ইলন মাস্কের সন্তানের প্রসঙ্গে মুখ খুললেন এশলে

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬
  • ২ বার
ইলন মাস্কের সন্তানের প্রসঙ্গে মুখ খুললেন এশলে

প্রকাশ: ২১ মে ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ও টেসলা-স্পেসএক্স প্রধান ইলন মাস্কের সন্তানের মা হওয়ার বিষয়টি নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন সাবেক ম্যাগা কর্মী এশলে ক্লেয়ার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একাধিক পোস্টে তিনি দাবি করেছেন, ব্যক্তিগত জীবনের সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ ছিল অর্থনৈতিক নিরাপত্তা এবং একটি বড় পরিবার গড়ে তোলার ইচ্ছা।

এশলে ক্লেয়ার জানান, ইলন মাস্কের সঙ্গে সম্পর্কের আগে থেকেই তিনি একজন সিঙ্গেল মা ছিলেন। আগের এক সম্পর্ক থেকে তার একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। তিনি বলেন, জীবনের একটি পর্যায়ে এসে তিনি এমন একজন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হন, যিনি সন্তান নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহী ছিলেন এবং ভবিষ্যৎ পরিবার পরিকল্পনা নিয়ে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করতেন।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, সেন্ট বার্টসে এক সফরের সময় ইলন মাস্ক তাকে জানান, তার জীবনের সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা হলো সময়। সেই আলোচনার পরই তিনি উপলব্ধি করেন, একজন স্থিতিশীল আর্থিক অবস্থার মানুষ হিসেবে মাস্কের সঙ্গে পরিবার গড়ার ধারণা তার কাছে বাস্তবসম্মত ও আকর্ষণীয় মনে হয়েছিল।

ক্লেয়ার বলেন, সিঙ্গেল মায়ের জীবন সবসময়ই কঠিন। সন্তানদের ভবিষ্যৎ ও ব্যয়ভার নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকে। সেই প্রেক্ষাপটে আরও সন্তান নেওয়ার বিষয়ে মাস্কের আগ্রহ তাকে মানসিকভাবে প্রভাবিত করেছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও দাবি করেন, গর্ভধারণের আগে তাদের সম্পর্ক ছিল ঘনিষ্ঠ ও আবেগপূর্ণ। তবে গর্ভবতী হওয়ার পর পরিস্থিতি বদলে যেতে শুরু করে। তার অভিযোগ, তখন থেকেই সম্পর্কের গতিপথে পরিবর্তন আসে এবং আগের কথাবার্তা ও বাস্তবতার মধ্যে ব্যবধান তৈরি হয়।

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট দিয়ে ক্লেয়ার জানান, তার সন্তানের বাবা ইলন মাস্ক। সন্তানের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার স্বার্থে তিনি কয়েক মাস বিষয়টি প্রকাশ করেননি বলেও উল্লেখ করেন।

পরবর্তীতে এক পডকাস্টে দেওয়া বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, মাস্ক প্রথমে প্রতি মাসে এক লাখ ডলার সহায়তা দিলেও পরে সেই অর্থ কমিয়ে ধাপে ধাপে ৪০ হাজার এবং পরে ২০ হাজার ডলারে নামিয়ে আনা হয়। এই পরিবর্তন নিয়ে তিনি হতাশা প্রকাশ করেন।

ক্লেয়ার আরও জানান, ২০২৩ সালের মে মাসে ইলন মাস্ক প্রথমবারের মতো তার সঙ্গে ব্যক্তিগত বার্তায় যোগাযোগ করেন। পরে এক সাক্ষাৎকার আয়োজনের সময় তাদের সরাসরি দেখা হয়, যেখানে তাদের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয় বলে তিনি দাবি করেন।

এই পুরো ঘটনাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রযুক্তি দুনিয়ার অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ইলন মাস্ককে ঘিরে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এমন প্রকাশ্য মন্তব্য আবারও ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

তবে এ বিষয়ে ইলন মাস্কের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে ক্লেয়ারের এসব দাবির সত্যতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত