প্রকাশ: ১১ আগস্ট ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।
জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম অত্যন্ত দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করেছেন যে, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও জুলাই গণহত্যার দায়ে দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অবিলম্বে বাংলাদেশের কাছে ফেরত দেওয়ার আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করা পর্যন্ত প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের সঙ্গে কোনো ধরনের স্বাভাবিক কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার উদ্যোগ এ দেশের সাধারণ মানুষের কাছে কখনোই গ্রহণযোগ্য হবে না। সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সুদীর্ঘ রাজনৈতিক পোস্টে তিনি এই কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। গত কয়েক বছর ধরে ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ক্ষমতাচ্যুত এবং দণ্ডিত সাবেক এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড চালানোর অবাধ সুযোগ দেওয়া হচ্ছে বলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। একে সরাসরি স্বাধীন বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, দেশের সর্বোচ্চ বিচারব্যবস্থা এবং এ দেশের আপামর জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার প্রতি এক নগ্ন অবমাননা বলে অভিহিত করেছেন জাতীয় এই রাজনৈতিক নেতা।
নাহিদ ইসলাম তাঁর ওই রাজনৈতিক বার্তায় আরও স্পষ্ট করে উল্লেখ করেছেন যে, সম্প্রতি বাংলাদেশের সমস্ত কূটনৈতিক আপত্তি ও আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এক কথিত সংবাদ সম্মেলন আয়োজনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এই অনভিপ্রেত ঘটনার মধ্য দিয়ে এটি অত্যন্ত পরিষ্কারভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা ও জনগণের প্রতি ভারতের শাসকগোষ্ঠীর আধিপত্যবাদী এবং আগ্রাসী মানসিকতায় মৌলিক কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন আসেনি। এত বড় একটি কূটনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত ঘটনার পরও বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কেবল একটি দায়সারা বিবৃতি দিয়েই তাদের আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব শেষ করেছে বলে তিনি চরম হতাশা প্রকাশ করেন। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর এমন একটি সরাসরি এবং নগ্ন আঘাত হানার পরও ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বাংলাদেশ সরকার এখনো পর্যন্ত কোনো ধরনের কার্যকর জবাবদিহিতা বা আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা আদায় করতে পারেনি বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ধরনের কূটনৈতিক দুর্বলতা দেশের জনগণ কোনোভাবেই ভালোভাবে দেখছে না বলেও তিনি সতর্ক করে দেন।

পরবর্তী সময়ে ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে জানান যে, গত সোমবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেও সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া ওই সংবাদ সম্মেলন বা এ বিষয়ে ভারতের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের দুঃখ প্রকাশ বা স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রসঙ্গটি প্রকাশ্যে আসেনি। বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এমন একটি অতি সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে যথাযথ গুরুত্ব না পাওয়ায় তিনি গভীর উদ্বেগ ও হতাশা প্রকাশ করেন। ভারতীয় হাইকমিশনার সাক্ষাৎকালে দুই দেশের মধ্যকার পারস্পরিক তথাকথিত ‘শেয়ার্ড ড্রিম’ বা অভিন্ন স্বপ্নের কথা উল্লেখ করলেও তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন যে, বাংলাদেশের সচেতন জনগণ কোনো ধরনের সম্প্রসারণবাদী ও একপাক্ষিক স্বপ্নের অংশীদার হতে প্রস্তুত নয়। দিল্লি যদি এমন কোনো ভ্রান্ত ধারণা পোষণ করে যে তারা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণ বা অভ্যন্তরীণ বিষয়ে প্রভাব বিস্তারের অধিকার রাখে, তবে এ দেশের মানুষ তা কখনোই বরদাশত করবে না বলে তিনি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়ে দেন।
পররাষ্ট্র দপ্তরের আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদলিপিকে শুধুমাত্র কাগজের কলমে সীমাবদ্ধ না রেখে তাকে একটি কার্যকর ও শক্তিশালী কূটনৈতিক পদক্ষেপে রূপ দেওয়ার ওপর জোর দিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ৫ আগস্টের ন্যাক্কারজনক ঘটনার বিষয়ে ভারতের পক্ষ থেকে নিঃশর্ত ক্ষমা ও স্পষ্ট ব্যাখ্যা, দণ্ডিত শেখ হাসিনা এবং জুলাই হত্যাকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত ওসমান হাদির পলাতক খুনিদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা এবং ভারতীয় ভূখণ্ডকে ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের বাংলাদেশবিরোধী অপতৎপরতা চিরতরে বন্ধের সুনির্দিষ্ট ও লিখিত নিশ্চয়তা সরকারের পক্ষ থেকে আদায় করতে হবে। এসব মৌলিক ও যৌক্তিক বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে অত্যন্ত দৃঢ়, স্পষ্ট এবং দৃশ্যমান অবস্থান গ্রহণ করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। বন্ধুত্বের উদার সম্পর্কের অজুহাতে কোনোভাবেই দেশের জাতীয় নিরাপত্তা, ভৌগোলিক সার্বভৌমত্ব এবং জনগণের ঐতিহাসিক রাজনৈতিক আত্মত্যাগকে বিসর্জন দেওয়া যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। ভারত যদি তাদের ভূখণ্ডে বসে ফ্যাসিস্ট চক্রের রাজনৈতিক পুনর্বাসন বা বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের পথ পুরোপুরি বন্ধ না করে, তবে বন্ধুত্বের জিগির তুলে তড়িঘড়ি করে সরকারপ্রধানের ভারত সফর বা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্বাভাবিক করার যেকোনো কূটনৈতিক প্রয়াস সম্পূর্ণ অর্থহীন ও জনস্বার্থবিরোধী বলে গণ্য হবে।
নাহিদ ইসলাম তাঁর ওই রাজনৈতিক বার্তায় আরও স্পষ্ট করে উল্লেখ করেছেন যে, সম্প্রতি বাংলাদেশের সমস্ত কূটনৈতিক আপত্তি ও আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এক কথিত সংবাদ সম্মেলন আয়োজনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এই অনভিপ্রেত ঘটনার মধ্য দিয়ে এটি অত্যন্ত পরিষ্কারভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা ও জনগণের প্রতি ভারতের শাসকগোষ্ঠীর আধিপত্যবাদী এবং আগ্রাসী মানসিকতায় মৌলিক কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন আসেনি। এত বড় একটি কূটনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত ঘটনার পরও বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কেবল একটি দায়সারা বিবৃতি দিয়েই তাদের আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব শেষ করেছে বলে তিনি চরম হতাশা প্রকাশ করেন। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর এমন একটি সরাসরি এবং নগ্ন আঘাত হানার পরও ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বাংলাদেশ সরকার এখনো পর্যন্ত কোনো ধরনের কার্যকর জবাবদিহিতা বা আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা আদায় করতে পারেনি বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ধরনের কূটনৈতিক দুর্বলতা দেশের জনগণ কোনোভাবেই ভালোভাবে দেখছে না বলেও তিনি সতর্ক করে দেন।
পরবর্তী সময়ে ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে জানান যে, গত সোমবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেও সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া ওই সংবাদ সম্মেলন বা এ বিষয়ে ভারতের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের দুঃখ প্রকাশ বা স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রসঙ্গটি প্রকাশ্যে আসেনি। বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এমন একটি অতি সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে যথাযথ গুরুত্ব না পাওয়ায় তিনি গভীর উদ্বেগ ও হতাশা প্রকাশ করেন। ভারতীয় হাইকমিশনার সাক্ষাৎকালে দুই দেশের মধ্যকার পারস্পরিক তথাকথিত ‘শেয়ার্ড ড্রিম’ বা অভিন্ন স্বপ্নের কথা উল্লেখ করলেও তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন যে, বাংলাদেশের সচেতন জনগণ কোনো ধরনের সম্প্রসারণবাদী ও একপাক্ষিক স্বপ্নের অংশীদার হতে প্রস্তুত নয়। দিল্লি যদি এমন কোনো ভ্রান্ত ধারণা পোষণ করে যে তারা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণ বা অভ্যন্তরীণ বিষয়ে প্রভাব বিস্তারের অধিকার রাখে, তবে এ দেশের মানুষ তা কখনোই বরদাশত করবে না বলে তিনি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়ে দেন।

পররাষ্ট্র দপ্তরের আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদলিপিকে শুধুমাত্র কাগজের কলমে সীমাবদ্ধ না রেখে তাকে একটি কার্যকর ও শক্তিশালী কূটনৈতিক পদক্ষেপে রূপ দেওয়ার ওপর জোর দিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ৫ আগস্টের ন্যাক্কারজনক ঘটনার বিষয়ে ভারতের পক্ষ থেকে নিঃশর্ত ক্ষমা ও স্পষ্ট ব্যাখ্যা, দণ্ডিত শেখ হাসিনা এবং জুলাই হত্যাকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত ওসমান হাদির পলাতক খুনিদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা এবং ভারতীয় ভূখণ্ডকে ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের বাংলাদেশবিরোধী অপতৎপরতা চিরতরে বন্ধের সুনির্দিষ্ট ও লিখিত নিশ্চয়তা সরকারের পক্ষ থেকে আদায় করতে হবে। এসব মৌলিক ও যৌক্তিক বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে অত্যন্ত দৃঢ়, স্পষ্ট এবং দৃশ্যমান অবস্থান গ্রহণ করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। বন্ধুত্বের উদার সম্পর্কের অজুহাতে কোনোভাবেই দেশের জাতীয় নিরাপত্তা, ভৌগোলিক সার্বভৌমত্ব এবং জনগণের ঐতিহাসিক রাজনৈতিক আত্মত্যাগকে বিসর্জন দেওয়া যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। ভারত যদি তাদের ভূখণ্ডে বসে ফ্যাসিস্ট চক্রের রাজনৈতিক পুনর্বাসন বা বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের পথ পুরোপুরি বন্ধ না করে, তবে বন্ধুত্বের জিগির তুলে তড়িঘড়ি করে সরকারপ্রধানের ভারত সফর বা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্বাভাবিক করার যেকোনো কূটনৈতিক প্রয়াস সম্পূর্ণ অর্থহীন ও জনস্বার্থবিরোধী বলে গণ্য হবে।