বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে বাণিজ্যিক, অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা সম্প্রসারণের নতুন সম্ভাবনা নিয়ে ঢাকায় শুরু হয়েছে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের আলোচনা। বিনিয়োগ, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি, শিক্ষা, ক্রীড়া এবং ব্যবসায়িক অংশীদারত্বসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হচ্ছে রাশিয়া-বাংলাদেশ বাণিজ্য, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক ও কারিগরি সহযোগিতাবিষয়ক আন্তসরকারি কমিশনের (আইজিসি) পঞ্চম বৈঠক। এই বৈঠকের অংশ হিসেবে দুই দেশের সরকারি প্রতিনিধি, বিশেষজ্ঞ এবং ব্যবসায়ী নেতারা নিজেদের মধ্যে মতবিনিময় করছেন। পাশাপাশি সরাসরি ব্যবসায়িক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা এবং যৌথ বিনিয়োগের সম্ভাবনা অনুসন্ধানের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে রাশিয়া-বাংলাদেশ ব্যবসায়িক সংলাপ।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ঢাকায় অবস্থিত রাশিয়ার দূতাবাস এক বার্তায় এসব তথ্য জানিয়েছে। দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের আলোচনার মধ্য দিয়ে কমিশনের পঞ্চম বৈঠকের কার্যক্রম শুরু হয়। আলোচনায় দুই দেশের প্রতিনিধিরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক পর্যালোচনা করেন। বিশেষ করে অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও কার্যকর ও বহুমুখী করার পাশাপাশি বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, শিক্ষা এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন সহযোগিতার সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয়।
আন্তসরকারি কমিশনের এই বৈঠককে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ ধরনের কমিশনের মাধ্যমে সাধারণত দুই দেশের সরকারি পর্যায়ের সিদ্ধান্ত, ব্যবসায়িক স্বার্থ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাবনাগুলো এক জায়গায় আলোচনার সুযোগ তৈরি হয়। ফলে শুধু কূটনৈতিক সম্পর্কের আনুষ্ঠানিকতা নয়, বাস্তব অর্থনৈতিক কার্যক্রমের ক্ষেত্রেও আলোচনার ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
দূতাবাস জানিয়েছে, বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের আলোচনায় বিনিয়োগ, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি), শিক্ষা এবং ক্রীড়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে দুই দেশের প্রতিনিধিরা মতবিনিময় করেছেন। এসব আলোচনার ফলাফল কমিশনের পঞ্চম অধিবেশনের চূড়ান্ত দলিল বা প্রটোকলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এর মাধ্যমে আলোচনায় উঠে আসা বিষয়গুলোকে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার কাঠামোর মধ্যে আনার সুযোগ তৈরি হবে। তবে কোন খাতে কী ধরনের প্রকল্প নেওয়া হবে, কত বিনিয়োগ হতে পারে কিংবা সুনির্দিষ্টভাবে কোন কোন চুক্তি সম্পাদিত হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
একই সংলাপে বাংলাদেশের ব্যবসায়ী সংগঠন ও রাশিয়ার ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়টিও বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। নবগঠিত রাশিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল এবং ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) যৌথ উদ্যোগে বৃহস্পতিবার ব্যবসায়িক সংলাপটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে দুই দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী নেতা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন। সংলাপে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম তুলে ধরার পাশাপাশি সম্ভাব্য ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব, বিনিয়োগ এবং বাজার সম্প্রসারণের সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন তারা।
অনুষ্ঠানে রাশিয়ার ফেডারেল এজেন্সি ফর ফিশারিজের প্রধান এবং আন্তসরকারি কমিশনের রুশ অংশের চেয়ারম্যান ইলিয়া শেস্তাকভ বলেন, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী রাশিয়া। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও কার্যকর পর্যায়ে নিয়ে যেতে ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। একই সঙ্গে রাশিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল এবং এফবিসিসিআইয়ের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতা গড়ে উঠবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেন।
রাশিয়ার এই আগ্রহের পেছনে রয়েছে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের সম্ভাবনা। বাংলাদেশের জন্য রাশিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনাময় বাজার। অন্যদিকে রাশিয়ার জন্য বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি উল্লেখযোগ্য বাণিজ্যিক অংশীদার। কৃষিপণ্য, খাদ্যসামগ্রী, সার, জ্বালানি এবং প্রযুক্তিসংশ্লিষ্ট খাতে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের খাদ্য ও জ্বালানি চাহিদা এবং রাশিয়ার উৎপাদন ও সরবরাহ সক্ষমতার মধ্যে কার্যকর সংযোগ তৈরি করা গেলে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
ব্যবসায়িক সংলাপে বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের বিভিন্ন ক্ষেত্র তুলে ধরা হয়। কৃষি ও কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, ওষুধশিল্প, জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি, টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ও হাইটেক পার্কে রুশ প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগ এবং যৌথ উদ্যোগে শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করা হয়। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার খোজিন দুই দেশের উদ্যোক্তাদের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারে রাশিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান সাত্তার মিয়ার উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, দুই দেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্যে সরাসরি সংলাপ বাস্তবভিত্তিক যৌথ প্রকল্প বাস্তবায়নের পথ সুগম করবে। তার মতে, ব্যবসায়ীদের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে যে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হবে, সেগুলোই দীর্ঘমেয়াদে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের দৃঢ়তা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সংলাপের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল ব্যবসা-বাণিজ্যের বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করার প্রয়োজনীয়তা। দুই দেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা মনে করেন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা থাকলেও অর্থ পরিশোধের ব্যবস্থা, ব্যাংকিং সহযোগিতা, নিয়ন্ত্রক প্রক্রিয়া, পরিবহন ও সরবরাহব্যবস্থা এবং বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে কিছু জটিলতা রয়েছে। এসব বিষয় সহজ করা না গেলে ব্যবসায়িক আগ্রহকে বাস্তব লেনদেন ও বিনিয়োগে রূপ দেওয়া কঠিন হতে পারে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে কার্যকর ও টেকসই অর্থ পরিশোধব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়টি দুই দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
এদিকে ব্যবসায়িক সংলাপে এফবিসিসিআই এবং রাশিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই সমঝোতার লক্ষ্য দুই দেশের ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বাণিজ্যিক যোগাযোগ বাড়ানো, বিনিয়োগের সুযোগ সম্পর্কে তথ্য বিনিময় এবং যৌথ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সহযোগিতার কাঠামো তৈরি করা। এর আওতায় দুই দেশের ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণে বাণিজ্য মেলা, প্রদর্শনী, ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদল বিনিময় এবং বিনিয়োগবিষয়ক ফোরাম আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি সম্ভাব্য যৌথ প্রকল্প চিহ্নিত করে সেগুলোর অগ্রগতি নিয়ে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে।
এ ধরনের সমঝোতা বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন বাজার সম্পর্কে জানার সুযোগ তৈরি হবে। বাংলাদেশের কোনো প্রতিষ্ঠান রাশিয়ার বাজারে পণ্য রপ্তানি করতে চাইলে স্থানীয় ব্যবসায়িক অংশীদার খুঁজে পাওয়া, বাজারের চাহিদা বোঝা এবং প্রয়োজনীয় যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করা সহজ হতে পারে। একইভাবে রাশিয়ার প্রতিষ্ঠানগুলোও বাংলাদেশের উৎপাদন, ভোক্তা বাজার ও বিনিয়োগ পরিবেশ সম্পর্কে সরাসরি ধারণা পেতে পারে। তবে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়াই তাৎক্ষণিকভাবে কোনো নির্দিষ্ট বাণিজ্যিক চুক্তি বা বিনিয়োগ বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা দেয় না। এর কার্যকারিতা নির্ভর করবে পরবর্তী সময়ে দুই পক্ষের উদ্যোগ ও বাস্তব অগ্রগতির ওপর।
জ্বালানি খাতেও দুই দেশের সহযোগিতার সম্ভাবনা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এবং তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সরবরাহের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। রাশিয়ার জ্বালানি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সম্ভাব্য সহযোগিতা এবং বিকল্প অর্থ পরিশোধব্যবস্থা নিয়েও সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি কৃষিপণ্য, খাদ্যসামগ্রী ও সার সরবরাহ বাড়ানোর বিষয়ে রাশিয়ার আগ্রহের কথাও উঠে এসেছে। এসব খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারিত হলে বাংলাদেশের আমদানি উৎস বৈচিত্র্যময় করার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে সরবরাহের মূল্য, অর্থ পরিশোধের পদ্ধতি, আন্তর্জাতিক বিধিনিষেধ এবং পরিবহনসংক্রান্ত বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই যেকোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের উন্নয়নেও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ রয়েছে বলে ব্যবসায়িক পর্যায়ে আলোচনা হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং মস্কো এক্সচেঞ্জের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়ানোর প্রস্তাবও সামনে এসেছে। দুই দেশের পুঁজিবাজারের অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তি এবং বাজার পরিচালনার পদ্ধতি সম্পর্কে পারস্পরিক ধারণা বিনিময় হলে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে। এ ছাড়া শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নের ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টিও আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে।
উল্লেখ্য, রাশিয়া-বাংলাদেশ আন্তসরকারি কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১৭ সালে। দুই দেশের বাণিজ্য, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক ও কারিগরি সহযোগিতা এগিয়ে নিতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করছে। কমিশনের সর্বশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০২৩ সালের মার্চে, যা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আয়োজন করা হয়েছিল। দীর্ঘ বিরতির পর এবার ঢাকায় সশরীরে পঞ্চম বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ায় দুই দেশের সরকারি কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীদের সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
সব মিলিয়ে ঢাকায় অনুষ্ঠিত রাশিয়া-বাংলাদেশ ব্যবসায়িক সংলাপ দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে নতুনভাবে এগিয়ে নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। তবে আলোচনার সাফল্য শুধু আগ্রহ প্রকাশ কিংবা সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। ব্যবসায়িক প্রতিবন্ধকতা দূর করা, সহজ অর্থ পরিশোধব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরি এবং যৌথ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে আলোচনার ফলাফল দৃশ্যমান করতে হবে। এতে বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা নতুন বাজার ও বিনিয়োগের সুযোগ পাবেন, পাশাপাশি রাশিয়ার প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও বাংলাদেশে ব্যবসা সম্প্রসারণের সম্ভাবনা তৈরি হবে। দুই দেশের সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে ধারাবাহিক উদ্যোগ বজায় থাকলে এই সংলাপ ভবিষ্যতে বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব আরও গভীর করার ভিত্তি হয়ে উঠতে পারে।
স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত