রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকা ইসিতে

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬
  • ৬৯ বার
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকা ইসিতে
প্রকাশ: ০৬ আগস্ট ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।
বাংলাদেশের রাজনীতি ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় এক গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে। দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। গত ২৪ জুলাই ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে নিজের পদ থেকে পদত্যাগ করার পর থেকেই রাষ্ট্রপতির শূন্য পদটিতে নতুন কাউকে স্থলাভিষিক্ত করার প্রস্তুতি জোরেশোরে শুরু হয়েছে। দেশের সংবিধান ও নির্বাচনী বিধিমালা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনার জন্য সংসদ সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত ভোটার তালিকা অত্যন্ত অপরিহার্য একটি উপাদান। সেই সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ও নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক চাহিদার প্রেক্ষিতে অবশেষে সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় ভোটার তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) প্রেরণ করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদে নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ও তাত্ত্বিক আনুষ্ঠানিকতার পথে একটি বড় ধাপ অতিক্রম করা হলো।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা ও কৌতূহল বিরাজ করছিল। গত সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক বিশেষ আলাপকালে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেছিলেন। তিনি সে সময় গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন যে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তারিখ, শিডিউল বা পূর্ণাঙ্গ তফসিল ঘোষণার পূর্বে সংসদ সচিবালয়ের কাছে আইন অনুযায়ী ভোটার তালিকা বা সংসদ সদস্যদের তালিকা চেয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ পাঠানো হয়েছে। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী যেহেতু সাধারণ নাগরিকরা সরাসরি এই নির্বাচনে ভোট প্রদান করেন না, বরং জাতীয় সংসদের মাননীয় সংসদ সদস্যগণই কেবল রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে থাকেন, তাই সংসদ সচিবালয়ের সরবরাহকৃত এই বিশেষ তালিকার ওপর ভিত্তি করেই মূলত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রস্তুত ও প্রকাশ করে থাকে নির্বাচন কমিশন। সংসদ সচিবালয় থেকে সেই তালিকা হাতে পাওয়ার পরই কমিশন পরবর্তী আইনগত ও দাপ্তরিক কার্যক্রমে প্রবেশ করবে।
সংসদ সচিবালয় কর্তৃক নির্বাচন কমিশনের কাছে ভোটার তালিকা পাঠানোর এই ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল যখন পুরো দেশ এক অভিনব রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক ধারা পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। বিগত রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর থেকে রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ণ রাখতে নির্বাচন কমিশন শুরু থেকেই অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করে রাখছিল। ইসি সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক অবকাঠামো, লজিস্টিক সাপোর্ট এবং আনুষঙ্গিক অন্যান্য প্রস্তুতি ইতিমধ্যে পুরোপুরি গুছিয়ে রাখা হয়েছে। সংসদ সচিবালয় থেকে ভোটার তালিকা হাতে পাওয়ার পর নির্বাচন কমিশনাররা আনুষ্ঠানিক বৈঠকে মিলিত হবেন এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে খুব দ্রুতই ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ এবং সুনির্দিষ্ট তফসিল বা শিডিউল দেশবাসীর সামনে ঘোষণা করবেন। সাংবিধানিক এই শূন্যতা পূরণে এবং রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ অভিভাবক নির্বাচনের এই প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক দলগুলো ও সংশ্লিষ্ট মহলের মাঝেও ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ করা যাচ্ছে।
সংবিধান বিশেষজ্ঞদের মতে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় কাঠামোর অন্যতম সর্বোচ্চ গুরুত্ববহ একটি সাংবিধানিক প্রক্রিয়া। অতীতেও নানা রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, তবে বর্তমান পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই নির্বাচনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিক সমাজ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। যেহেতু রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দেশের সাধারণ জনগণের সরাসরি ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকে না এবং সংসদ সদস্যরা ইলেক্টোরাল কলেজের সদস্য হিসেবে ভোট প্রদান করেন, তাই সংসদ সচিবালয় থেকে পাঠানো এই ভোটার তালিকার বৈধতা ও সঠিকতা যাচাই-বাছাই করে অতি দ্রুত পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে নির্বাচন কমিশন। বর্তমান নির্বাচন কমিশন দেশের সকল সাংবিধানিক প্রক্রিয়া স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে এবং সেই ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচন প্রক্রিয়াটিও আইনানুগ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হবে বলে দেশবাসী প্রত্যাশা করছে।
সংবিধান বিশেষজ্ঞদের মতে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় কাঠামোর অন্যতম সর্বোচ্চ গুরুত্ববহ একটি সাংবিধানিক প্রক্রিয়া। অতীতেও নানা রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, তবে বর্তমান পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই নির্বাচনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও দূরপ্রসারী প্রভাবসম্পন্ন বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিক সমাজ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। যেহেতু রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দেশের সাধারণ জনগণের সরাসরি ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকে না এবং শুধুমাত্র সংসদ সদস্যরা ভোট প্রদান করেন, তাই সংসদ সচিবালয় থেকে পাঠানো এই ভোটার তালিকার সঠিকতা যাচাই-বাছাই করে অতি দ্রুত পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে নির্বাচন কমিশন। বর্তমান নির্বাচন কমিশন দেশের সকল সাংবিধানিক প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন করার সুদৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে এবং সেই ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচন প্রক্রিয়াটিও অত্যন্ত আইনানুগ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হবে বলে দেশবাসী প্রত্যাশা করছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com