সর্বশেষ :
প্রস্তাবিত বাজেটে প্রবাসী কল্যাণ খাতে বরাদ্দ কমায় উদ্বেগ তামাকমুক্ত বাংলাদেশের লক্ষ্য অর্জনে বাধা হতে পারে প্রস্তাবিত বাজেট: বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ নতুন চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগে গতি ফিরবে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল নয়, লাইসেন্স বাতিল হয়েছে প্যাথলজি সেন্টারের: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ব্যাখ্যা খুলনায় গুলিতে নিহত বিএনপি নেতা ঢাকাইয়া রফিক, এলাকায় চাঞ্চল্য বাজেটে ঘাটতি ও ঋণনির্ভরতার ঝুঁকি, সরকারের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন জামায়াতের রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারে জেলা কমিটি বাজেটে সংস্কার দেখছেন না নাহিদ ইসলাম দেশকে সম্মানে ফেরানোর অঙ্গীকার মঈন খানের চলে গেলেন ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী ব্রিতো

দিল্লিতে প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে হাসিনার বক্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানাল ঢাকা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৬১ বার

প্রকাশ: ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত পলাতক শেখ হাসিনাকে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে একটি প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ায় গভীর ক্ষোভ ও বিস্ময় প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকার।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৩ জানুয়ারি দিল্লিতে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা প্রকাশ্যে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচন বানচালের লক্ষ্যে সহিংস ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়াতে তার অনুসারীদের উসকানি দেন।

সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়, শেখ হাসিনার বক্তব্য বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ, শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি। বিষয়টি বাংলাদেশ সরকার ও জনগণকে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ-ভারত প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত আনার জন্য একাধিকবার অনুরোধ জানানো হলেও ভারত এখনো সে দায়িত্ব পালন করেনি। বরং ভারতের ভূখণ্ডে তাকে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রচলিত নীতিমালা—সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতির পরিপন্থি।

বাংলাদেশ সরকার মনে করে, এ ধরনের অনুষ্ঠানের অনুমতি বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের প্রতি স্পষ্ট অবমাননা এবং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের জন্য একটি উদ্বেগজনক দৃষ্টান্ত।

বিবৃতিতে বলা হয়, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের এই উসকানিমূলক আচরণই প্রমাণ করে কেন অন্তর্বর্তী সরকার দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনের আগে ও নির্বাচনের দিন সংঘটিত যেকোনো সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের দায় সরকার আওয়ামী লীগের ওপর ন্যস্ত করবে এবং এসব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত