জাতীয় ঈদগাহে একসঙ্গে নামাজে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬
  • ৮০ বার

প্রকাশ: ২৮ মে ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

রাজধানীর ঐতিহাসিক জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাতে একসঙ্গে নামাজ আদায় করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহে এ প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

ঈদের প্রধান জামাতকে কেন্দ্র করে ভোর থেকেই জাতীয় ঈদগাহ এলাকায় মুসল্লিদের ভিড় বাড়তে থাকে। সকাল ৭টার কিছু সময় পর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পৌঁছান। পরে নির্ধারিত সময়ে তারা দেশের শীর্ষ পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেন।

এ জামাতে জাতীয় সংসদের স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, সামরিক ও বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি জাতীয় ঈদগাহে একসঙ্গে নামাজ আদায় করেছেন।

ঈদের প্রধান জামাতে ইমামতি করেন মাওলানা মুফতি মো. আবদুল মালেক। নামাজ শেষে দেশ, জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়। পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং নির্যাতিত মানুষের নিরাপত্তার জন্যও মোনাজাত করা হয়।

এবার জাতীয় ঈদগাহে মুসল্লিদের সুবিধার্থে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়। মোট ১২১টি কাতারের ব্যবস্থা করা হয় যেখানে নারী ও পুরুষ মুসল্লিদের জন্য পৃথক স্থান নির্ধারণ করা হয়েছিল। গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য আলাদা কাতারও রাখা হয়।

মুসল্লিদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ছিল কঠোর ব্যবস্থা। বাংলাদেশ পুলিশ, র‍্যাব এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা জাতীয় ঈদগাহ ও আশপাশের এলাকায় দায়িত্ব পালন করেন। প্রবেশপথে তল্লাশি, সিসিটিভি নজরদারি এবং নিয়ন্ত্রণ কক্ষের মাধ্যমে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়।

ঈদগাহে প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য পৃথক গেট রাখা হয়েছিল। নারী মুসল্লিদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ, নামাজের স্থান এবং অজুখানার ব্যবস্থাও ছিল। গরমের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে পুরো প্যান্ডেলে শতাধিক ফ্যান স্থাপন করা হয় এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের অংশে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাও রাখা হয়েছিল।

ঈদের নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। ধর্মীয় সম্প্রীতি, ত্যাগের শিক্ষা এবং সামাজিক বন্ধনের আবহে রাজধানীজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com