প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন দীর্ঘদিন বিলম্বিত হওয়ায় সাধারণ মানুষ বিভিন্ন ধরনের নাগরিক সেবা পেতে দুর্ভোগের মুখে পড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির পরিবর্তে বিভিন্ন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনার কারণে প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা ও জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ দুর্বল হচ্ছে বলেও মনে করেন তিনি।
শনিবার (২২ আগস্ট) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিষয়ক মাস্টার ট্রেইনার প্রশিক্ষণ-২০২৬’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে দলের মাস্টার ট্রেইনারদের দক্ষতা ও প্রস্তুতি বাড়ানোর লক্ষ্যেই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিটি আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আব্দুস সাদেক ভূইয়া।
হামিদুর রহমান আযাদ তার বক্তব্যে বাংলাদেশের সংবিধানে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার গুরুত্বের বিষয়টিও সামনে আনেন। তিনি সংবিধানের ১১, ৫৯ ও ৬০ অনুচ্ছেদের কথা উল্লেখ করে বলেন, এসব অনুচ্ছেদে স্থানীয় সরকার এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিত্বের গুরুত্ব প্রতিফলিত হয়েছে।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদে স্থানীয় শাসনের দায়িত্ব নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠানের ওপর ন্যস্ত করার কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে ৬০ অনুচ্ছেদে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে স্থানীয় প্রয়োজনে কর আরোপ, বাজেট প্রস্তুত এবং নিজস্ব তহবিল রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতা দেওয়ার লক্ষ্যে সংসদকে আইন প্রণয়নের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ১১ অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রকে গণতন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করার পাশাপাশি নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার নীতি তুলে ধরা হয়েছে।
ফলে স্থানীয় সরকার নির্বাচন কেবল মেয়র, চেয়ারম্যান কিংবা কাউন্সিলর নির্বাচনের একটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নয়। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে উপজেলা, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন পর্যন্ত মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অসংখ্য সেবার সঙ্গে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পর্ক রয়েছে।
জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, নাগরিক সনদ, স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়ন, সড়ক ও নালা সংস্কার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে সহায়তা এবং স্থানীয় বিরোধ নিষ্পত্তিসহ বিভিন্ন কাজে জনপ্রতিনিধিরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখেন। ফলে দীর্ঘ সময় নির্বাচিত প্রতিনিধি না থাকলে সাধারণ মানুষের সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসনের যোগাযোগে দূরত্ব তৈরির আশঙ্কা থাকে।
হামিদুর রহমান আযাদের অভিযোগ, বিভিন্ন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির বদলে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়ার ফলে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ছে। নির্বাচন যত বিলম্বিত হবে, জনদুর্ভোগ তত বাড়বে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তার মতে, প্রশাসনিক কর্মকর্তা দিয়ে সাময়িকভাবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা সম্ভব হলেও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির রাজনৈতিক ও সামাজিক জবাবদিহির জায়গাটি সেখানে একইভাবে কার্যকর থাকে না। জনগণ ভোটের মাধ্যমে যাকে প্রতিনিধি নির্বাচন করে, সেই ব্যক্তির সঙ্গে নাগরিকদের প্রত্যক্ষ সম্পর্ক থাকে। পরবর্তী নির্বাচনে সেই প্রতিনিধির কাজের মূল্যায়নের সুযোগও ভোটাররা পান।
এই প্রেক্ষাপটে দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানান জামায়াতের এই নেতা।
স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে জামায়াতের এমন অবস্থান নতুন নয়। এর আগেও নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দ্রুত আয়োজনের দাবি জানিয়েছে দলটি। ২০২৫ সালের জুনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকের পর হামিদুর রহমান আযাদ বলেছিলেন, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হলে জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ বাড়বে।
সাম্প্রতিক সময়েও নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করেছে জামায়াত। চলতি আগস্টে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দলটির প্রতিনিধিদলের বৈঠকে স্থানীয় নির্বাচনসংক্রান্ত নয়টি প্রস্তাব দেওয়া হয়। সেই প্রতিনিধিদলে হামিদুর রহমান আযাদও ছিলেন।
এদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময়সূচি নিয়ে গত কয়েক মাস ধরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন গত মে মাসে জানিয়েছিলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তারিখ তখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে নির্বাচন দলীয় প্রতীক ছাড়া আয়োজনের কথা জানিয়েছিলেন তিনি।
এই বাস্তবতার মধ্যেই নিজেদের সাংগঠনিক প্রস্তুতি শুরু করেছে জামায়াতে ইসলামী। স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাইয়ের পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে সাংগঠনিক সক্ষমতা বাড়ানোর কার্যক্রমও চালাচ্ছে দলটি।
দলীয় সূত্রের বরাতে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পৌরসভা, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের জন্য অধিকাংশ এলাকায় সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ এগিয়ে নিয়েছে জামায়াত। প্রার্থী নির্বাচনে অভিজ্ঞতা, গ্রহণযোগ্যতা ও স্থানীয় জনপ্রিয়তার মতো বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও আলাদা প্রস্তুতি রয়েছে দলটির।
শনিবারের মাস্টার ট্রেইনার প্রশিক্ষণ সেই বৃহত্তর নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
প্রশিক্ষণে হামিদুর রহমান আযাদ ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক সাফল্যের মধ্যে পার্থক্য নিয়েও কথা বলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, একটি রাজনৈতিক দল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গেলে সেটিকে পার্থিব অর্থে সামষ্টিক সাফল্য হিসেবে দেখা যেতে পারে। তবে জামায়াতের রাজনৈতিক লক্ষ্য কেবল ক্ষমতা অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় বলে দাবি করেন তিনি।
ইসলামকে একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা হিসেবে গ্রহণ করে সমাজ ও রাষ্ট্রে ইতিবাচক পরিবর্তনের লক্ষ্যে দলটি কাজ করছে বলে জানান জামায়াতের এই নেতা।
তিনি বলেন, সমাজ ও রাষ্ট্রে ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রক্রিয়াই সংগ্রামের অংশ। জনমতকে কার্যকর রাজনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করতে সাংগঠনিক এবং প্রশাসনিক সক্ষমতা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তার বক্তব্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে জামায়াতের দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা গেছে। স্থানীয় পর্যায়ে ভালো ফল করলে দলটির সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী হবে এবং ভবিষ্যৎ জাতীয় রাজনীতিতেও তার প্রভাব পড়বে বলে মনে করেন তিনি।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভালো ফল অর্জন ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ের নির্বাচনেও দলকে আরও কার্যকর অবস্থানে নিয়ে যেতে পারে। এ কারণেই স্থানীয় পর্যায়ে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনশক্তি তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া মাস্টার ট্রেইনারদের মাঠপর্যায়ে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগানোর নির্দেশনাও দেন তিনি। স্থানীয় পর্যায়ে সংগঠনের প্রস্তুতি, জনসম্পৃক্ততা এবং নির্বাচনী সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে প্রশিক্ষিত কর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
নির্বাচনী রাজনীতিতে মাঠপর্যায়ের সংগঠন বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীর ব্যক্তিগত পরিচিতি, এলাকার মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক এবং স্থানীয় সমস্যার বিষয়ে অবস্থান অনেক ক্ষেত্রে বেশি প্রভাব ফেলে। ফলে শক্তিশালী স্থানীয় সংগঠন রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
জামায়াতও সেই জায়গায় গুরুত্ব বাড়াচ্ছে। বিশেষ করে স্থানীয় পর্যায়ে তরুণ নেতৃত্বকে সামনে আনার পরিকল্পনা রয়েছে দলটির। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে দলটি আগের কিছু নীতিতে পরিবর্তন এনেছে এবং সাংগঠনিক পরিচয়ের পাশাপাশি সামাজিক গ্রহণযোগ্যতাকেও গুরুত্ব দিচ্ছে।
তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন কখন অনুষ্ঠিত হবে, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। নির্বাচন কমিশন সময়সূচি চূড়ান্ত না করলেও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে প্রস্তুতি দৃশ্যমান হয়ে উঠছে।
হামিদুর রহমান আযাদের বক্তব্যে এই নির্বাচন দ্রুত আয়োজনের রাজনৈতিক দাবির পাশাপাশি জনসেবার বিষয়টিও সামনে এসেছে। তার দাবি, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না থাকায় স্থানীয় পর্যায়ে নাগরিকদের সমস্যা সমাধানের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
অবশ্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক নিয়োগের কারণে সেবা কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেটি নির্ধারণে অঞ্চলভিত্তিক তথ্য ও সেবার মান বিশ্লেষণ প্রয়োজন। নির্বাচিত প্রতিনিধি না থাকার কারণে সব এলাকায় একই মাত্রার সমস্যা তৈরি হয়েছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্যও বিস্তৃত তথ্য দরকার।
তারপরও স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার মৌলিক কাঠামোয় নির্বাচিত প্রতিনিধিত্ব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ স্থানীয় পর্যায়ে গণতান্ত্রিক জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রধান মাধ্যম হচ্ছে নিয়মিত নির্বাচন।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা নাগরিকদের সবচেয়ে কাছের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন। জাতীয় পর্যায়ের একজন সংসদ সদস্য কিংবা কেন্দ্রীয় প্রশাসনের তুলনায় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য, চেয়ারম্যান, পৌর কাউন্সিলর কিংবা মেয়রের কাছে সাধারণ মানুষ অনেক সহজে দৈনন্দিন সমস্যা তুলে ধরতে পারেন।
নিয়মিত নির্বাচন সেই সম্পর্ককে জবাবদিহির কাঠামোর মধ্যে রাখে। ভালো কাজ করলে জনপ্রতিনিধি পুনরায় নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ পান। ব্যর্থ হলে ভোটাররা অন্য কাউকে বেছে নিতে পারেন। দীর্ঘ সময় নির্বাচন না হলে এই সরাসরি গণতান্ত্রিক মূল্যায়নের সুযোগ সীমিত হয়ে পড়ে।
শনিবারের বক্তব্যে হামিদুর রহমান আযাদ মূলত এই জায়গাটিই রাজনৈতিকভাবে সামনে এনেছেন। তার মতে, দ্রুত নির্বাচন হলে জনগণ নিজেদের প্রতিনিধি বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবে এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোও আরও কার্যকর হয়ে উঠবে।
একই সঙ্গে তার বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, জামায়াত স্থানীয় নির্বাচনকে শুধু স্থানীয় প্রশাসনের প্রশ্ন হিসেবে দেখছে না। দলটির ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক সম্প্রসারণ এবং জাতীয় নির্বাচনী সক্ষমতা তৈরির ক্ষেত্র হিসেবেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
ফলে সামনে স্থানীয় নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা হলে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা আরও দৃশ্যমান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। জামায়াত ইতোমধ্যে প্রার্থী প্রস্তুতি এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করেছে। অন্যান্য রাজনৈতিক দলও নিজেদের স্থানীয় কাঠামো সক্রিয় করলে মাঠের প্রতিযোগিতা বাড়বে।
শেষ পর্যন্ত নির্বাচন কখন হবে, সেটি নির্ধারণের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশন এবং সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর। তবে সময়সূচি যত পিছিয়ে যাচ্ছে, দ্রুত নির্বাচনের রাজনৈতিক দাবিও তত জোরালো হচ্ছে।
হামিদুর রহমান আযাদের বক্তব্য সেই দাবিরই সর্বশেষ প্রকাশ। তার মতে, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর রাখা এবং মানুষের দৈনন্দিন দুর্ভোগ কমাতে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে দায়িত্ব ফিরিয়ে দেওয়া জরুরি। সেই লক্ষ্য অর্জনের প্রধান পথ হিসেবে দ্রুত, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।