সর্বশেষ :
২০২৬ বিশ্বকাপে বড় পরিবর্তন, ফুটবল টুর্নামেন্টে নতুন যুগের ইঙ্গিত সোমালি রেফারিকে ঢুকতে না দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনায় ইয়ান রাইট ২০২৬ বিশ্বকাপ: গোল্ডেন বুটের দৌড়ে কারা এগিয়ে? মিরসরাইয়ে নিখোঁজ তিন কিশোর উদ্ধার, স্বস্তি ফিরেছে পরিবারে মেলান্দহে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু চিরিরবন্দরে ৩ মাদকসেবীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কারাদণ্ড ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার, বাজার স্থিতিশীলতায় উদ্যোগ প্রশাসনিক কাজে জবাবদিহি নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মে মাসে বিজিবির অভিযানে ১৭৭ কোটি টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ, সীমান্তে কড়াকড়ি জোরদার ৭৯ হাজার ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ নিয়ে নতুন বিতর্ক, যাচাই প্রক্রিয়া ঘিরে আলোচনা

সিলেটে রেলের টিকিট কালোবাজারি চক্রের তিনজন আটক

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৯৪ বার

প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৫ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন

সিলেট অঞ্চলে ট্রেনের টিকিট বিক্রিতে দীর্ঘদিন ধরে চলা দুর্নীতির জালে এবার ধরা পড়েছে সংঘবদ্ধ একটি কালোবাজারি চক্র। কৃত্রিম টিকিট সংকট তৈরি করে চড়া দামে বিক্রির অভিযোগে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশন এলাকা থেকে তিনজনকে আটক করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-৯)। সোমবার (১৪ অক্টোবর) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে বিপুল পরিমাণ ট্রেনের টিকিট উদ্ধার হয়, যার মধ্যে সিলেট-ঢাকা রুটসহ দেশের বিভিন্ন রুটের পুরনো, বর্তমান ও আগাম টিকিট রয়েছে।

র‍্যাবের হাতে আটক ব্যক্তিরা হলেন—হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ দক্ষিণ বড়চরের আব্দুল নূরের পুত্র মো. সোহেল মিয়া (৩৩), বানিয়াচংয়ের নোয়াগাঁও গ্রামের মৃত জুনায়েদ মিয়ার পুত্র মো. জলিল সরদার (৪০) এবং শায়েস্তাগঞ্জের দাউদনগরের সাঈদ আলীর পুত্র এনাম মিয়া (৩৪)। তাদের কাছ থেকে ৭০০টিরও বেশি টিকিট উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব-৯ সূত্র জানায়, আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে ট্রেনের টিকিটের কালোবাজারিতে জড়িত। তারা অনলাইন ও অফলাইনে একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ টিকিট কিনে সাধারণ যাত্রীদের জন্য কৃত্রিম সংকট তৈরি করতো। পরবর্তীতে এই টিকিটগুলো দুই থেকে তিনগুণ বেশি দামে বিক্রি করত। তাদের এমন কর্মকাণ্ডে যাত্রীরা নিয়মিত ভোগান্তিতে পড়তেন এবং সিলেট-ঢাকা রুটসহ জনপ্রিয় ট্রেনগুলোর টিকিট পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছিল।

অভিযান শেষে র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ বলেন, “আটক তিনজন একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে রেলওয়ের টিকিট বিক্রিতে জালিয়াতি ও দুর্নীতির মাধ্যমে সাধারণ জনগণের ক্ষতি করে আসছিল। তাদের বিরুদ্ধে প্রমাণসাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”

পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তিনজনকেই ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। পরে তাদের হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

র‍্যাব জানিয়েছে, টিকিট কালোবাজারি প্রতিরোধে অভিযান চলমান থাকবে। তারা আরও জানায়, রেলসেবায় স্বচ্ছতা আনতে এবং যাত্রীদের অধিকার নিশ্চিত করতে এমন অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

রেলওয়ে প্রশাসনের কর্মকর্তারা মনে করছেন, এই অভিযান টিকিট কালোবাজারির বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তারা আশা প্রকাশ করেছেন, এতে ভবিষ্যতে টিকিট বিক্রির প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর হবে, ফলে সাধারণ যাত্রীরা প্রকৃত মূল্যে টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন কোনো ভোগান্তি ছাড়াই।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত