সর্বশেষ :
কক্সবাজারে ৪ পর্যটকের সাগরে প্রানহানি, এখনও নিখোঁজ ১ ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু অসুস্থ: উন্নত চিকিৎসায় বিএমইউতে স্থানান্তর রংপুরের গঙ্গাচড়ায় বিড়ির বাজার দখল কেন্দ্রিক কোন্দলে বিএনপি অফিসে ভাঙচুর ‘ইশরাক পোষ্য কোটায় রাজনীতিতে এসেছেন, অভিজ্ঞতার ঘাটতি রয়েছে’: নিলোফার চৌধুরী খুলনার দাকোপে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফেক নিউজ নিয়ন্ত্রণে আইনি পদক্ষেপ ও বাকস্বাধীনতার ভারসাম্য চান তথ্যমন্ত্রী ‘ক্ষমতাহীন নাগরিকই শাসকদলের চাঁদাবাজির শিকার’: হাসনাত আবদুল্লাহ সৌদি আরবের দাম্মাম বিমানবন্দরে ভয়াবহ হামলা: নিহত ১, আহত ৮ গাজীপুরে গভীর রাতে বিধ্বংসী আগুন: পুড়ল মসজিদ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নভেম্বরের শুরুতে স্কুল-কলেজে মিলতে পারে টানা ৩ দিনের ছুটি

ফেক নিউজ নিয়ন্ত্রণে আইনি পদক্ষেপ ও বাকস্বাধীনতার ভারসাম্য চান তথ্যমন্ত্রী

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৫ বার
ফেক নিউজ নিয়ন্ত্রণে আইনি পদক্ষেপ ও বাকস্বাধীনতার ভারসাম্য চান তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

ডিজিটাল দুনিয়ার দ্রুত প্রসার এবং তথ্যপ্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির সাথে সাথে বর্তমান সময়ে বিশ্বজুড়ে নতুন আতঙ্ক ও ঝুঁকি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে ভুয়া খবর বা ফেক নিউজ। গুজব, বিকৃত তথ্য এবং প্রেক্ষাপটহীন সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে যেমন সামাজিকভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়, তেমনি এটি রাষ্ট্রের স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তার জন্যও বড় হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় মানুষের নিরাপত্তা রক্ষা এবং বাকস্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ রাখার বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাধারণ মানুষের মতপ্রকাশের মৌলিক অধিকার পুরোপুরি বজায় রেখেই ভুয়া খবর বা ফেক নিউজ এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য নিয়ন্ত্রণ করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। সম্প্রতি সরকারের এই সুনির্দিষ্ট অবস্থান ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ।

বুধবার রাতে ভোলার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনকালে স্থানীয় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এসব গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। মন্ত্রী বলেন, আধুনিক যুগে সংবাদমাধ্যম ও তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্রে ফেক নিউজ নিয়ন্ত্রণ করা সরকারগুলোর জন্য অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে এই অপপ্রচার বা গুজব রোধ করার নামে যেন সাধারণ নাগরিক, সাংবাদিক কিংবা গণমাধ্যমের স্বাধীন বাকস্বাধীনতার ওপর কোনো ধরনের আঘাত বা বাধা না আসে, সে বিষয়ে বর্তমান সরকার অত্যন্ত সতর্ক ও সচেতন রয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ভুয়া খবর ও গুজব নিয়ন্ত্রণের সময় মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য এবং এ দুইয়ের মধ্যে একটি নিখুঁত ভারসাম্য বজায় রেখে কাজ করে যাওয়াটাই সবচেয়ে বড় জরুরি বিষয়।

তথ্যমন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ আরও জানান, ভুয়া এবং বিভ্রান্তিকর সংবাদ স্থায়ী ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে রোধ করতে ইতোমধ্যে সরকার বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট অংশীজন বা স্টেকহোল্ডারদের সাথে দফায় দফায় আলোচনা ও মতবিনিময় শুরু করেছে। সাইবার নিরাপত্তা আইন সহ বিদ্যমান প্রাসঙ্গিক আইনি কাঠামোর সঠিক প্রয়োগ ও প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে সাইবার জগতের সুরক্ষা নিশ্চিত করার কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। এ প্রক্রিয়ায় দেশের শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্র, রেডিও, টেলিভিশন এবং অনলাইন গণমাধ্যমের মালিক, সম্পাদক ও সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গেও আলোচনা চালানো হচ্ছে। কী ধরনের প্রযুক্তিগত ও আইনি ভারসাম্য বজায় রেখে ফেক নিউজ প্রতিরোধ করা যায়, সে বিষয়ে সবার সুচিন্তিত মতামত গ্রহণ করা হচ্ছে।

বিশ্বব্যাপী এই সংকটের কথা উল্লেখ করে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ভুয়া সংবাদ, প্রেক্ষাপটবিচ্ছিন্ন সংবাদ কিংবা অপতথ্য ছড়ানোর এই ক্ষতিকর প্রবণতা কেবল বাংলাদেশের একক কোনো সমস্যা নয়, বরং এটি সমগ্র বিশ্বের জন্যই একটি বড় বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোও আজ এর সঠিক সমাধান খুঁজতে হিমশিম খাচ্ছে। এই বাস্তবতায় বাংলাদেশে কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি যাতে সংবাদের সততা, পেশাদারিত্ব এবং গণমাধ্যমের মুক্ত কণ্ঠ সুসুরক্ষিত থাকে, সেদিকে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, অংশীজনদের সাথে এই গঠনমূলক আলোচনা ও কৌশলগত পরিকল্পনার মাধ্যমে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সরকার এ বিষয়ে একটি পরিপক্ক ও সর্বজনগ্রাহ্য নীতিমালার অবস্থানে পৌঁছাতে সক্ষম হবে।

সংবাদমাধ্যমের পাশাপাশি দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সামাজিক মেলবন্ধন প্রসঙ্গে আলোকপাত করতে গিয়ে আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, বর্তমান জাতীয়তাবাদী সরকার সহমত, সহাবস্থান এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের রাজনীতিতে গভীরভাবে বিশ্বাস করে। বাংলাদেশে বহুকাল ধরে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ সকল ধর্মের মানুষ এক অপরিসীম সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে একই ছাদের নিচে বসবাস করে আসছেন। ধর্মীয় উৎসব উদ্যাপনসহ সমাজের সর্বক্ষেত্রে এই ঐতিহ্যবাহী সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অক্ষুণ্ণ রাখা এবং দেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

গত বুধবার রাতে ভোলা জেলার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে আলাপকালে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ সরকারের এই গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানের বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন। মন্ত্রী বলেন, বিশ্বজুড়ে সংবাদ পরিবেশন ও তথ্য আদান-প্রদানের ধরন দ্রুত বদলে যাচ্ছে। এর ফলে ভুয়া খবর, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার, প্রেক্ষাপটহীন সংবাদ এবং বিকৃত তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার হার বহুগুণ বেড়ে গেছে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা বর্তমান যুগে যেকোনো দেশের সরকারের জন্যই অন্যতম প্রধান কঠিন চ্যালেঞ্জ। তবে এই বিভ্রান্তিকর তথ্য বা গুজব প্রতিরোধ করার অজুহাতে যেন কোনো অবস্থাতেই মূলধারার সংবাদমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করা না হয় কিংবা সাধারণ মানুষের স্বাধীন বাকস্বাধীনতার ওপর কোনো ধরনের আঘাত বা বিধিনিষেধ না আসে, সে বিষয়ে বর্তমান সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ও চরম সতর্ক রয়েছে।

অপ্রপ্রচার ও ফেক নিউজ প্রতিরোধে স্থায়ী নীতিমালা এবং কার্যকরী প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রক্রিয়া সম্পর্কে আলোকপাত করতে গিয়ে তথ্যমন্ত্রী জানান, সরকার ইতোমধ্যে সংবাদমাধ্যমের সকল সংশ্লিষ্ট অংশীজন বা স্টেকহোল্ডারদের সাথে ব্যাপকভিত্তিক আলোচনা শুরু করেছে। সাইবার নিরাপত্তা আইনসহ অন্যান্য বিদ্যমান প্রাসঙ্গিক আইনি কাঠামোর সঠিক ব্যবহার, সংস্কার এবং মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নীতি নির্ধারণের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দেশের শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্র ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মালিক, জ্যেষ্ঠ সম্পাদক, সাংবাদিক সংগঠনগুলোর প্রতিনিধি এবং আইটি বিশেষজ্ঞদের সাথে দফায় দফায় বৈঠক ও পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। কীভাবে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও আইনি সুরক্ষার সুষম সমন্বয় ঘটিয়ে সংবাদের গুণগত মান ঠিক রেখে ফেক নিউজ নিয়ন্ত্রণ করা যায়, সে বিষয়ে সবার মতামতকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।

তথ্য প্রযুক্তির এই বৈশ্বিক সংকটের বিষয়ে মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ফেক নিউজ, অসত্য বয়ান বা বিকৃত তথ্য ছড়ানোর এই ক্ষতিকর প্রবণতাটি কেবল বাংলাদেশের একক কোনো অভ্যন্তরীণ সমস্যা নয়। বিশ্বের বড় বড় গণতান্ত্রিক ও উন্নত দেশগুলোও আজ এর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাবে জর্জরিত এবং সকলেই এর একটি স্থায়ী ও কার্যকর সমাধান খুঁজতে নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বজনীন এই বাস্তবতায় বাংলাদেশে কোনো কঠোর বা দমনমূলক ব্যবস্থা না নিয়ে কীভাবে সংবাদমাধ্যমের পেশাদারিত্ব বৃদ্ধি করা যায় এবং স্বাধীন বাকস্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ রাখা যায়, সেদিকে সর্বোচ্চ দৃষ্টি দেওয়া হচ্ছে। সংবাদ নিয়ন্ত্রণ এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার মধ্যে একটি চমৎকার পেশাদার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার এই প্রচেষ্টা সফল হবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে মন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সহযোগিতায় খুব শিগগিরই আমরা এ বিষয়ে একটি সুপরিকল্পিত ও পরিণত সর্বজনগ্রাহ্য অবস্থানে পৌঁছাতে সক্ষম হব।

সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার পাশাপাশি দেশের সার্বিক সামাজিক কাঠামো ও পারস্পরিক সম্প্রীতির প্রসঙ্গ টেনে আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, বর্তমান জাতীয়তাবাদী সরকার সহমত, সহাবস্থান এবং পরম সহিষ্ণুতার নীতিতে গভীরভাবে বিশ্বাস করে। বাংলাদেশ আবহমানকাল ধরে বিভিন্ন ধর্ম, বর্ণ ও গোত্রের মানুষের এক অপূর্ব মিলনমেলা। এখানে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ সকল সম্প্রদায়ের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও সৌহার্দ্যের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে একই ছাদের নিচে সহাবস্থান করে আসছেন। ধর্মীয় উৎসব উদ্যাপনসহ জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এই সুদৃঢ় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং প্রতিটি নাগরিকের সমান নিরাপত্তা বিধান করা বর্তমান সরকারের অন্যতম শীর্ষ অগ্রাধিকার ও মৌলিক দায়িত্ব।

ভোলা সফরকালে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এলাকার সার্বিক ধর্মীয় উৎসবের পরিবেশ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি ভোলা পৌরসভার এবং পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকার ঐতিহ্যবাহী বাপ্পা মাহাজনের পোল পূজা মণ্ডপ, বিকাশ মজুমদার বাড়ির পূজা মণ্ডপ, অনুজকাহালী লেনের পূজা মণ্ডপ, শহরের ঐতিহাসিক মদনমোহন মন্দির, ওয়েস্টার্ন পাড়ার শতদল বিকাশ ক্লাব সংলগ্ন পূজা মণ্ডপ, মিহিরলাল সাহার বাড়ির পূজা মণ্ডপ, ঐতিহ্যবাহী লক্ষ্মীগোবিন্দ মন্দির, বাপ্তা শক্তি সংঘ পূজা মণ্ডপ এবং সার্কুলার রোড পূজা মণ্ডপসহ অসংখ্য উপাসনালয় পরিদর্শন করেন। এসব মণ্ডপে উপস্থিত পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় বয়োবৃদ্ধ ও সনাতন ধর্মাবলম্বী ভক্তদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের ধর্মীয় উৎসবের নিরাপত্তা ও সার্বিক উদ্যাপন পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন।

ভোলা সফরকালে তথ্যমন্ত্রী ভোলার বাপ্পা মাহাজনের পোল পূজা মণ্ডপ, বিকাশ মজুমদার বাড়ির পূজা মণ্ডপ, অনুজকাহালী লেনের পূজা মণ্ডপ, ঐতিহ্যবাহী মদনমোহন মন্দির, ওয়েস্টার্ন পাড়ার শতদল বিকাশ ক্লাব সংলগ্ন পূজা মণ্ডপ, মিহিরলাল সাহার বাড়ির পূজা মণ্ডপ, লক্ষ্মীগোবিন্দ মন্দির, বাপ্তা শক্তি সংঘ পূজা মণ্ডপ এবং সার্কুলার রোড পূজা মণ্ডপসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয় সরেজমিনে ঘুরে দেখেন। তিনি সেখানে উপস্থিত সনাতন ধর্মাবলম্বী নাগরিক, ভক্ত ও উদযাপন কমিটির নেতৃভাষীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের ধর্মীয় উৎসবের সার্বিক খোঁজখবর নেন।

তথ্যমন্ত্রীর এই সফর ও বক্তব্য থেকে এটা স্পষ্ট যে, আধুনিক বাংলাদেশে বাকস্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ না করে কেবল তথ্যের সত্যতা ও সাইবার সুরক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে গুজবমুক্ত সমাজ গড়াই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। গণমাধ্যম খাতকে শৃঙ্খলায় আনার এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ভুয়া সংবাদের দৌরাত্ম্য কমে আসার পাশাপাশি মূলধারার বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পথ আরও সুগম হবে বলে সচেতন মহল মনে করছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com