সাজাপ্রাপ্ত এনসিপি নেতা বায়েজিদ স্থায়ী বহিষ্কার

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১১ বার
সাজাপ্রাপ্ত এনসিপি নেতা বায়েজিদ স্থায়ী বহিষ্কার

প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

ফরিদপুরে অবৈধভাবে ওষুধ তৈরি ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজাপ্রাপ্ত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ফরিদপুর জেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. বায়েজিদ হোসেন শাহেদকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার কথা উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে এই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, এনসিপির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনার স্বাক্ষর করা একটি চিঠিতে বায়েজিদ হোসেনকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। চিঠিতে বলা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শের পরিপন্থী কার্যক্রমে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় দলের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে স্থায়ী বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

দলীয় চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশক্রমে বায়েজিদ হোসেনকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। সিদ্ধান্তটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও চিঠিতে জানানো হয়।

বায়েজিদ হোসেনের বিরুদ্ধে দলীয় সিদ্ধান্তের পেছনে মূল ঘটনা ঘটে এর দুই দিন আগে, ২২ সেপ্টেম্বর। ওই দিন সন্ধ্যায় ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট এলাকার মোল্লা বাড়ি সড়কে অবস্থিত মেসার্স জনতা ল্যাবরেটরিজে অভিযান পরিচালনা করে জেলা প্রশাসন। অভিযানের পর ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইনসানা তানজীন ইকো।

অভিযান সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ওই প্রতিষ্ঠানে অনুমোদনহীনভাবে বিভিন্ন ধরনের সামগ্রী ও ওষুধ তৈরি এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণের অভিযোগ পাওয়া যায়। কারখানাটির লাইসেন্স-সংক্রান্ত বিষয়েও অনিয়মের কথা উঠে এসেছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির ড্রাগ লাইসেন্স ও ট্রেড লাইসেন্সের মেয়াদ ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরের পর আর নবায়ন করা হয়নি বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এরপরও সেখানে উৎপাদন কার্যক্রম চালানোর অভিযোগ পাওয়া যায়।

অভিযানের সময় শিশুদের জন্য বেবি জেল, বিভিন্ন ধরনের অননুমোদিত ওষুধ এবং অন্যান্য সামগ্রী তৈরির তথ্য পাওয়া যায়। কিছু প্রতিবেদনে প্রাপ্তবয়স্কদের যৌন উত্তেজক হিসেবে ব্যবহৃত পণ্য তৈরির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব পণ্যের নির্দিষ্ট প্রকৃতি ও আইনগত অবস্থান সম্পর্কে চূড়ান্ত মূল্যায়ন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও জব্দ তালিকার ওপর নির্ভরশীল। ভ্রাম্যমাণ আদালত অবশ্য প্রচলিত আইনের সংশ্লিষ্ট ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে তাৎক্ষণিকভাবে সাজা ও জরিমানা করেন।

জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটিতে ওষুধ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন ছিল। প্রয়োজনীয় কারিগরি জনবল বা কেমিস্টের উপস্থিতি নিয়েও অনিয়মের কথা অভিযানের পর সামনে আসে। এসব বিষয়কে জনস্বাস্থ্য ও ওষুধের নিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ওষুধ মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্যের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত হওয়ায় এর উৎপাদন, সংরক্ষণ, মান নিয়ন্ত্রণ এবং বাজারজাতকরণে নির্দিষ্ট নিয়ম ও অনুমোদন অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। অনুমোদনহীন বা অনিয়ন্ত্রিত পরিবেশে ওষুধ উৎপাদন ও সংরক্ষণ করলে তার মান, কার্যকারিতা এবং নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণের বিষয়টি জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে। এ কারণেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিয়মিতভাবে অনুমোদনহীন ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রির বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে থাকে।

বায়েজিদ হোসেনের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক অভিযানের পর বিষয়টি রাজনৈতিক পরিসরেও গুরুত্ব পায়। তিনি তখন এনসিপির ফরিদপুর জেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্বে ছিলেন। ফলে একজন সক্রিয় রাজনৈতিক দলের স্থানীয় পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতার বিরুদ্ধে এ ধরনের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই আলোচনায় আসে।

এনসিপি তার সাংগঠনিক অবস্থান থেকে বিষয়টি বিবেচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দলটির বহিষ্কারাদেশে বলা হয়েছে, অভিযোগের গুরুত্ব এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলার বিষয় বিবেচনায় বায়েজিদ হোসেনকে আর দলের কোনো পদ বা দায়িত্বে রাখা হচ্ছে না। শুধু পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া নয়, প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সব পর্যায় থেকে তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

দলীয় সিদ্ধান্তের এই বিষয়টি রাজনৈতিক সংগঠনের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পর্কিত। কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা বা সদস্যের বিরুদ্ধে আইনগত অভিযোগ বা সাজা হলে দল নিজস্ব গঠনতন্ত্র ও বিধিবিধান অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে পারে। বায়েজিদ হোসেনের ক্ষেত্রেও এনসিপি তাদের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলা বিধির কথা উল্লেখ করেই স্থায়ী বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।

এর আগে বায়েজিদ হোসেনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের দেওয়া সাজা কার্যকর করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়। জরিমানার অর্থ পরিশোধের বিষয়ে আদালতের আদেশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

ঘটনার পর ফরিদপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে নতুন রাজনৈতিক দল হিসেবে এনসিপির সংগঠন, দলীয় শৃঙ্খলা এবং নেতাকর্মীদের আচরণ নিয়ে জনপরিসরে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, তার মধ্যে একজন জেলা পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট নেতার কর্মকাণ্ডকে দলীয় অবস্থানের সঙ্গে এক করে না দেখার বার্তাও স্পষ্ট হয়েছে।

এদিকে বায়েজিদ হোসেনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযানের পর আরও কিছু তথ্য সামনে এসেছে। ২৫ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনে তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরেকটি ওষুধের স্থাপনা নিয়ে অভিযান চালানোর খবরও পাওয়া গেছে। সেখানে আরও কিছু অননুমোদিত ওষুধ উদ্ধারের কথা জানানো হয়েছে। এসব ঘটনা নিয়ে প্রশাসনের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে প্রকাশিত তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ, জব্দকৃত পণ্য এবং আদালতের সিদ্ধান্ত—এসব বিষয় আলাদা করে দেখা প্রয়োজন। বায়েজিদ হোসেনের ক্ষেত্রে ভ্রাম্যমাণ আদালত ইতোমধ্যে একটি নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে কারাদণ্ড ও জরিমানা দিয়েছেন। অন্যদিকে তার বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এনসিপির নিজস্ব সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে। দুটি প্রক্রিয়ার আইনি ও সাংগঠনিক চরিত্র এক নয়।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের দৃষ্টিতে অনুমোদনহীনভাবে ওষুধ তৈরি বা মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণের মতো ঘটনা শুধু আইন লঙ্ঘনের প্রশ্ন নয়; এর সঙ্গে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাও জড়িত। ওষুধের ক্ষেত্রে উৎপাদনের কাঁচামাল, সংরক্ষণ পদ্ধতি, উৎপাদন পরিবেশ, সঠিক মাত্রা, মান নিয়ন্ত্রণ এবং মেয়াদ—প্রতিটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। কোনো একটি পর্যায়ে অনিয়ম হলে তা ভোক্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। ফলে এমন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক নজরদারি ও আইনগত ব্যবস্থা জনস্বার্থের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

ফরিদপুরের এই ঘটনাও সেই বৃহত্তর বাস্তবতার সামনে একটি প্রশ্ন তুলে ধরেছে—রাজনৈতিক পরিচয় বা সামাজিক অবস্থান নির্বিশেষে স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিবিধান কতটা কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক সংগঠনগুলো তাদের নেতাকর্মীদের কর্মকাণ্ডের বিষয়ে কতটা সাংগঠনিক জবাবদিহি নিশ্চিত করছে, সেটিও আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

এনসিপির বহিষ্কারাদেশে যে ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, তাতে দলটি ঘটনাটিকে নিজেদের সাংগঠনিক নীতি ও শৃঙ্খলার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে বিবেচনা করেছে। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার কথা উল্লেখ করে দলটি বায়েজিদ হোসেনকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করেছে। ফলে এখন থেকে তার সঙ্গে এনসিপির কোনো সাংগঠনিক পদ বা দায়িত্বের সম্পর্ক থাকবে না।

বায়েজিদ হোসেনের ঘটনাটি একই সঙ্গে রাজনৈতিক সংগঠন ও প্রশাসনের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা সামনে এনেছে। রাজনৈতিক দলের কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তি যদি আইনগত জটিলতায় জড়িয়ে পড়েন, তাহলে তার রাজনৈতিক পরিচয় এবং ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ডের মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট করা জরুরি হয়ে পড়ে। অন্যদিকে প্রশাসনের জন্যও প্রয়োজন আইন অনুযায়ী নিরপেক্ষভাবে ব্যবস্থা নেওয়া এবং তদন্ত বা অভিযানের প্রতিটি ধাপ যথাযথ প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন করা।

ফরিদপুরে জনতা ল্যাবরেটরিজে অভিযানের পর যে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং পরদিন এনসিপি যে সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাতে ঘটনাটি এখন দুটি পৃথক প্রক্রিয়ায় এগোচ্ছে। একদিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের দেওয়া সাজা কার্যকর করার বিষয় রয়েছে, অন্যদিকে রাজনৈতিক দলের বহিষ্কারাদেশের ফলে তার সাংগঠনিক অবস্থানের অবসান ঘটেছে।

সব মিলিয়ে, অবৈধ ওষুধ তৈরি ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণের অভিযোগে সাজাপ্রাপ্ত ফরিদপুরের এনসিপি নেতা মো. বায়েজিদ হোসেন শাহেদকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এনসিপির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি তার প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ ও দায়িত্ব বাতিল করেছে এবং সিদ্ধান্তটি অবিলম্বে কার্যকর করার কথা জানিয়েছে। একই সঙ্গে জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অভিযোগ হওয়ায় প্রশাসনিক ও আইনগত প্রক্রিয়াটিও গুরুত্বের সঙ্গে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তথ্য সামনে আসার অপেক্ষা রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত