সর্বশেষ :
সংসদে ৯.৩৮ লাখ কোটি টাকার বাজেট পাস: নতুন যুগে বাংলাদেশ ডেটা সেন্টারে ডিজিটাল রিয়েলটির ৩.৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে বাংলাদেশ ব্যাংক হলদিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় দগ্ধ ৩০ স্ত্রী হত্যায় প্ররোচনা: কারাগারে অভিনেতা জাহের আলভী সুপ্রিম কোর্টে ট্রাম্পের মিশ্র অভিজ্ঞতা: জয় ও তিন ধাক্কা পোশাক ও ছাঁটাই প্রস্তাব নিয়ে সংসদে রুমিন ফারহানার সরব উপস্থিতি এআই চিপে দক্ষিণ কোরিয়ার বড় বিনিয়োগ: সম্ভাবনা ও ঝুঁকি হরমুজ প্রণালীতে মাইন অপসারণে ফ্রান্সের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ইরানের বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন ডেপুটি গভর্নর সরোয়ার হোসেন

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন ১৭৫ বাংলাদেশি অভিবাসী

একটি বাংলাদেশ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট, ২০২৫
  • ১০৮ বার
লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন ১৭৫ বাংলাদেশি অভিবাসী

প্রকাশ: ২১ অগাস্ট’ ২০২৫ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন

লিবিয়ার অস্থির পরিস্থিতি ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসন প্রক্রিয়ার শিকার হয়ে দীর্ঘদিন আটক থাকা ১৭৫ জন বাংলাদেশি অবশেষে দেশে ফিরেছেন। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)-এর সহায়তায় বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) ভোরে তারা ঢাকায় এসে পৌঁছান। লিবিয়ার বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টার থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত এসব বাংলাদেশিকে বুরাক এয়ারলাইন্সের (ফ্লাইট নম্বর UZ222) বিশেষ ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনা হয়। সকাল সোয়া ৬টার দিকে তারা নিরাপদে মাটিতে নামেন।

লিবিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মুহাম্মদ খায়রুল বাশারের নেতৃত্বে দূতাবাসের একটি প্রতিনিধি দল প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার পুরো সময়টিতে উপস্থিত ছিলেন। তারা ডিটেনশন সেন্টারে গিয়ে প্রত্যাবাসিতদের বিদায় জানান এবং দেশে ফেরার ফ্লাইটে ওঠার আগে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করেন। রাষ্ট্রদূত এ সময় লিবিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং আইওএম-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে ভবিষ্যতেও এই ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে রাষ্ট্রদূত অভিবাসীদের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ বার্তাও দেন। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে বিদেশ যেতে হলে বৈধ ও নিরাপদ উপায়ে গমন নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের কোনো বিকল্প নেই। তিনি ফেরত আসা নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানান, তারা যেন নিজ নিজ এলাকায় অবৈধ অভিবাসনের ঝুঁকি সম্পর্কে অন্যদের সচেতন করেন এবং মানবপাচারকারীদের বিরুদ্ধে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। পাশাপাশি, মানবপাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীদের পাশে থেকে দূতাবাস সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলেও আশ্বাস প্রদান করেন তিনি।

এর আগে, বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ত্রিপোলীর বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছিল, দেশটির বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে দূতাবাস স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৭৫ জনকে দেশে ফেরানো সম্ভব হয়েছে।

লিবিয়ার মতো অস্থির পরিস্থিতিপূর্ণ দেশে কাজের আশায় পাড়ি জমানো বহু বাংলাদেশিই নিয়মিতভাবে নানা অনিশ্চয়তার মুখে পড়েন। এদের মধ্যে অনেককে মানবপাচারকারী চক্র প্রলোভন দেখিয়ে বিপদে ফেলে দেয়। সাম্প্রতিক এই প্রত্যাবাসন উদ্যোগকে পরিবার ও অভিবাসন বিষয়ক মহল একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মূল সমস্যা সমাধান হবে কেবল তখনই যখন অভিবাসন প্রক্রিয়ায় বৈধতা ও দক্ষতা অর্জনের গুরুত্বকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত