সর্বশেষ :
বাংলাদেশে ৬৩৬ কোটি ডলারের বেসরকারি বিনিয়োগ করবে জাপান সমাজে অশান্তি সৃষ্টিকারী লংমার্চ জনগণ মেনে নেবে না: এ্যানি সার ডিলার নিয়োগের তালিকা প্রকাশে বিলম্ব: হতাশ বগুড়ার ব্যবসায়ীরা রায়গঞ্জে মার্কেটে ভয়াবহ আগুন: পুড়ল ৭৫ লাখ টাকার মালামাল মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই বাংলাদেশির তথ্য তলব: বিস্তারিত জানায়নি রিয়াদ নেত্রকোনার অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে যুক্ত শেরপুর: ব্যয় বাড়ছে প্রায় ১২০০ কোটি টাকা হরমুজ প্রণালিতে এক রাতে ৭টি জাহাজে ইরানের হামলা সরাইল থানায় এমপি রুমিন ফারহানা ও ওসির তীব্র বাগ্‌বিতণ্ডা আওয়ামী লীগের শীর্ষ ৭ নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র প্রস্তুত চাঁদপুরে সহস্রাধিক একর কৃষিজমি মুক্ত করতে প্রশাসনের সাঁড়াশি অভিযান

প্রাথমিকে বই ছাপায় গতি বাড়লেও মাধ্যমিকে কিছুটা ধীরগতি

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৭ বার
প্রাথমিকে বই ছাপায় গতি বাড়লেও মাধ্যমিকে কিছুটা ধীরগতি

প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

আগামী শিক্ষাবর্ষের আর মাত্র দুই মাস বাকি থাকতে রাজধানীর মাতুয়াইলসহ বিভিন্ন এলাকার প্রেসগুলোতে এখন চরম ব্যস্ততা ও তৎপরতা দৃশ্যমান। আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রাক-প্রাথমিক থেকে নবম-দশম শ্রেণি পর্যন্ত কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই পৌঁছে দিতে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) প্রায় ৩১ কোটি পাঠ্যবই মুদ্রণের এক বিশাল কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক স্তরের বই ছাপা ও মাঠপর্যায়ে সরবরাহ করার গতি বেশ সন্তোষজনক হলেও মাধ্যমিক স্তরে সার্বিক অগ্রগতি কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে। তবে আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে মুদ্রণ সম্পন্ন করে নতুন বছরের শুরুতেই অর্থাৎ জানুয়ারি মাসের প্রথম দিনেই সব শিক্ষার্থীর হাতে শতভাগ নতুন বই পৌঁছে দেওয়ার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করছেন এনসিটিবির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্মচারীরা।

এনসিটিবি থেকে পাওয়া সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, প্রাক-প্রাথমিক থেকে নবম-দশম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের জন্য প্রায় ৩১ কোটি বই প্রিন্ট করা হচ্ছে। এর মধ্যে দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নিজস্ব মাতৃভাষার শিক্ষার্থী ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের বিশেষ চাহিদার বইও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সামগ্রিক বাজেটের হিসাবে এই বইগুলো ছাপাতে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৮৭৯ কোটি টাকা। শুধু মাধ্যমিক স্তরেই প্রাক্কলিত বইয়ের সংখ্যা ২২ কোটিরও বেশি, বিপরীতে প্রাথমিক স্তরের বইয়ের সংখ্যা প্রায় ৮ কোটি ২১ লাখ ৬৭ হাজার। ২০ অক্টোবর পর্যন্ত প্রাথমিক স্তরের বই ছাপার কাজ ৮৬ শতাংশের বেশি সম্পন্ন হয়েছে, যার মধ্যে বাঁধাই, কাটিং ও প্রাক-সরবরাহ পরিদর্শন (পিডিআই) প্রক্রিয়া শেষে ইতিমধ্যে ৭৪ শতাংশ বই মাঠপর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। কিন্তু প্রথম দফায় দরপত্র হওয়া মাধ্যমিক স্তরের ২০ কোটি ৮৪ লাখের বেশি বইয়ের মধ্যে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় ৫০ শতাংশ বই ছাপানো শেষ হয়েছে এবং মাঠপর্যায়ে সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে মাত্র ৪০ শতাংশ।

এদিকে আগামী শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যপুস্তকে ইতিহাস ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ নানা ঐতিহাসিক ঘটনার বর্ণনায় উল্লেখযোগ্য ও সংবেদনশীল কিছু পরিবর্তন আনছে এনসিটিবি। নতুন বইগুলোতে যুক্ত হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন সেক্টর ও ব্রিগেড ফোর্সের বিস্তারিত ইতিহাস, বীরশ্রেষ্ঠদের স্মারক জীবনী, ১৯৭৫ সালের ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লবের পটভূমি এবং নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী গণ-অভ্যুত্থানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রাক-রাজনৈতিক ও সংগ্রামী ভূমিকা। পাশাপাশি নবম-দশম শ্রেণির বাংলা পাঠ্যবইয়ে যুক্ত করা হচ্ছে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রচিত ‘স্বাধীনতাযুদ্ধের স্মৃতি’ শীর্ষক ঐতিহাসিক নিবন্ধটি। স্বাধীন বাংলাদেশ সৃষ্টির পটভূমিতে স্বাধীনতার ঘোষণা সংক্রান্ত বর্ণনাতেও আনা হচ্ছে পরিমার্জন। ফলে বিগত আওয়ামী লীগ সরকার, পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং বর্তমান বিএনপি সরকারের সময়কালের প্রেক্ষাপটে দেশের স্বাধীনতার ঘোষণার পাঠ্যবইয়ের বর্ণনা তিনটি ভিন্ন মাত্রার রূপ পাচ্ছে।

পরিমার্জনের ধারাবাহিকতায় নতুন শিক্ষাবর্ষে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে দুটি করে মোট চারটি একদম নতুন বই পাঠ্যক্রমে যুক্ত হতে যাচ্ছে। চতুর্থ শ্রেণির জন্য নির্ধারিত নতুন দুটি বই হলো ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি’ এবং ‘খেলাধুলা’। অন্যদিকে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য যুক্ত হচ্ছে ‘আমার কারিগরি শিক্ষা’ ও ‘আনন্দময় শিক্ষা’ শীর্ষক বৈচিত্র্যময় দুটি বই। এ সংক্রান্ত প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ২৫ অক্টোবর জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির (এনসিসিসি) এক গুরুত্বপূর্ণ সভা আহ্বান করা হয়েছে। ওই নীতিনির্ধারণী সভায় চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করার পরপরই এই চারটি নতুন পাঠ্যবইয়ের মুদ্রণ ও ছাপাখানার কার্যাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদান করা হবে বলে নিশ্চিত করেছেন এনসিটিবির দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা।

এনসিটিবির অফিসিয়াল পরিসংখ্যান ও নথিপত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রাক-প্রাথমিক থেকে নবম-দশম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের জন্য সর্বমোট ৩০ কোটি ৯১ লাখেরও বেশি বই ছাপানো হচ্ছে। এই বিশাল কর্মযজ্ঞে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ছাত্র-ছাত্রীদের নিজস্ব মাতৃভাষার বই এবং দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ব্রেইল পদ্ধতির বিশেষ চাহিদার পাঠ্যবইও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই বিশাল প্রাক্কলিত চাহিদার পেছনে সর্বমোট সম্ভাব্য সরকারি ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৮৭৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে কেবল মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্যই ছাপানো হচ্ছে ২২ কোটিরও বেশি বই। অন্যদিকে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের মোট বইয়ের সংখ্যা প্রায় ৮ কোটি ২১ লাখ ৬৭ হাজার। গত ২০ অক্টোবর পর্যন্ত সংগৃহীত তথ্যানুযায়ী, প্রাথমিক স্তরের নির্ধারিত বইয়ের ৮৬ শতাংশেরও বেশি মুদ্রণ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। ছাপার পর কাটিং, বাইন্ডিং ও প্রাক-সরবরাহ পরিদর্শন (পিডিআই) মাননিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া শেষ করে ইতিমধ্যে মাঠপর্যায়ের স্কুলগুলোতে ৭৪ শতাংশের বেশি বই নিরাপদে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। কিন্তু এর বিপরীতে প্রথম দফায় টেন্ডার হওয়া মাধ্যমিক স্তরের ২০ কোটি ৮৪ লাখের বেশি বইয়ের মধ্যে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত আনুমানিক ৫০ শতাংশ ছাপা শেষ হয়েছে এবং আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া শেষে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে মাত্র ৪০ শতাংশ বই।

এদিকে শিক্ষাক্রমের নতুন সংস্কার প্রক্রিয়ার আওতায় আগামী শিক্ষাবর্ষের বিভিন্ন স্তরের পাঠ্যপুস্তকে ইতিহাস, সংস্কৃতি ও জাতীয় গুরুত্ববহ ঐতিহাসিক ঘটনাবলির বিশ্বস্ত বর্ণনায় উল্লেখযোগ্য ও সংবেদনশীল বেশ কিছু পরিবর্তন আনছে এনসিটিবি। নতুন পরিমার্জিত বইগুলোতে যুক্ত করা হচ্ছে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন সামরিক সেক্টর ও বিখ্যাত ব্রিগেড ফোর্সের বিশদ ইতিহাস, দেশের সাত বীরশ্রেষ্ঠের স্মারক ও অনুপ্রেরণাদায়ক জীবনী, ১৯৭৫ সালের ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লবের প্রেক্ষাপট এবং ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী গণ-অভ্যুত্থানে তৎকালীন আপসহীন দেশনেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অবদান। পাশাপাশি নবম-দশম শ্রেণির বাংলা সাহিত্য পাঠ্যবইয়ে বিশেষভাবে যুক্ত করা হচ্ছে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নিজ হাতে লেখা ঐতিহাসিক স্মৃতিকথা ‘স্বাধীনতাযুদ্ধের স্মৃতি’ শীর্ষক নিবন্ধটি। এছাড়াও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা ও স্বাধীনতার ঐতিহাসিক ঘোষণা সংক্রান্ত তথ্য-বর্ণনাতেও আনা হচ্ছে নিরপেক্ষ পরিমার্জন। ফলে বিগত ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কালের পাঠ্যবই, পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ের সংশোধিত রূপ এবং বর্তমান বিএনপি সরকারের মেয়াদে প্রস্তুতকৃত নতুন পাঠ্যবই—এই তিন ভিন্ন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রেক্ষাপটে স্বাধীনতার ঘোষণার ইতিহাস তিন ধরনের ভিন্ন রূপ লাভ করছে।

ইতিহাস ও মূল পাঠ্য বিষয়ের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সার্বিক মনন ও কারিগরি দক্ষতা বিকাশে নতুন শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ এবং ষষ্ঠ শ্রেণিতে দুটি করে মোট চারটি একদম নতুন স্বতন্ত্র পাঠ্যবই প্রবর্তন করতে যাচ্ছে এনসিটিবি। এর মধ্যে চতুর্থ শ্রেণির কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য যুক্ত হচ্ছে ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি’ এবং ‘খেলাধুলা’ শীর্ষক দুটি ব্যতিক্রমী বই। অন্যদিকে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক ও জীবনমুখী জ্ঞান বৃদ্ধিতে যুক্ত করা হচ্ছে ‘আমার কারিগরি শিক্ষা’ এবং ‘আনন্দময় শিক্ষা’ নামের চমৎকার দুটি নতুন বিষয়। এনসিটিবি সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে, এই চারটি নতুন বইয়ের পাণ্ডুলিপি ও শিক্ষা রূপরেখা চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়ার উদ্দেশ্যে আগামী ২৫ অক্টোবর (রোববার) জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির (এনসিসিসি) এক উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারণী সভা আহ্বান করা হয়েছে। ওই সভায় এনসিসিসির চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার পর কালবিলম্ব না করে ছাপাখানাগুলোতে বই চারটির আনুষ্ঠানিকভাবে মুদ্রণ আদেশ বা কার্যাদেশ প্রদান করা হবে।

বিগত বছরগুলোর অভিজ্ঞতা স্মরণে এনে বছরের শুরুতে শিক্ষার্থীদের শতভাগ বই পাওয়া নিয়ে অভিভাবক, শিক্ষক ও সুশীল সমাজের মনে কিছুটা দুশ্চিন্তা কাজ করছে। তথ্যমতে, বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদে টানা দুটি শিক্ষাবর্ষে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সব শিক্ষার্থীর হাতে সব বই পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। এমনকি চলতি বছরের শিক্ষাবর্ষ শুরু হওয়ার প্রায় এক মাস সাত দিন পর অর্থাৎ ৭ ফেব্রুয়ারি শতভাগ পাঠ্যবই জেলা পর্যায়ে সরবরাহ সম্পন্ন করতে পেরেছিল এনসিটিবি। আর তার আগের বছর সব বই মাঠপর্যায়ে সরবরাহ প্রক্রিয়া শেষ করতে প্রায় পৌনে তিন মাস লেগে গিয়েছিল, যার ফলে বছরের শুরুতে শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক পঠন-পাঠন ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছিল। তবে সকল সংশয় দূর করে এনসিটিবির সদস্য (পাঠ্যপুস্তক) অধ্যাপক মোহাম্মদ আবু নাসের জানান, আগামী ৩০ নভেম্বরের নির্ধারিত ডেডলাইন সামনে রেখে তাদের সার্বিক তদারকি ও পরিদর্শন অব্যাহত রয়েছে। সার্বিক মুদ্রণ অগ্রগতিতে তারা সন্তুষ্ট এবং কিছু প্রেস হয়তো দু-একদিন পিছিয়ে পড়তে পারে, তবে আগামী বছরের শুরুতে ১ জানুয়ারিতেই শিক্ষার্থীরা আনন্দের সাথে তাদের কাঙ্ক্ষিত নতুন বই হাতে পাবে।

বিগত বছরগুলোর অভিজ্ঞতা স্মরণে এনে অভিভাবক ও শিক্ষক মহলে নির্ধারিত সময়ে শতভাগ বই বিতরণ নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে নির্ধারিত সময়ে শিক্ষার্থীদের হাতে সব পাঠ্যবই তুলে দেওয়া সম্ভব হয়নি। এমনকি চলতি শিক্ষাবর্ষ শুরুর এক মাস সাত দিন পর অর্থাৎ ৭ ফেব্রুয়ারি শতভাগ বই বিতরণ সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছিল এনসিটিবি, আর তার আগের বছর সব বই মাঠপর্যায়ে পৌঁছাতে সময় লেগেছিল প্রায় পৌনে তিন মাস। এর ফলে বছরের শুরুতে শিক্ষাকার্যক্রম কিছুটা ব্যাহত হয়েছিল। তবে এনসিটিবির সদস্য (পাঠ্যপুস্তক) অধ্যাপক মোহাম্মদ আবু নাসের জানান, ৩০ নভেম্বরের লক্ষ্যমাত্রা ধরে তাঁদের সার্বিক তদারকি অব্যাহত রয়েছে এবং এখন পর্যন্ত যে অগ্রগতি হয়েছে তাতে তাঁরা সন্তুষ্ট। অল্প কিছু মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে দু-একদিন বিলম্ব হলেও বছরের প্রথম দিনেই দেশজুড়ে শিক্ষার্থীরা হাসিমুখে তাঁদের কাঙ্ক্ষিত নতুন বই হাতে পাবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com