কপ-৩১ সম্মেলনে পাহাড়ের কণ্ঠ তুলে ধরবেন দুই তরুণ

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬
  • ১৩ বার
কপ-৩১ সম্মেলনে পার্বত্য চট্টগ্রামের দুই তরুণ
প্রকাশ: ০৬ নভেম্বর ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব যখন বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে মানুষের জীবন, জীবিকা ও প্রাকৃতিক পরিবেশকে ক্রমেই বিপর্যস্ত করে তুলছে, তখন আন্তর্জাতিক জলবায়ু আলোচনায় নিজেদের অভিজ্ঞতা ও দাবি তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছেন পার্বত্য চট্টগ্রামের দুই তরুণ পরিবেশকর্মী। জাতিসংঘের ৩১তম জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক সম্মেলন কপ-৩১-এ অংশ নিতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের তরুণ পরিবেশকর্মী মো. তাওহীদুল ইসলাম ও লিলিপ্রু মারমা। আন্তর্জাতিক এই সম্মেলনে তারা পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিবেশগত সংকট, জলবায়ু ন্যায়বিচার, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার এবং পাহাড়ি নারী ও শিশুদের বাস্তব অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরবেন।

আগামী ৯ থেকে ২০ নভেম্বর তুরস্কের আনাতোলিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য এই সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রতিনিধি, পরিবেশবিজ্ঞানী, জলবায়ু বিশেষজ্ঞ, গবেষক, উন্নয়নকর্মী ও তরুণ প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। সেখানে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা, অভিযোজন কার্যক্রম, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর জন্য অর্থায়নসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এই আন্তর্জাতিক আলোচনায় পার্বত্য চট্টগ্রামের অভিজ্ঞতা তুলে ধরার মাধ্যমে বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলের পরিবেশ ও মানুষের জীবনসংগ্রামকে বৈশ্বিক পরিসরে পরিচিত করার লক্ষ্য নিয়ে সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন দুই তরুণ।

তাওহীদুল ইসলাম ও লিলিপ্রু মারমা দীর্ঘদিন ধরে ‘ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ফর সাসটেইনেবল বাংলাদেশ’ (ওয়াইডিএসবি) নামের একটি সংগঠনের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলে পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়ন নিয়ে কাজ করছেন। সংগঠনটির সভাপতি তাওহীদুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক লিলিপ্রু মারমা। স্থানীয় যুবসমাজ ও নারীদের সংগঠিত করা, পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বাড়ানো তাদের কাজের অন্যতম ক্ষেত্র।

তাদের এই আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়; বরং পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অভিজ্ঞতা ও প্রত্যাশা বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার একটি সুযোগ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে। কারণ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সব অঞ্চলে সমানভাবে অনুভূত হয় না। ভৌগোলিক অবস্থান, অর্থনৈতিক সক্ষমতা, অবকাঠামো এবং প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর নির্ভরশীলতার কারণে কোনো কোনো জনগোষ্ঠী তুলনামূলক বেশি ঝুঁকির মুখে পড়ে। পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকার মানুষের জীবনযাত্রায় এসব ঝুঁকির প্রভাব বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

ওয়াইডিএসবি সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম পরিবেশগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি অঞ্চল। পাহাড়, বনভূমি, ঝিরি, ছড়া ও প্রাকৃতিক পানির উৎস এই অঞ্চলের পরিবেশ ও মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তন, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, বন উজাড় এবং পানির উৎস শুকিয়ে যাওয়ার মতো সমস্যার কারণে স্থানীয় পরিবেশের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে। এসব পরিবর্তন শুধু প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট করছে না, মানুষের দৈনন্দিন জীবন, কৃষিকাজ, খাদ্য উৎপাদন এবং জীবিকার ওপরও প্রভাব ফেলছে।

পার্বত্য এলাকার অনেক পরিবার কৃষি, বনজ সম্পদ এবং প্রাকৃতিক পানির উৎসের ওপর নির্ভরশীল। ফলে বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন কিংবা পানির প্রাপ্যতা কমে গেলে তাদের জীবনযাত্রায় সরাসরি সংকট দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে দুর্গম পাহাড়ি জনপদে নিরাপদ পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। পানির উৎস দূরে সরে যাওয়া বা শুকিয়ে যাওয়ার কারণে পরিবারের সদস্যদের বাড়তি সময় ও শ্রম ব্যয় করতে হয়। এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে নারী ও শিশুদের ওপর, যাদের অনেককে পানি সংগ্রহসহ পরিবারের দৈনন্দিন দায়িত্ব পালন করতে হয়।

এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে কপ-৩১ সম্মেলনে উপস্থাপনের প্রস্তুতি হিসেবে ওয়াইডিএসবি ‘CHT Climate Declaration 2026’ বা পার্বত্য চট্টগ্রাম জলবায়ু ঘোষণা ২০২৬ বাস্তবায়ন করছে। এই উদ্যোগের আওতায় বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির ২৬টি উপজেলায় স্থানীয় জলবায়ু পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ, গবেষণা এবং জনগোষ্ঠীর অভিজ্ঞতা নথিভুক্ত করার কাজ চলছে। বিশেষ করে পানির সংকট, খাদ্যনিরাপত্তা, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, পরিবেশগত পরিবর্তন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে নারীদের ওপর সৃষ্ট বাড়তি চাপকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে পার্বত্য অঞ্চলের বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নীতিগত পরিবর্তনের দাবি জানাতে চান সংগঠনটির প্রতিনিধিরা।

এই উদ্যোগের বিশেষত্ব হলো, এখানে শুধু জলবায়ু পরিবর্তনের পরিসংখ্যান বা বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণের ওপর নির্ভর করা হচ্ছে না; বরং স্থানীয় মানুষের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতাকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কারণ পাহাড়ের কোনো এলাকায় পানির উৎস শুকিয়ে যাওয়া, কৃষিজমিতে উৎপাদন কমে যাওয়া কিংবা বৃষ্টিপাতের সময়সূচি পরিবর্তিত হওয়ার মতো ঘটনা স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন জীবনেই প্রথম দৃশ্যমান হয়। এসব অভিজ্ঞতা যথাযথভাবে নথিভুক্ত করা গেলে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রকৃত প্রভাব সম্পর্কে নীতিনির্ধারকদের আরও বাস্তবসম্মত ধারণা পাওয়া সম্ভব।

ওয়াইডিএসবির উদ্যোগে বান্দরবানের রুমা উপজেলাতেও জলবায়ু সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে স্থানীয় যুব প্রতিনিধি, নারী নেত্রী, সরকারি কর্মকর্তা, স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, উন্নয়নকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়ে নিজেদের এলাকার পরিবেশগত পরিবর্তন ও সংকটের কথা তুলে ধরেন। আলোচনায় পানির স্বল্পতা, খাদ্যনিরাপত্তা, জনস্বাস্থ্য, জীবিকার পরিবর্তন এবং দুর্গম এলাকার মানুষের ঝুঁকির বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। একই সঙ্গে স্থানীয় জনগোষ্ঠী নিজেদের উদ্যোগে যেসব অভিযোজনমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে, সেগুলোও নথিভুক্ত করা হয়েছে।

তাওহীদুল ইসলাম ও লিলিপ্রু মারমার মতে, জলবায়ু পরিবর্তনকে শুধু প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা পরিবেশগত সমস্যা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি মানুষের মৌলিক অধিকার, নিরাপদ জীবনযাপন, খাদ্য ও পানির নিশ্চয়তা এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। যেসব জনগোষ্ঠী জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য তুলনামূলকভাবে কম দায়ী, অথচ এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি বহন করছে, তাদের সমস্যা আন্তর্জাতিক আলোচনায় যথাযথ গুরুত্ব পাওয়া প্রয়োজন। পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বাস্তবতা তুলে ধরার মধ্য দিয়ে তারা এই বিষয়টিই বিশ্বনেতা ও নীতিনির্ধারকদের সামনে উপস্থাপন করতে চান।

সম্মেলনে তাদের আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে জলবায়ু অর্থায়ন। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় ঝুঁকিপূর্ণ দেশ ও জনগোষ্ঠীর জন্য পর্যাপ্ত অর্থায়ন নিশ্চিত করা আন্তর্জাতিক জলবায়ু আলোচনার দীর্ঘদিনের গুরুত্বপূর্ণ দাবি। তবে অর্থায়নের পাশাপাশি সেই অর্থ কোথায়, কীভাবে এবং কার প্রয়োজন বিবেচনায় ব্যয় করা হচ্ছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। পার্বত্য চট্টগ্রামের মতো দুর্গম অঞ্চলে জলবায়ু অভিযোজনের জন্য স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত না হলে অনেক উদ্যোগ প্রত্যাশিত ফল নাও দিতে পারে। তাই স্থানীয় প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থায়ন, প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা এবং জনগণের অংশগ্রহণের বিষয়টি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

নারীর নেতৃত্বও তাদের আলোচনার অন্যতম কেন্দ্রীয় বিষয়। পাহাড়ি অঞ্চলে পানি সংগ্রহ, পরিবারের খাদ্যনিরাপত্তা, কৃষিকাজ এবং দৈনন্দিন জীবনযাপনের সঙ্গে নারীদের সম্পৃক্ততা গভীর। ফলে পরিবেশগত পরিবর্তনের প্রভাব তাদের ওপর বিভিন্নভাবে পড়ে। অথচ জলবায়ু অভিযোজন পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে অনেক সময় স্থানীয় নারীদের অভিজ্ঞতা যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয় না। তাওহীদুল ও লিলিপ্রু আন্তর্জাতিক আলোচনায় নারী নেতৃত্বের গুরুত্ব তুলে ধরে জলবায়ু মোকাবিলার পরিকল্পনায় নারীদের আরও সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলতে চান।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত কপ সম্মেলন জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক কাঠামো কনভেনশনের অধীনে আয়োজিত এই সম্মেলনে প্রায় সব দেশের সরকার, নীতিনির্ধারক, বিজ্ঞানী, তরুণ প্রতিনিধি, নাগরিক সমাজ এবং পরিবেশবিষয়ক সংগঠন অংশ নেয়। কপ-৩১ অনুষ্ঠিত হবে তুরস্কের আনাতোলিয়া অঞ্চলের আনতালিয়া শহরে ৯ থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, সম্মেলনে জলবায়ু সংকট মোকাবিলা, অভিযোজন, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।

এবারের সম্মেলনে তরুণদের অংশগ্রহণও বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। জলবায়ু পরিবর্তনের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব সবচেয়ে বেশি অনুভব করতে হবে বর্তমান তরুণ প্রজন্মকে। তাই পরিবেশ সংরক্ষণ, টেকসই উন্নয়ন এবং জলবায়ু নীতিনির্ধারণে তাদের মতামত ও অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে দুর্গম অঞ্চল থেকে আসা তরুণ প্রতিনিধিরা যখন নিজেদের এলাকার অভিজ্ঞতা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরেন, তখন স্থানীয় সংকটগুলো বৈশ্বিক আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পায়।

পার্বত্য চট্টগ্রামের দুই তরুণের এই অংশগ্রহণ তাই কেবল সম্মেলনে উপস্থিত থাকার বিষয় নয়; এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে স্থানীয় মানুষের অভিজ্ঞতা, পরিবেশ রক্ষার প্রত্যাশা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করার আকাঙ্ক্ষা। তাদের সংগৃহীত তথ্য ও গবেষণা যদি জাতীয় জলবায়ু পরিকল্পনা এবং আন্তর্জাতিক নীতিনির্ধারণে গুরুত্ব পায়, তাহলে পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষের প্রয়োজন অনুযায়ী কার্যকর অভিযোজন কর্মসূচি গ্রহণের পথ তৈরি হতে পারে।

সব মিলিয়ে কপ-৩১ সম্মেলনে মো. তাওহীদুল ইসলাম ও লিলিপ্রু মারমার অংশগ্রহণ বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলের পরিবেশ ও জনগোষ্ঠীর অভিজ্ঞতা আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় শুধু বড় বড় প্রতিশ্রুতি নয়, স্থানীয় মানুষের বাস্তব সমস্যা ও সমাধানের পথকে গুরুত্ব দেওয়াই এখন সময়ের দাবি। পাহাড়ের পানির সংকট, খাদ্যনিরাপত্তা, নারীর অধিকার এবং পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়গুলো বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার মাধ্যমে দুই তরুণ সেই দাবিকে আরও জোরালো করতে চান। তাদের এই উদ্যোগ কতটা নীতিগত পরিবর্তনে ভূমিকা রাখবে, তা নির্ভর করবে সম্মেলনের আলোচনা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং পরবর্তী সময়ে গৃহীত বাস্তব পদক্ষেপের ওপর।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com