অতিরিক্ত সার-কীটনাশকে হাওরে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪ বার
অতিরিক্ত সার-কীটনাশকে হাওরে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

উচ্চফলনের আশায় সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে কৃষকদের মধ্যে হাইব্রিড ও উচ্চফলনশীল ধানের চাষ বাড়ছে। এর সঙ্গে বাড়ছে রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার। ফসল রক্ষায় এসব উপকরণ কৃষকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও মাত্রাতিরিক্ত ও অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারে একদিকে কৃষকের নিজের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে, অন্যদিকে হাওরের পানি, মাছ, জলজ প্রাণী ও সামগ্রিক জীববৈচিত্র্যের ওপর তৈরি হচ্ছে বাড়তি চাপ।

হাওর এমন একটি জলাভূমি, যেখানে কৃষি, মৎস্যসম্পদ, উদ্ভিদ ও মানুষের জীবনযাত্রা একে অন্যের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। বোরো মৌসুমে বিস্তীর্ণ হাওরের জমি ফসলের মাঠে পরিণত হলেও বর্ষা এলেই সেই জমি পানির নিচে চলে যায়। ফলে কৃষিজমিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক পদার্থ বৃষ্টির পানি, সেচের পানি ও জমির পলির সঙ্গে ধুয়ে আশপাশের খাল, বিল, নদী ও হাওরে পৌঁছানোর সুযোগ থাকে। এ কারণে হাওরাঞ্চলে কৃষিতে রাসায়নিক ব্যবহারের প্রভাব শুধু জমি বা কৃষকের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; তা বিস্তৃত জলজ বাস্তুতন্ত্রেও পড়তে পারে।

টাঙ্গুয়ার হাওর এ বাস্তবতার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণগুলোর একটি। এটি আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ রামসার জলাভূমি এবং দেশের অন্যতম সমৃদ্ধ মিঠাপানির বাস্তুতন্ত্র। বিভিন্ন গবেষণায় টাঙ্গুয়ার হাওরে ১৪১ থেকে ১৪৩ প্রজাতির মাছের উপস্থিতির কথা উঠে এসেছে। একই সঙ্গে এখানে জলজ উদ্ভিদ, উভচর, সরীসৃপ, পাখি ও অন্যান্য প্রাণীর বৈচিত্র্য রয়েছে। গবেষণায় কৃষিজ রাসায়নিকসহ বিভিন্ন ধরনের পরিবেশদূষণকে হাওরের জীববৈচিত্র্যের ওপর চাপ সৃষ্টিকারী কারণগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

হাওরপাড়ের কৃষকদের কাছে অবশ্য বিষয়টি অনেকটাই বাস্তব অভিজ্ঞতার। টাঙ্গুয়ার হাওরপাড়ের কৃষক মুক্তার হোসেনের ভাষ্য, একসময় তারা দেশি ধানের আবাদ করতেন এবং সেসব ধানে তুলনামূলক কম সার ও কীটনাশক প্রয়োজন হতো। এখন উচ্চফলনশীল ও হাইব্রিড ধানের আবাদে রোগবালাই নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন রাসায়নিক ব্যবহার করতে হয়। তার দাবি, এসব রাসায়নিক ব্যবহারের কারণে কৃষকদের শারীরিক নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

সত্তরোর্ধ্ব কৃষক রবীন্দ্র হাজংয়ের অভিজ্ঞতাও ভিন্ন ধরনের। মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুণ্ডা উত্তর ইউনিয়নের বাঁকাতলা গ্রামের এই কৃষক একসময় দেশি ধানের চাষ করতেন। সময়ের সঙ্গে তিনিও অন্য অনেক কৃষকের মতো উচ্চফলনশীল ধানের চাষে যুক্ত হয়েছেন। তবে তিনি তুলনামূলক কম পরিমাণে সার ও কীটনাশক ব্যবহারের চেষ্টা করেন। দীর্ঘদিন নিজের উৎপাদিত ধানের ভাত খেয়ে আসার কথা উল্লেখ করে তিনি মনে করেন, রাসায়নিকের ব্যবহার কম রাখার কারণে তার স্বাস্থ্যও তুলনামূলক ভালো রয়েছে।

হাওরাঞ্চলে দেশি ধানের হারিয়ে যাওয়ার বিষয়টিও এ আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একসময় বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক স্থানীয় ধানের জাত চাষ হতো। হাওর অঞ্চলেও রাতা, গচি শাইল, লাকাই, পানিশাইল, টেপি, রঙ্গিলা টেপি, রাজাশাইল, বেগুন বিচি, কালোজিরা ও বাঁশফুলের মতো নানা জাতের ধান পরিচিত ছিল। উচ্চফলনশীল জাতের বিস্তারের সঙ্গে এসব স্থানীয় জাতের অনেকগুলোই এখন কমে গেছে বা বিলুপ্তির ঝুঁকিতে পড়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষকের উৎপাদন বাড়ানোর প্রয়োজনকে অস্বীকার করার সুযোগ নেই। হাওরের কৃষকরা প্রকৃতির নানা ঝুঁকি মোকাবিলা করে একটি মাত্র মৌসুমে ফসল ঘরে তোলেন। আগাম বন্যা, অতিবৃষ্টি, রোগবালাই বা পোকামাকড়ের আক্রমণে একটি মৌসুমের ফসল নষ্ট হলে কৃষকের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হয়। তাই দ্রুত ফলন ও রোগবালাই প্রতিরোধী জাতের প্রতি কৃষকের আগ্রহ স্বাভাবিক। কিন্তু উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি রাসায়নিক ব্যবহারের সঠিক মাত্রা ও নিরাপদ প্রয়োগ নিশ্চিত করা না গেলে দীর্ঘমেয়াদে এর খেসারত কৃষক ও পরিবেশ—দুই পক্ষকেই দিতে হতে পারে।

অতিরিক্ত রাসায়নিকের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে সতর্ক করে আসছেন। কীটনাশকের সরাসরি সংস্পর্শে ত্বকে জ্বালা বা প্রদাহ, চোখে সমস্যা, মাথা ঘোরা, বমিভাব এবং শ্বাসকষ্টের মতো তাৎক্ষণিক উপসর্গ দেখা দিতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি বা উচ্চমাত্রার সংস্পর্শে নির্দিষ্ট কিছু রাসায়নিকের ক্ষেত্রে স্নায়ুতন্ত্র, কিডনি, লিভার কিংবা হরমোন ব্যবস্থার ওপর ক্ষতিকর প্রভাবের আশঙ্কা রয়েছে। ঝুঁকি নির্ভর করে রাসায়নিকের ধরন, মাত্রা, ব্যবহারের পদ্ধতি এবং সংস্পর্শের সময়কালসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর।

বাংলাদেশে কীটনাশক বিষক্রিয়া নিয়ে সাম্প্রতিক গবেষণাও উদ্বেগের একটি দিক তুলে ধরেছে। যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব এডিনবরার গবেষকদের নেতৃত্বে প্রকাশিত ২০২৬ সালের একটি গবেষণায় ২০১৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দেশের ১০টি তৃতীয় স্তরের হাসপাতালের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এসব হাসপাতালে ১ হাজার ৪২০টি প্যারাকোয়াট বিষক্রিয়ার ঘটনা শনাক্ত হয়। গবেষণায় ২০১৩ সালে একটি ঘটনা থেকে ২০২৪ সালে ৪৯৩টি ঘটনায় বৃদ্ধির তথ্য পাওয়া গেছে। বিশ্লেষণ করা ২৫৭ রোগীর মধ্যে কেস ফ্যাটালিটি রেট ছিল ৪৩ দশমিক ২ শতাংশ। গবেষকরা কৃষিতে প্যারাকোয়াটের ব্যবহার বন্ধ বা কমিয়ে তুলনামূলক কম বিষাক্ত বিকল্প ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেছেন।

তবে এই গবেষণার তথ্যকে হাওরাঞ্চলের কৃষিতে ব্যবহৃত সব ধরনের কীটনাশকের স্বাস্থ্যঝুঁকির সরাসরি পরিমাপ হিসেবে দেখা যাবে না। গবেষণাটি নির্দিষ্টভাবে প্যারাকোয়াট বিষক্রিয়ার রোগীদের নিয়ে করা হয়েছে। তারপরও কৃষি রাসায়নিকের অনিরাপদ ব্যবহার যে জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগের বিষয় হতে পারে, তা বোঝাতে এই গবেষণার তথ্য প্রাসঙ্গিক।

পরিবেশের দিক থেকেও ঝুঁকি কম নয়। কৃষিজমি থেকে ধুয়ে যাওয়া রাসায়নিক হাওরের পানিতে পৌঁছালে তার প্রভাব জলজ প্রাণীদের ওপর পড়তে পারে। সার থেকে অতিরিক্ত পুষ্টি উপাদান পানিতে প্রবেশ করলে শৈবালের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটতে পারে। পরবর্তী সময়ে পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের ভারসাম্য কমে গেলে মাছসহ অন্যান্য জলজ প্রাণী সমস্যায় পড়তে পারে। কীটনাশকের বিষাক্ত উপাদান জলজ পোকামাকড়, ব্যাঙ, মাছ ও অণুজীবের ওপরও ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। এসব পরিবর্তন ধীরে ধীরে জলজ খাদ্যশৃঙ্খল ও বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্যকে প্রভাবিত করতে পারে।

টাঙ্গুয়ার হাওরের গুরুত্ব বিবেচনায় বিষয়টি আরও স্পর্শকাতর। গবেষণায় এই হাওরকে মাছ, জলজ উদ্ভিদ, উভচর, সরীসৃপ ও পাখির গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। একটি গবেষণায় টাঙ্গুয়ার হাওরে ১৪৩ প্রজাতির মাছের উপস্থিতির তথ্য পাওয়া গেছে এবং একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন, মানুষের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড, অতিরিক্ত আহরণ ও পরিবেশগত পরিবর্তনকে মাছের বৈচিত্র্য কমে যাওয়ার কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কৃষিজ রাসায়নিকও জলাভূমির সামগ্রিক দূষণ ও বাস্তুতন্ত্রের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে।

হাওর উন্নয়ন ও পরিবেশ নিয়ে কাজ করা ব্যক্তিরা মনে করছেন, কৃষকের উৎপাদনশীলতা বজায় রেখে রাসায়নিক নির্ভরতা কমানোর পথ খুঁজতে হবে। কৃষিজমির রাসায়নিক হাওরে প্রবেশের সুযোগ কমাতে জমির পানি ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ মাত্রায় সার প্রয়োগ, সঠিক সময়ে কীটনাশক ব্যবহার এবং জলাশয়ের পাশে সুরক্ষামূলক ব্যবস্থার প্রয়োজন রয়েছে। একই সঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও মাঠপর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তাদের নিয়মিত পরামর্শও গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রমিজ উদ্দিনের মতে, হাওরকে সাধারণ সমতল কৃষিজমি হিসেবে দেখলে চলবে না। এটি একটি বৃহৎ প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্র। তার পরামর্শ হলো, সার ও কীটনাশক প্রয়োগের সময় কৃষকদের মাস্ক, গ্লাভসসহ প্রয়োজনীয় সুরক্ষা সরঞ্জাম ব্যবহার করতে হবে এবং রাসায়নিকের খালি পাত্র কোনোভাবেই জলাশয়ে ফেলা যাবে না। একই সঙ্গে সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা বা আইপিএম পদ্ধতির মাধ্যমে রাসায়নিকের ওপর নির্ভরতা কমানোর উদ্যোগ নেওয়া দরকার।

ধর্মপাশা ও মধ্যনগর উপজেলার কৃষিচিত্রও এই পরিবর্তনের ব্যাপকতা বোঝায়। উপজেলা কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত বোরো মৌসুমে দুই উপজেলায় ৫৭ হাজার ৮২২ জন কৃষক ৩১ হাজার ৯১০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেছেন। তাদের সবাই উচ্চফলনশীল জাতের ধান চাষ করেছেন। এত বিপুল পরিমাণ জমিতে কৃষি উপকরণ ব্যবহারের ফলে নিরাপদ প্রয়োগ নিশ্চিত করা না গেলে এর প্রভাব কৃষিজমির বাইরেও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে।

ধর্মপাশা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আসয়াদ বিন খলিল রাহাতও কৃষকদের সঠিক মাত্রায় কীটনাশক ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তার মতে, কীটনাশকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। নির্ধারিত মাত্রা মেনে ব্যবহার করলে সেই ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষককে শুধু রাসায়নিক কম ব্যবহারের পরামর্শ দিলেই হবে না; তাকে কার্যকর বিকল্পও দিতে হবে। রোগবালাই শনাক্তকরণ, জৈবিক নিয়ন্ত্রণ, ফেরোমন ফাঁদ, উপকারী পোকা সংরক্ষণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সীমিত কীটনাশক ব্যবহারের সমন্বিত ব্যবস্থা কৃষকের উৎপাদন খরচ ও পরিবেশগত ঝুঁকি দুটোই কমাতে পারে। একই সঙ্গে স্থানীয় ও দেশি ধানের জাত সংরক্ষণ এবং পরীক্ষামূলকভাবে পুনরুজ্জীবনের উদ্যোগও গুরুত্বপূর্ণ।

কারণ হাওরের কৃষি শুধু ধান উৎপাদনের বিষয় নয়। এর সঙ্গে মাছ, পাখি, উদ্ভিদ, জলজ প্রাণী এবং স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকা সরাসরি জড়িত। একটি জমিতে বেশি ফলন পাওয়ার স্বল্পমেয়াদি সুবিধা যদি দীর্ঘমেয়াদে মাছের প্রজননক্ষেত্র, পানির গুণমান কিংবা কৃষকের স্বাস্থ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, তাহলে সেই উৎপাদন ব্যবস্থাকে টেকসই বলা কঠিন।

তাই হাওরাঞ্চলের কৃষিতে এখন প্রয়োজন উৎপাদন ও পরিবেশের মধ্যে একটি বাস্তবসম্মত ভারসাম্য। কৃষকের আয় ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি রাসায়নিকের নিরাপদ ব্যবহার, কৃষকের সুরক্ষা, জলাশয়ের পানি রক্ষা এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণকে একই পরিকল্পনার অংশ করতে হবে। টাঙ্গুয়ার হাওরের মতো গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি রক্ষায় স্থানীয় কৃষক, মৎস্যজীবী, কৃষি বিভাগ, পরিবেশ অধিদপ্তর, গবেষক এবং স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা নিশ্চিত করা কঠিন।

হাওরের পানিতে মিশে যাওয়া একটি রাসায়নিক হয়তো চোখে দেখা যায় না, কিন্তু তার প্রভাব ছড়িয়ে পড়তে পারে মাছ থেকে মানুষের খাদ্যশৃঙ্খল পর্যন্ত। আর মাঠে কীটনাশক ছিটানো কৃষকের শরীরেও সেই রাসায়নিকের প্রভাব পড়তে পারে। তাই অধিক ফলনের প্রতিযোগিতার পাশাপাশি নিরাপদ উৎপাদনের প্রশ্নটিও এখন সমান গুরুত্বপূর্ণ। হাওর বাঁচিয়ে কৃষি, কৃষক বাঁচিয়ে খাদ্য—এই দুই লক্ষ্যকে একসঙ্গে সামনে রেখেই ভবিষ্যৎ কৃষিনীতি ও মাঠপর্যায়ের চাষাবাদ পদ্ধতি সাজানোর প্রয়োজন রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত