তবে অগ্নিকাণ্ডের স্থানে বায়ুর তীব্র প্রবাহ এবং ঝুট ও তুলার মতো সহজে দাহ্য বস্তুর উপস্থিতির কারণে আগুনের মাত্রা বারবার বাড়তে থাকে, যা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের প্রাথমিক প্রচেষ্টাকে চরম চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দেয়। পরিস্থিতি আরও নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কায় শ্রীপুর ফায়ার স্টেশন থেকে আরও একটি অতিরিক্ত ইউনিট এবং পার্শ্ববর্তী রাজেন্দ্রপুর মডার্ন ফায়ার স্টেশন থেকে আরও একটি বিশেষ ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে কাজে যোগ দেয়।

দুর্ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার নুরুল করিম জানান, রাত ৩টা ৫৫ মিনিটের দিকে তারা চন্নাপাড়া গ্রামের ২ নম্বর সিঅ্যান্ডবি বাজারে অগ্নিকাণ্ডের আনুষ্ঠানিক সংবাদ পান। খবর পাওয়ার সাথে সাথেই তাদের দক্ষ ফায়ার ফাইটিং দল দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে চারদিক থেকে আগুন ঘেরাও করে নেভানোর কাজ শুরু করে। ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিটের ফায়ার ফাইটারদের নিরলস, সাহসিকতাপূর্ণ ও চরম ঝুঁকিপূর্ণ চেষ্টার পর প্রায় দুই ঘণ্টা পর ভোর ৫টা ৪৮ মিনিটের দিকে অবশেষে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার আগেই অগ্নিকাণ্ডে কয়েক লাখ টাকার বেশি মূল্যের সম্পদ ও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়। ফায়ার সার্ভিসের এই সময়োপযোগী ও সাহসী পদক্ষেপের কারণে বাজারের আশপাশের আরও বহু দোকানপাট ও বসতবাড়ি আগুনের ধ্বংসলীলা থেকে অলৌকিকভাবে রক্ষা পেয়েছে বলে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্বস্তির বিষয় হলো, প্রাথমিক তদন্ত ও স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী এই ভয়াবহ নৈশ অগ্নিকাণ্ডে কোনো ধরনের প্রাণহানি ঘটে নি কিংবা কোনো ব্যক্তি মারাত্মকভাবে আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। তবে অগ্নিকাণ্ডে নিঃস্ব হওয়া ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক ক্ষতি অপূরণীয় আকার ধারণ করেছে। অনেক ব্যবসায়ী তাদের জীবনের সমস্ত সঞ্চয়, এনজিওর ঋণ ও ব্যাংক থেকে নেওয়া মূলধন বিনিয়োগ করেছিলেন এসব দোকানে। নিমিষেই সবকিছু হারিয়ে তারা এখন খোলা আকাশের নিচে মাথা গুঁজে দাঁড়িয়েছেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী সমিতি ও এলাকাবাসী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে দ্রুত অর্থনৈতিকভাবে ঘুরে দাঁড়াতে এবং পুড়ে যাওয়া মসজিদটি দ্রুত পুনর্নির্মাণের জন্য সরকারি ও বেসরকারি খাত থেকে জরুরি আর্থিক ও ত্রাণ সহায়তার জোর আকুল আবেদন জানিয়েছেন।

অগ্নিদুর্ঘটনার মূল কারণ এবং সার্বিক ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাপ সম্পর্কে জানতে চাইলে ফায়ার সার্ভিসের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা জানান, রাত সাড়ে ৩টার দিকে আগুনের সঠিক সূত্রপাত কোথা থেকে এবং কীভাবে হয়েছে তা তাৎক্ষণিকভাবে শতভাগ নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট, কয়েল বা ক্যান্ডেলের আগুন নাকি অন্য কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত কারিগরি ত্রুটি থেকে এই ধ্বংসাত্মক আগুনের সৃষ্টি হয়েছে, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ফায়ার সার্ভিসের একটি বিশেষ তদন্ত দল ইতিমধ্যে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নমুনা সংগ্রহ করেছে। সম্পূর্ণ তদন্ত প্রক্রিয়া ও রিপোর্ট তৈরি শেষ হওয়ার পরই অগ্নিকাণ্ডের মূল কারণ এবং আর্থিক ক্ষতির সুনির্দিষ্ট মাত্রা আনুষ্ঠানিকভাবে মিডিয়াকে জানানো হবে বলে নিশ্চিত করেছে ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ।

অগ্নিদুর্ঘটনার মূল কারণ এবং সার্বিক ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ সম্পর্কে জানতে চাইলে ফায়ার সার্ভিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, তাৎক্ষণিকভাবে আগুনের সঠিক সূত্রপাত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট, কোনো খোলা শিখা কিংবা অন্য কোনো ত্রুটি থেকে এই অনাকাঙ্ক্ষিত আগুনের সৃষ্টি হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ফায়ার সার্ভিসের একটি বিশেষ তদন্ত দল এ নিয়ে কাজ শুরু করেছে। সম্পূর্ণ তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং আর্থিক ক্ষতির সুনির্দিষ্ট চিত্র আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো সম্ভব হবে বলে কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com