দেশের তিন গ্রাম এসডিজি ভিলেজ হিসেবে উদ্বোধন

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬
  • ২৫ বার
দেশের তিন গ্রাম এসডিজি ভিলেজ হিসেবে উদ্বোধন
প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।
স্মার্ট ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে এবং গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে এক যুগান্তকারী ও দূরদর্শী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। টেকসই উন্নয়নের বৈশ্বিক লক্ষ্যগুলোকে তৃণমূল পর্যায়ে বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আজ দেশের তিনটি অনুন্নত ও প্রান্তিক গ্রামকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘এসডিজি ভিলেজ’ হিসেবে উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সকাল ১১টায় রাজধানী ঢাকার চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র থেকে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এই ঐতিহাসিক পাইলট প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করবেন তিনি। সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ ও বাংলাদেশ পরিকল্পনা বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এবং দেশের টেকসই উন্নয়নে অর্থনৈতিক কৌশল পুনর্নির্ধারণ শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, যা বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতি ও সমাজব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্তের সূচনা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আজকের এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যে তিনটি আদর্শ গ্রামকে এসডিজি ভিলেজের রূপান্তর করা হচ্ছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে পার্বত্য জেলা রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার মিতিঙ্গাছড়ি গ্রাম, দক্ষিণাঞ্চলের জনপদ খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলার পানখালী গ্রাম এবং উত্তরাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলা দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার নাফানগর গ্রাম। জাতিসংঘের নির্ধারিত ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজির আলোকে এসব এলাকার সামগ্রিক চিত্র বদলে দেওয়ার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে একটি সমন্বিত কাঠামোর মাধ্যমে তা সমাধান করা হবে। এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে পরিকল্পিত উপায়ে দারিদ্র্য হ্রাস করা, দীর্ঘমেয়াদী জলাবদ্ধতা নিরসন করা, প্রতিটি শিশুর জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা, আধুনিক স্বাস্থ্যসেবার ব্যাপক উন্নয়ন ঘটানো এবং শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা। একই সঙ্গে গ্রামের প্রতিটি পরিবারকে বিশুদ্ধ পানীয় জল এবং উন্নত স্যানিটেশন ব্যবস্থার আওতায় নিয়ে আসার কাজ এই প্রকল্পের মাধ্যমেই পরিচালিত হবে।
দেশের এই বিশেষ উদ্যোগটি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে তৈরি হয়েছে ব্যাপক উৎসাহ ও আনন্দের জোয়ার। বিশেষ করে রাঙামাটির কাপ্তাইয়ের মিতিঙ্গাছড়ির সাধারণ গ্রামবাসী সরকারের এমন মহতী উদ্যোগে গভীর কৃতজ্ঞতা ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, এটি মূলত একটি আদর্শ গ্রামীণ সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলার অনন্য প্রয়াস, যেখানে জাতিসংঘের বৈশ্বিক লক্ষ্যগুলো স্থানীয় পর্যায়ে পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে গ্রামীণ জীবনের মানোন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, পরিবেশ রক্ষা এবং সার্বাঙ্গীণ উন্নয়নের একটি স্থায়ী মডেল দাঁড় করানো সম্ভব হবে। তিনি আরও জানান যে, এই প্রকল্পের আওতায় পুষ্টি ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ, মাতৃ ও শিশু মৃত্যু হ্রাস, মানসম্মত শিক্ষা বিস্তার, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কুটিরশিল্পের বিকাশ এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করা হবে। পাশাপাশি কৃষি খাতের আধুনিকায়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, বনায়ন সৃষ্টি এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় সক্ষমতা তৈরির কাজ করা হবে। গ্রামের প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল সেবা ও তথ্য-প্রযুক্তির সুযোগ পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে এখানকার প্রতিটি নাগরিককে আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন দক্ষ, স্বাস্থ্যসম্মত ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা হবে। প্রধানমন্ত্রীর এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্বোধনকে সফল ও সার্থক করতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনগণের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন এই অর্জনকে পুরো কাপ্তাইবাসীর জন্য একটি অনন্য গৌরবের বিষয় বলে অভিহিত করেছেন। তিনি আনন্দ প্রকাশ করে বলেন যে, আজকের দিনটি কাপ্তাইয়ের জাতীয় জীবনে একটি গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে যুক্ত হতে যাচ্ছে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন এবং গ্রামীণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে এসডিজি প্রকল্পের আওতায় মিতিঙ্গাছড়ি গ্রামকে পাইলট প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করায় এলাকার মানুষ ভীষণ আনন্দিত। অন্যদিকে পরিকল্পনা কমিশনের প্রকল্প সমন্বয়ক মো. মঞ্জুরুল হক এই প্রকল্পের ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরে জানিয়েছেন যে, মিতিঙ্গাছড়ির স্থানীয় প্রতিটি সমস্যা সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করে একটি সমন্বিত পরিকল্পনার আওতায় আনা হয়েছে। সরকারের সব ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করে এটিকে একটি আদর্শ এসডিজি ভিলেজ হিসেবে গড়ে তোলা হবে, যা পরবর্তী সময়ে সারা দেশের অন্যান্য গ্রামগুলোর জন্য টেকসই উন্নয়নের একটি অনুকরণীয় ও অনুসরণযোগ্য মডেল হিসেবে কাজ করবে। মিতিঙ্গাছড়ির স্থানীয় বাসিন্দারা আশা প্রকাশ করেছেন যে, রাস্তাঘাটের দ্রুত উন্নয়ন হলে এবং এলাকায় ছোটখাটো একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে তাদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দূর হবে এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবস্থার ব্যাপক উন্নতি ঘটবে।
সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ ও বাংলাদেশ পরিকল্পনা বিভাগের এই পাইলট প্রকল্পটি যদি সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়, তবে তা কেবল দেশের গণ্ডির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং সারা দেশসহ বহির্বিশ্বে একটি সফল মডেল হিসেবে ছড়িয়ে দেওয়ার সুদূরপ্রসারি পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে গ্রামের আর্থ-সামাজিক অবস্থার দৃশ্যমান পরিবর্তনের পাশাপাশি বেকার যুবকদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া, উন্নত চিকিৎসা, সুপেয় পানি এবং শিক্ষার আলো পৌঁছানোর মাধ্যমে এই তিন গ্রাম অচিরেই দেশের অন্যান্য অঞ্চলের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠবে। সরকারের এই সুদূরপ্রসারী ও জনকল্যাণমুখী পদক্ষেপের মাধ্যমে গ্রামীণ জনপদের মানুষ আধুনিক নাগরিক সুবিধা ভোগ করার সুযোগ পাবে এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি আরও বেশি গতিশীল ও মজবুত হয়ে উঠবে বলে দৃঢ় বিশ্বাস সংশ্লিষ্ট মহলের।

আজকের এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যে তিনটি আদর্শ গ্রামকে এসডিজি ভিলেজে রূপান্তর করা হচ্ছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে পাহাড় ঘেরা পার্বত্য জেলা রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার মিতিঙ্গাছড়ি গ্রাম, দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় জনপদ খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলার পানখালী গ্রাম এবং উত্তরাঞ্চলের সীমান্তবর্তী ও কৃষিপ্রধান জেলা দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার নাফানগর গ্রাম। জাতিসংঘের নির্ধারিত ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজির আলোকে এসব এলাকার সামগ্রিক চিত্র চিরতরে বদলে দেওয়ার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ও বহুমুখী সমস্যাগুলো সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করে একটি সমন্বিত কাঠামোর মাধ্যমে তা স্থায়ীভাবে সমাধান করা হবে। এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে পরিকল্পিত উপায়ে দারিদ্র্য হার সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনা, দীর্ঘমেয়াদী জলাবদ্ধতা চিরতরে নিরসন করা, প্রতিটি শিশুর জন্য মানসম্মত ও আধুনিক শিক্ষা নিশ্চিত করা, উন্নত স্বাস্থ্যসেবার ব্যাপক সম্প্রসারণ ঘটানো এবং শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা। একই সঙ্গে গ্রামের প্রতিটি পরিবারকে শতভাগ বিশুদ্ধ পানীয় জল এবং উন্নত স্যানিটেশন ব্যবস্থার আওতায় নিয়ে আসার কাজ এই প্রকল্পের মাধ্যমেই সফলভাবে পরিচালিত হবে।

দেশের এই বিশেষ ও ব্যতিক্রমী উদ্যোগটি নিয়ে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ, উদ্দীপনা ও আনন্দের জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে রাঙামাটির কাপ্তাইয়ের মিতিঙ্গাছড়ির সাধারণ গ্রামবাসী সরকারের এমন মহতী ও কল্যাণমুখী উদ্যোগে গভীর কৃতজ্ঞতা ও অপরিসীম উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে বিস্তারিত জানিয়ে বলেছেন যে, এটি মূলত একটি আদর্শ গ্রামীণ সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলার অনন্য প্রয়াস, যেখানে জাতিসংঘের বৈশ্বিক লক্ষ্যগুলো স্থানীয় পর্যায়ে পুরোপুরি ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে গ্রামীণ জীবনের মানোন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা এবং সার্বাঙ্গীণ উন্নয়নের একটি স্থায়ী ও টেকসই মডেল দাঁড় করানো সম্ভব হবে। তিনি আরও অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে জানান যে, এই প্রকল্পের আওতায় পুষ্টি ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ, মাতৃ ও শিশু মৃত্যু হ্রাস, মানসম্মত শিক্ষা বিস্তার, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কুটিরশিল্পের বিকাশ এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বহুগুণ বৃদ্ধি করা হবে। পাশাপাশি কৃষি খাতের আধুনিকায়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, বনায়ন সৃষ্টি এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় সক্ষমতা তৈরির যাবতীয় কাজ করা হবে। গ্রামের প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল সেবা ও তথ্য-প্রযুক্তির সুযোগ পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে এখানকার প্রতিটি নাগরিককে আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন দক্ষ, স্বাস্থ্যসম্মত ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্বোধনকে সফল ও সার্থক করতে স্থানীয় প্রশাসন এবং সাধারণ জনগণের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে যাবতীয় প্রস্তুতি অত্যন্ত সুচারুভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে।

কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন এই অর্জনকে পুরো কাপ্তাইবাসীর জন্য একটি অনন্য ও ঐতিহাসিক গৌরবের বিষয় বলে অভিহিত করেছেন। তিনি গভীর আনন্দ প্রকাশ করে গণমাধ্যমের সামনে বলেন যে, আজকের দিনটি কাপ্তাইয়ের জাতীয় জীবনে একটি গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে স্বর্ণাক্ষরে যুক্ত হতে যাচ্ছে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন এবং গ্রামীণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে এসডিজি প্রকল্পের আওতায় মিতিঙ্গাছড়ি গ্রামকে পাইলট প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করায় এলাকার সাধারণ মানুষ ভীষণ আনন্দিত ও অনুপ্রাণিত। অন্যদিকে পরিকল্পনা কমিশনের প্রকল্প সমন্বয়ক মো. মঞ্জুরুল হক এই প্রকল্পের ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরে অত্যন্ত আশাবাদী কণ্ঠে জানিয়েছেন যে, মিতিঙ্গাছড়ির স্থানীয় প্রতিটি সমস্যা সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করে একটি সমন্বিত পরিকল্পনার আওতায় আনা হয়েছে। সরকারের সব ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করে এটিকে একটি আদর্শ এসডিজি ভিলেজ হিসেবে গড়ে তোলা হবে, যা পরবর্তী সময়ে সারা দেশের অন্যান্য গ্রামগুলোর জন্য টেকসই উন্নয়নের একটি অনুকরণীয় ও অনুসরণযোগ্য মডেল হিসেবে কাজ করবে। মিতিঙ্গাছড়ির স্থানীয় বাসিন্দারা আশা প্রকাশ করেছেন যে, রাস্তাঘাটের দ্রুত ও মানসম্মত উন্নয়ন হলে এবং এলাকায় ছোটখাটো একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে তাদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ চিরতরে দূর হবে এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবস্থার ব্যাপক উন্নতি ঘটবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত