সর্বশেষ :

পুরোনো ছবি বিকৃতির অভিযোগ নাসীরুদ্দীনের বিরুদ্ধে

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৩ বার
পুরোনো ছবি বিকৃতির অভিযোগ নাসীরুদ্দীনের বিরুদ্ধে
প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।
জাতীয় রাজনীতির অঙ্গনে নতুন করে তীব্র বিতর্কের জন্ম নিয়েছে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর মধ্যকার সাম্প্রতিক দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে। শিক্ষা খাতের সংস্কার ও বর্তমান রাজনৈতিক গতিপ্রকৃতি নিয়ে যখন চারদিকে নানা আলোচনা চলছে, ঠিক সেই সময়ে একটি পুরোনো ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে উপস্থাপনের তীব্র অভিযোগ উঠেছে। মন্ত্রীর পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা তথ্য ও পুরোনো ছবি ছড়িয়ে দেশে অনাবশ্যক অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পুরোনো ছবি শেয়ার করেন। ওই ছবিতে বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের বিতর্কিত মন্ত্রী শাজাহান খানসহ তিনজনকে একসঙ্গে দেখা যায়। ছবিটির ক্যাপশনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ব্যঙ্গাত্মক বা ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্যে লেখেন যে, শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর বিশেষ বৈঠক চলছে। এই পোস্টটি মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি করে। সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকেই পোস্টটির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন।
তবে তথ্য যাচাই করতে গিয়ে ছবিটির আসল সত্যতা বেরিয়ে আসে। ক্যামেরার স্বয়ংক্রিয় দিন-তারিখের হিসাব ও অন্যান্য তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায় যে, আলোচিত ছবিটি বর্তমান সময়ের কোনো বৈঠকের নয়। এটি মূলত ২০২৩ সালের ৫ এপ্রিল রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে ধারণ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে গণমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরও নিশ্চিত করা হয় যে ছবিটি মূলত ২০২৩ সালের ৪ মে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের রাতের টকশোর ঠিক পূর্ববর্তী মুহূর্তের একটি দৃশ্য। সুদীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনের সময় বিভিন্ন টকশো বা গণমাধ্যমে রাজনৈতিক নেতারাসহ বিভিন্ন ব্যক্তি উপস্থিত হতেন, এটি তেমনই একটি পুরোনো মুহূর্তের চিত্র ছিল। অথচ সেই পুরোনো ছবিটিকে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন বা নতুন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জোড়পূর্বক উপস্থাপন করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।
এই ঘটনার পর শিক্ষামন্ত্রীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদলিপি প্রকাশ করা হয়। ওই পোস্টে স্পষ্টভাবে জানানো হয় যে, একটি কুচক্রী ও স্বার্থান্বেষী মহল বর্তমান সরকারের চলমান শিক্ষা সংস্কারের মহৎ উদ্যোগগুলোকে বাধাগ্রস্ত করতে এই ধরনের নোংরা অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে। দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী আমলেও ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের প্রতিবাদী কণ্ঠস্বরকে কেউ কখনো স্তব্ধ করতে পারেনি। তিনি সবসময় গণতন্ত্র, মানুষের মৌলিক অধিকার এবং শিক্ষার উন্নয়নের পক্ষে সোচ্চার ছিলেন। অথচ সেই ব্যক্তিত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পুরোনো ছবিকে বর্তমানের ঘটনার সঙ্গে জুড়ে দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে অসত্য বয়ান তৈরি করা হচ্ছে।
শিক্ষামন্ত্রীর পক্ষ থেকে আরও উল্লেখ করা হয় যে, দেশজুড়ে যখন একটি নতুন ও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার নিরলস প্রচেষ্টা চলছে, তখন এই ধরনের গুজব ছড়ানো দেশ ও জাতির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। সুনির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার এই অপচেষ্টা অত্যন্ত দুঃখজনক। বিবৃতির মাধ্যমে সমাজের সব স্তরের মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয় যেন তারা যেকোনো তথ্য যাচাই না করে অন্ধের মতো বিশ্বাস না করেন এবং গুজব পরিহার করে সত্য ও তথ্যের ভিত্তিতে সমাজ বিনির্মাণে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেন। রাজনীতিতে গঠনমূলক সমালোচনা থাকতে পারে, তবে ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য তথ্য বিকৃতি এবং পুরোনো ছবি ব্যবহার করে জনমনে অস্থিরতা সৃষ্টির সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

এই ঘটনার পর শিক্ষামন্ত্রীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদলিপি প্রকাশ করা হয়। ওই পোস্টে স্পষ্টভাবে জানানো হয় যে, একটি কুচক্রী ও স্বার্থান্বেষী মহল বর্তমান সরকারের চলমান শিক্ষা সংস্কারের মহৎ উদ্যোগগুলোকে বাধাগ্রস্ত করতে এই ধরনের নোংরা অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে। দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী আমলেও ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের প্রতিবাদী কণ্ঠস্বরকে কেউ কখনো স্তব্ধ করতে পারেনি। তিনি সবসময় গণতন্ত্র, মানুষের মৌলিক অধিকার এবং শিক্ষার উন্নয়নের পক্ষে সোচ্চার ছিলেন। অথচ সেই ব্যক্তিত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পুরোনো ছবিকে বর্তমানের ঘটনার সঙ্গে জুড়ে দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে অসত্য বয়ান তৈরি করা হচ্ছে।

শিক্ষামন্ত্রীর পক্ষ থেকে আরও উল্লেখ করা হয় যে, দেশজুড়ে যখন একটি নতুন ও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার নিরলস প্রচেষ্টা চলছে, তখন এই ধরনের গুজব ছড়ানো দেশ ও জাতির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। সুনির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার এই অপচেষ্টা অত্যন্ত দুঃখজনক। বিবৃতির মাধ্যমে সমাজের সব স্তরের মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয় যেন তারা যেকোনো তথ্য যাচাই না করে অন্ধের মতো বিশ্বাস না করেন এবং গুজব পরিহার করে সত্য ও তথ্যের ভিত্তিতে সমাজ বিনির্মাণে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেন। রাজনীতিতে গঠনমূলক সমালোচনা থাকতে পারে, তবে ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য তথ্য বিকৃতি এবং পুরোনো ছবি ব্যবহার করে জনমনে অস্থিরতা সৃষ্টির সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত