মৃত্যুর ঘটনায় নিহতের পরিবারের সদস্যরা দোষীদের মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছেন

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫
  • ৩৭ বার
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলোকদিয়া গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিবারের একমাত্র ছেলে ও নাতিকে হত্যা করার অভিযোগে স্বজনরা অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। নিহতরা হলেন গ্রামের বাসিন্দা তৈয়ব আলী ও তাঁর ১৭ বছর বয়সী ছেলে মিরাজ হোসেন। তাদের মৃত্যু ঘটনা বুধবার স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে নিশ্চিত হয়েছে। স্থানীয়দের বর্ণনা অনুযায়ী, নিহত তৈয়ব আলীর চাচা জহুর উদ্দিন দীর্ঘ সময় আগে তাঁর পৈতৃক সম্পত্তির একটি অংশ বিক্রি করেছিলেন, কিন্তু বিষয়টি তাঁর ছেলেদের জানানো হয়নি। এ কারণে বর্তমান বিরোধ সৃষ্টি হয় এবং জমি দখলের উদ্দেশ্যে জহুর উদ্দিনের প্ররোচনায় তাঁর ছেলে হাসান আলী ও ভাগনা রাজীব পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটান। মঙ্গলবার সকালে তৈরি হওয়া সংঘাতের সময় তৈয়ব আলী মো. তুফানের চাতালে পাট শুকানোর কাজে ছিলেন। এই সময়ে মিরাজ তাঁর বাবার জন্য খাবার নিয়ে গেলে অভিযুক্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে হত্যা করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তৈয়ব আলী মারা যান। নিহতদের স্বজনরা বলেন, এ হত্যাকাণ্ড নৃশংস ও পূর্বপরিকল্পিত ছিল। বৃদ্ধা হালিমা খাতুন বলেন, “আমার একমাত্র ছেলে ও নাতিকে যারা হত্যা করেছে, তাদের ফাঁসি চাই।” নিহতদের পরিবার এবং প্রতিবেশীরা এখন শোকাহত এবং বাড়িতে তাঁরা সমবেদনা প্রকাশে ভিড় করছেন। পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত হাসান আলী ও মো. রাজীবকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চাচাশ্বশুর জহুর উদ্দিন এখনও পলাতক রয়েছেন। সদর থানায় নিহত তৈয়ব আলীর স্ত্রী সাবিনা খাতুন বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন। মামলার সংক্ষিপ্ত এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে আসামিদের সঙ্গে বিরোধ চলছিল এবং আগেই তাঁরা হত্যার হুমকি দিয়েছিলেন। আলোকদিয়া বাজারে মৃতদেহের পরিবারের বাড়ি তালা ঝুলানো অবস্থায় দেখা গেছে। পুলিশ এলাকায় সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কায় পাহারা দিচ্ছে। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালিদুর রহমান জানান, গ্রেপ্তার দুই আসামিকে দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং পলাতক অন্য আসামিকে ধরতে অভিযান চলছে। এই নৃশংস ঘটনার ফলে গ্রামটি শোকাহত অবস্থায় রয়েছে। পরিবার ও স্থানীয়রা দোষীদের কঠোর শাস্তি দাবি করছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড রোধ করা যায়।

২৭ আগস্ট ২০২৫|  নিজস্ব সংবাদদাতা| একটি বাংলাদেশ অনলাইন

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলোকদিয়া গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিবারের একমাত্র ছেলে ও নাতিকে হত্যা করার অভিযোগে স্বজনরা অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। নিহতরা হলেন গ্রামের বাসিন্দা তৈয়ব আলী ও তাঁর ১৭ বছর বয়সী ছেলে মিরাজ হোসেন। তাদের মৃত্যু ঘটনা বুধবার স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে নিশ্চিত হয়েছে।

স্থানীয়দের বর্ণনা অনুযায়ী, নিহত তৈয়ব আলীর চাচা জহুর উদ্দিন দীর্ঘ সময় আগে তাঁর পৈতৃক সম্পত্তির একটি অংশ বিক্রি করেছিলেন, কিন্তু বিষয়টি তাঁর ছেলেদের জানানো হয়নি। এ কারণে বর্তমান বিরোধ সৃষ্টি হয় এবং জমি দখলের উদ্দেশ্যে জহুর উদ্দিনের প্ররোচনায় তাঁর ছেলে হাসান আলী ও ভাগনা রাজীব পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটান।

মঙ্গলবার সকালে তৈরি হওয়া সংঘাতের সময় তৈয়ব আলী মো. তুফানের চাতালে পাট শুকানোর কাজে ছিলেন। এই সময়ে মিরাজ তাঁর বাবার জন্য খাবার নিয়ে গেলে অভিযুক্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে হত্যা করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তৈয়ব আলী মারা যান।
Image

নিহতদের স্বজনরা বলেন, এ হত্যাকাণ্ড নৃশংস ও পূর্বপরিকল্পিত ছিল। বৃদ্ধা হালিমা খাতুন বলেন, “আমার একমাত্র ছেলে ও নাতিকে যারা হত্যা করেছে, তাদের ফাঁসি চাই।” নিহতদের পরিবার এবং প্রতিবেশীরা এখন শোকাহত এবং বাড়িতে তাঁরা সমবেদনা প্রকাশে ভিড় করছেন।

পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত হাসান আলী ও মো. রাজীবকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চাচাশ্বশুর জহুর উদ্দিন এখনও পলাতক রয়েছেন। সদর থানায় নিহত তৈয়ব আলীর স্ত্রী সাবিনা খাতুন বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন। মামলার সংক্ষিপ্ত এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে আসামিদের সঙ্গে বিরোধ চলছিল এবং আগেই তাঁরা হত্যার হুমকি দিয়েছিলেন।
Image

আলোকদিয়া বাজারে মৃতদেহের পরিবারের বাড়ি তালা ঝুলানো অবস্থায় দেখা গেছে। পুলিশ এলাকায় সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কায় পাহারা দিচ্ছে। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালিদুর রহমান জানান, গ্রেপ্তার দুই আসামিকে দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং পলাতক অন্য আসামিকে ধরতে অভিযান চলছে।

এই নৃশংস ঘটনার ফলে গ্রামটি শোকাহত অবস্থায় রয়েছে। পরিবার ও স্থানীয়রা দোষীদের কঠোর শাস্তি দাবি করছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড রোধ করা যায়।


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত