প্রকাশ: ১২ আগস্ট ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।
যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে আবারও নিজের অপ্রতিরোধ্য অবস্থান প্রমাণ করলেন মার্কিন কংগ্রেসের প্রভাবশালী সদস্য ও প্রগতিশীল নেত্রী ইলহান ওমর। দেশটির মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের পঞ্চম কংগ্রেশনাল ডিস্ট্রিক্টে অনুষ্ঠিত ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রাথমিক বাছাই নির্বাচনে বা প্রাইমারিতে এক বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন তিনি। এর মাধ্যমে আগামী মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের নিম্নকক্ষে ডেমোক্রেটিক পার্টির টিকিটে পুনর্নির্বাচিত হওয়ার দৌড়ে নিজের দলীয় মনোনয়ন পুরোপুরি নিশ্চিত করে ফেলেছেন এই জনপ্রিয় রাজনীতিক। ২০১৮ সাল থেকে শুরু করে দীর্ঘ সময় ধরে মিনেসোটার এই গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলটির প্রতিনিধিত্ব করে আসছেন ইলহান, যা সমগ্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে অন্যতম ডেমোক্রেট-প্রভাবিত ও নিরাপদ আসন হিসেবে পরিচিত। এবারের এই প্রাথমিক বাছাই নির্বাচনে তিনি নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীদের পেছনে ফেলে ৮০ শতাংশের চেয়েও বেশি ভোট অর্জন করেছেন, যা তাঁর প্রতি সাধারণ ভোটারদের অবিচল আস্থারই এক বড় বহিঃপ্রকাশ।
নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার এই লড়াইয়ে ইলহান ওমরের বিপরীতে ডেমোক্রেটিক পার্টির পক্ষ থেকে বেশ কয়েকজন প্রতিদ্বন্দ্বী অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে সাবেক ফেডারেল প্রসিকিউটর জুুলি টি লে, আবেনা ম্যাকেঞ্জি, লাটোনিয়া রিভস এবং নাট শ্লুটার উল্লেখযোগ্য। তবে বর্তমান রাজনৈতিক সমীকরণ, সাধারণ মানুষের মাঝে তাঁর জোরালো জনপ্রিয়তা এবং নীতিগত অবস্থান সব মিলিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীরা তাঁর জন্য বড় কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেননি। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতির তীব্র বিরোধিতা এবং প্রান্তিক মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে সোচ্চার থাকার কারণে নিজ এলাকায় তিনি সবসময়ই বেশ জনপ্রিয়। ইতিপূর্বে তাঁর পূর্ববর্তী সাধারণ নির্বাচনগুলোতে বড় ব্যবধানে জয় পাওয়ার ইতিহাস রয়েছে। অন্যদিকে, এই একই আসনে বিরোধী দল রিপাবলিকান পার্টির প্রাথমিক বাছাইয়ে জয়ী হয়ে প্রার্থিতা নিশ্চিত করার পথে এগিয়ে রয়েছেন জন নাগেল, যিনি ৫২ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছেন বলে বিভিন্ন পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।

মূলধারার রাজনীতিতে নিজের শক্তিশালী অবস্থান বজায় রাখার পাশাপাশি ইলহান ওমরকে দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন রাজনৈতিক আক্রমণ ও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে। বিশেষ করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তাঁর কট্টর সমর্থকগোষ্ঠী ‘মাগা’ (MAGA) শিবিরের পক্ষ থেকে তাঁর নাগরিকত্ব নিয়ে বারবার প্রশ্ন তোলা হয়েছে এবং তাঁর সোমালি ঐতিহ্য নিয়ে নানা উপহাস করা হয়েছে। এমনকি তাঁর ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়েও নানা সময়ে গভীর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর বিভিন্ন জনসভা ও টাউন হল মিটিংয়ের আশপাশে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সন্দেহজনক উপস্থিতি নিয়ে তিনি নিজেই প্রকাশ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। গত জানুয়ারি মাসে মিনিয়াপোলিসে একটি জনাকীর্ণ অনুষ্ঠানে এক উগ্র ব্যক্তির অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার শিকার হওয়ার পরেও তিনি বিন্দুমাত্র বিচলিত হননি, বরং সাহসিকতার সঙ্গে সমস্ত পরিস্থিতি মোকাবেলা করে নিজের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে গেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতি সংস্কার এবং কর্পোরেট প্রভাবে জর্জরিত অর্থনীতিতে সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় ইলহান ওমরের আপসহীন ভূমিকা তাঁকে তরুণ ও প্রগতিশীল ভোটারদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় করে তুলেছে। ডেমোক্রেটিক পার্টির অন্দরে এবং জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর এই বিজয় প্রমাণ করে যে সমস্ত রাজনৈতিক বিতর্ক ও বৈরী পরিবেশকে পেছনে ফেলে তিনি নিজ ডিস্ট্রিক্টের মানুষের মন জয় করে নিয়েছেন। মিনেসোটার পঞ্চম ডিস্ট্রিক্টের এই প্রাথমিক নির্বাচনী বৈতরণী সফলভাবে পেরিয়ে আসার পর এখন তাঁর মূল লক্ষ্য নভেম্বরের সাধারণ নির্বাচনে চূড়ান্ত জয় ছিনিয়ে আনা। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় ইলহান ওমরের এই জয় ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রগতিশীল ঘরানার রাজনীতিতে এক নতুন শক্তির জোগান দেবে।
নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার এই লড়াইয়ে ইলহান ওমরের বিপরীতে ডেমোক্রেটিক পার্টির পক্ষ থেকে বেশ কয়েকজন প্রতিদ্বন্দ্বী অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে সাবেক ফেডারেল প্রসিকিউটর জুুলি টি লে, আবেনা ম্যাকেঞ্জি, লাটোনিয়া রিভস এবং নাট শ্লুটার উল্লেখযোগ্য। তবে বর্তমান রাজনৈতিক সমীকরণ, সাধারণ মানুষের মাঝে তাঁর জোরালো জনপ্রিয়তা এবং নীতিগত অবস্থান সব মিলিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীরা তাঁর জন্য বড় কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেননি। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতির তীব্র বিরোধিতা এবং প্রান্তিক মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে সোচ্চার থাকার কারণে নিজ এলাকায় তিনি সবসময়ই বেশ জনপ্রিয়। ইতিপূর্বে তাঁর পূর্ববর্তী সাধারণ নির্বাচনগুলোতেও বড় ব্যবধানে জয় পাওয়ার রেকর্ড রয়েছে। অন্যদিকে, এই একই আসনে বিরোধী দল রিপাবলিকান পার্টির প্রাথমিক বাছাইয়ে জয়ী হয়ে প্রার্থিতা নিশ্চিত করার পথে এগিয়ে রয়েছেন জন নাগেল, যিনি ৫২ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছেন বলে বিভিন্ন পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।

মূলধারার রাজনীতিতে নিজের শক্তিশালী অবস্থান বজায় রাখার পাশাপাশি ইলহান ওমরকে দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন রাজনৈতিক আক্রমণ ও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে। বিশেষ করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তাঁর কট্টর সমর্থকগোষ্ঠী ‘মাগা’ (MAGA) শিবিরের পক্ষ থেকে তাঁর নাগরিকত্ব নিয়ে বারবার প্রশ্ন তোলা হয়েছে এবং তাঁর সোমালি ঐতিহ্য নিয়ে নানা উপহাস করা হয়েছে। এমনকি তাঁর ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়েও নানা সময়ে গভীর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর বিভিন্ন জনসভা ও টাউন হল মিটিংয়ের আশপাশে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সন্দেহজনক উপস্থিতি নিয়ে তিনি নিজেই প্রকাশ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। গত জানুয়ারি মাসে মিনিয়াপোলিসে একটি জনাকীর্ণ অনুষ্ঠানে এক উগ্র ব্যক্তির অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার শিকার হওয়ার পরেও তিনি বিন্দুমাত্র বিচলিত হননি, বরং সাহসিকতার সঙ্গে সমস্ত পরিস্থিতি মোকাবেলা করে নিজের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে গেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতি সংস্কার এবং কর্পোরেট প্রভাবে জর্জরিত অর্থনীতিতে সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় ইলহান ওমরের আপসহীন ভূমিকা তাঁকে তরুণ ও প্রগতিশীল ভোটারদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় করে তুলেছে। ডেমোক্রেটিক পার্টির অন্দরে এবং জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর এই বিজয় প্রমাণ করে যে সমস্ত রাজনৈতিক বিতর্ক ও বৈরী পরিবেশকে পেছনে ফেলে তিনি নিজ ডিস্ট্রিক্টের মানুষের মন জয় করে নিয়েছেন। মিনেসোটার পঞ্চম ডিস্ট্রিক্টের এই প্রাথমিক নির্বাচনী বৈতরণী সফলভাবে পেরিয়ে আসার পর এখন তাঁর মূল লক্ষ্য নভেম্বরের সাধারণ নির্বাচনে চূড়ান্ত জয় ছিনিয়ে আনা। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় ইলহান ওমরের এই জয় ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রগতিশীল ঘরানার রাজনীতিতে এক নতুন শক্তির জোগান দেবে।