প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় বিড়ির বাজার নিয়ন্ত্রণ ও বাণিজ্যিক প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা পূর্বশত্রুতার জেরে স্থানীয় মর্নেয়া ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, মারধর এবং ব্যাপক ভাঙচুরের ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও সহিংস ঘটনায় মর্নেয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মীর কাসেম মিঠুসহ অন্তত ৩ জন মারাত্মকভাবে আহত ও রক্তাক্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে। গত বুধবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার মর্নেয়া ইউনিয়নের অন্তর্গত কামদেব শেখপাড়া এলাকায় দলীয় কার্যালয় প্রাঙ্গণে এই তাণ্ডবলীলা সংঘটিত হয়। শান্ত এলাকাটিতে হঠাৎ করে রাজনৈতিক কার্যালয়ে এমন হামলার ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ অধিবাসীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক, উত্তেজনা ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, আফিজ, আকিব ও নিবিড় বিড়ির স্বত্বাধিকারী এবং মর্নেয়া ইউনিয়ন বিএনপির প্রভাবশালী সভাপতি মীর কাসেম মিঠুর সঙ্গে ফ্রেশ বিড়ির স্বত্বাধিকারী রমজান আলী জিকুর এলাকার বিড়ির বাজার ও সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বাণিজ্যিকভাবে একে অপরকে টেক্কা দেওয়া এবং স্থানীয় বাজার দখলের এই বিরোধ চরম রূপ নেয় গত বুধবার রাতে। বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয়ে উভয় পক্ষ এক শালিস বৈঠকে বা আলোচনায় বসে। কিন্তু আলোচনার একপর্যায়ে কথা-কাটাকাটির জের ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা ও চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সরাসরি শারীরিক সংঘর্ষে রূপ নেয়।
অঘটন ও সংঘর্ষের ভয়াবহতা বর্ণনা করতে গিয়ে বিএনপি নেতা মীর কাসেম মিঠু অভিযোগ করেন যে, হামলাটি কেবল ব্যবসায়ী দ্বন্দ্বে সীমাবদ্ধ নয়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মর্নেয়া ইউনিয়ন এলাকায় সর্বাত্মক মাদকবিরোধী আন্দোলন চালিয়ে আসছিলেন এবং স্থানীয় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের অশুভ তৎপরতা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছিলেন। সেই প্রতিশোধ নিতেই পরিকল্পিতভাবে মাদক ব্যবসায়ী ও তাদের মদদদাতারা সংঘবদ্ধ হয়ে দলীয় কার্যালয়ে ঢুকে তার ওপর এই কাপুরুষোচিত হামলা চালিয়েছে। ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত ফ্রেশ বিড়ির স্বত্বাধিকারী রমজান আলী জিকুর সঙ্গে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা যোগাযোগের একাধিক চেষ্টা চালালেও তাকে পাওয়া যায়নি, যার ফলে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
সংঘর্ষ ও তাণ্ডব চলাকালে হামলাকারীদের মারাত্মক প্রহারে মীর কাসেম মিঠু, স্থানীয় ছোট আসাদ এবং তৌফিক হোসেন বাবলু গুরুতর আহত হন। হামলাকারীরা কেবল নেতাকর্মীদের ওপর চড়াও হয়েই ক্ষান্ত হয়নি, তারা দলীয় কার্যালয়ের ভেতরে প্রবেশ করে সেখানে থাকা চেয়ার, টেবিল, সাঁটানো ব্যানার, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের টাঙানো ছবি ভাংচুর করে গুঁড়িয়ে দেয়। দলীয় কার্যালয়ে প্রবীণ রাজনৈতিক নেতাদের ছবি ও আসবাবপত্র ভাঙচুরের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রংপুর জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের দাবানল জ্বলে ওঠে।
রাজনৈতিক কার্যালয় ও নেতাদের ওপর এই বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে ঘটনার দিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া মর্নেয়া ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয় প্রাঙ্গণে এক জরুরি ও কড়া প্রতিবাদ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন গঙ্গাচড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি চাঁদ সরকার। প্রতিবাদ সভায় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী, মর্নেয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মাবুদ এবং জাতীয়তাবাদী প্রচার দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি রুহুল আমীনসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন নেতাকর্মী ব্যানার হাতে উপস্থিত হয়ে একাত্মতা প্রকাশ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর, নেতাকর্মীদের রক্তাক্তকরণ এবং দলীয় প্রধানদের ছবি অবমাননার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও ধিক্কার জানান উপজেলা বিএনপির সভাপতি চাঁদ সরকার। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, রাজনৈতিক কার্যালয়ে ঢুকে এমন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। তিনি স্থানীয় প্রশাসনকে অবিলম্বে ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকল অপরাধীকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক ও কঠোর আইনগত শাস্তির মুখোমুখি করার জোর দাবি জানান। অন্যথায় গঙ্গাচড়া উপজেলা বিএনপি কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে বলে জানান দলীয় নেতৃবৃন্দ।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, আফিজ বিড়ি, আকিব বিড়ি ও নিবিড় বিড়ির স্বত্বাধিকারী তথা মর্নেয়া ইউনিয়ন বিএনপির প্রভাবশালী সভাপতি মীর কাসেম মিঠুর সঙ্গে ফ্রেশ বিড়ির স্বত্বাধিকারী রমজান আলী জিকুর বিড়ির বাজার দখল, বাজারজাতকরণ এবং রিটেইল পয়েন্টগুলোতে পণ্য সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ব্যবসায়িক তীব্র কোন্দল ও অভ্যন্তরীণ বিরোধ চলে আসছিল। বাণিজ্যিকভাবে একে অপরকে কোণঠাসা করা এবং বাজারজাতকরণের ক্ষেত্রে নিজেদের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক লড়াইটি সম্প্রতি বিপজ্জনক মোড় নেয়। গত বুধবার রাতে এই চলমান বিরোধ ও ভুল বোঝাবুঝি নিরসনের উদ্দেশ্যে মর্নেয়া ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয়ে দুই পক্ষকে নিয়ে এক জরুরি সালিশী বৈঠক বা আলোচনার আয়োজন করা হয়। আলোচনার প্রথমভাগে শান্তিপূর্ণ সমাধানের কথা থাকলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা, কাদা ছোড়াছুড়ি ও উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় শুরু হয়। একপর্যায়ে সেই উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাজনৈতিক কার্যালয়ের ভেতরই সরাসরি হাতাহাতি, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া এবং উভয় পক্ষের সশস্ত্র সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষের সময় কার্যালয়ের ভেতরে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়ে আক্রান্ত ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মীর কাসেম মিঠু উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, ব্যবসায়িক বিরোধকে কেবল একটি উসিলা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে; মূল চক্রান্ত ছিল অন্য জায়গায়। তিনি দাবি করেন, গত কিছুদিন ধরে তিনি মর্নেয়া ইউনিয়নের গ্রামগঞ্জে সর্বাত্মক মাদকবিরোধী বিশেষ সামাজিক আন্দোলন পরিচালনা করে আসছিলেন। তার এই কঠোর পদক্ষেপে কোণঠাসা হয়ে পড়ে এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, সুদের কারবারি ও চোরাচালানকারী চক্র। মাদক ব্যবসায়ীদের আস্তানা ও সামাজিক তৎপরতা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়ার কারণেই মূলত ওই কায়েমী স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী ও তাদের মদদদাতারা সুসংগঠিত হয়ে ফ্রেশ বিড়ির স্বত্বাধিকারী জিকুর লোকজনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে রাজনৈতিক কার্যালয়ে ঢুকে তার ওপর এই কাপুরুষোচিত ও প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত ফ্রেশ বিড়ির মালিক রমজান আলী জিকুর সঙ্গে ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তার কোনো হদিস পাওয়া যায়নি, ফলে অভিযোগের বিষয়ে তার কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
হামলাকারীদের তাণ্ডব কেবল রক্তক্ষয়ী মারধর ও নেতাকর্মীদের জখম করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। সংঘর্ষ চলাকালে একপর্যায়ে বেশ কিছু সশস্ত্র দুষ্কৃতকারী ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয়ের ভেতরে অনধিকার প্রবেশ করে তাণ্ডব শুরু করে। তারা কার্যালয়ে থাকা কাঠের চেয়ার, কাঁচের টেবিল, লাইট, মাইক সরঞ্জাম, প্যান্ডেল এবং দরজার সম্মুখে টাঙানো বড় বড় দলীয় ব্যানার-ফেস্টুন রড ও লাঠিসোটা দিয়ে পিটিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়। একই সঙ্গে কার্যালয়ের ভেতরের দেয়ালে সসম্মানে টাঙিয়ে রাখা স্বাধীনতার ঘোষক ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিকৃতি ও বাঁধানো আলোকচিত্র দেয়াল থেকে টেনে নামিয়ে ভেঙে চুরমার করে ফ্লোরে লুটিয়ে ফেলে। একটি মূলধারার রাজনৈতিক কার্যালয়ে এমন জঘন্য ভাঙচুর এবং শীর্ষ রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের ছবির অবমাননার খবর মুহূর্তের মধ্যে চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে গোটা রংপুর জেলাজুড়ে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও চরম অসন্তোষের বিস্ফোরণ ঘটে।
তৃণমূল রাজনৈতিক কার্যালয়ে এমন সন্ত্রাসী স্টাইলে আক্রমণ ও জাতীয় নেতাদের ছবি ভাঙচুরের প্রতিবাদে এবং অপরাধীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবিতে বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিধ্বস্ত মর্নেয়া ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয় প্রাঙ্গণে এক প্রতিবাদ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন গঙ্গাচড়া উপজেলা বিএনপির সর্বমান্য সভাপতি চাঁদ সরকার। এ সময় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী, মর্নেয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মাবুদ এবং জাতীয়তাবাদী প্রচার দলের কেন্দ্রীয় কমিটির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি রুহুল আমীনসহ স্থানীয় অঙ্গসংগঠনগুলোর প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন প্রবীণ ও নবীন নেতাকর্মী উপস্থিত থেকে হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানান।
প্রতিবাদ সংবাদ সম্মেলনে গঙ্গাচড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি চাঁদ সরকার ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর, নেতাকর্মীদের রক্তাক্তকরণ ও দলীয় প্রধানদের ছবি অবমাননার পেছনে যুক্ত ব্যক্তিদের ওপর কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, শান্ত গঙ্গাচড়াকে অশান্ত করার জন্য এবং গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক পরিবেশকে ব্যাহত করার জন্য একটি চিহ্নিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠী এই পরিকল্পিত নাটক সাজিয়েছে। ব্যবসায়ী দ্বন্দ্ব বা সামাজিক কারণ যাই হোক না কেন, কার্যালয়ে ঢুকে এমন তাণ্ডব কোনো সুস্থ রাজনীতির লক্ষণ নয়। তিনি রংপুর জেলা পুলিশ প্রশাসন ও স্থানীয় গঙ্গাচড়া থানা পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, এই ঘটনার সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত মূল হোতাদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক ও কঠোর আইনগত শাস্তির মুখোমুখি করতে হবে। অন্যথায় সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে গঙ্গাচড়া উপজেলায় কঠোর রাজপথ অবরোধসহ সর্বাত্মক আন্দোলনের কর্মসূচির ঘোষণা দেবে স্থানীয় বিএনপি।
এদিকে খবর পেয়ে গঙ্গাচড়া মডেল থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল দ্রুত দুর্ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি পদক্ষেপের বিষয়ে গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুছ ছবুর বলেন, খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে এবং অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে। এই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষের লিখিত অভিযোগ হাতে পেলেই নিবিড় তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।
স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত