জুলাই জাদুঘর থেকে ভাস্কর্য অপসারণের দাবি

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৯ বার
জুলাই জাদুঘর থেকে ভাস্কর্য অপসারণের দাবি
প্রকাশ: ১১ আগস্ট ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।
দেশের সর্বস্তরের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক রক্তের বিনিময়ে অর্জিত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণ ও ইতিহাস তুলে ধরার জন্য প্রতিষ্ঠিত জুলাই জাদুঘরে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের নামে ও অবয়বে নির্মিত ভাস্কর্য স্থাপন নিয়ে তীব্র বিতর্ক ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির এবং কওমি মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদের সম্মানিত সভাপতি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মিজানুর রহমান চৌধুরী অত্যন্ত জোরালো ভাষায় এই ভাস্কর্যগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে অপসারণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন। গত সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সুদীর্ঘ ও তাৎপর্যপূর্ণ আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে তিনি এই আপত্তির কথা প্রকাশ করেন এবং ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে ভাস্কর্যের বিধান ও এর যৌক্তিকতা নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর দেশের রাজনৈতিক এবং সামাজিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
বিবৃতিতে অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মিজানুর রহমান চৌধুরী অত্যন্ত স্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন ভাষায় উল্লেখ করেছেন যে, পবিত্র ইসলামি শরিয়তের সুনির্দিষ্ট বিধান অনুযায়ী যেকোনো ব্যক্তি, নির্দিষ্ট কোনো সংগঠন কিংবা ইসলামি দলের কোনো নেতাকর্মীর অবয়বে ভাস্কর্য বা মূর্তি নির্মাণ করা সম্পূর্ণরূপে অবৈধ ও নিষিদ্ধ। মানুষের সামাজিক মর্যাদা, ঐতিহাসিক অবদান কিংবা কোনো রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক পরিচয়ের কারণে ইসলামি শরিয়তের এই মৌলিক বিধানের কোনো ব্যতিক্রম বা পরিবর্তন হয় না বলে তিনি মনে করিয়ে দেন। জুলাই জাদুঘরে হেফাজতে ইসলামের কোনো নেতাকর্মীর নামে বা তাদের অবয়ব ফুটিয়ে তুলে ভাস্কর্য স্থাপন করাকে তিনি অত্যন্ত ‘দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত’ বলে অভিহিত করেছেন। যাঁরা সর্বাবস্থায় ইসলামি মূল্যবোধ, সুমহান আদর্শ এবং শরিয়তের সঠিক বিধান বাস্তবায়নের পক্ষে কথা বলেন, তাঁদের স্মৃতি ও অবদান রক্ষা করার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় বিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বা সরাসরি বিরোধপূর্ণ কোনো পন্থা অবলম্বন করা উচিত নয় বলে তিনি কড়া ভাষায় মন্তব্য করেছেন।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বীর শহীদ এবং অকুতোভয় আন্দোলনকারীদের আত্মত্যাগ ও স্মৃতি চিরস্মরণীয় করে রাখার বিকল্প ও সুন্দর পদ্ধতির প্রস্তাব করে হেফাজতের এই শীর্ষ নেতা বলেন যে, ভাস্কর্য নির্মাণের পরিবর্তে তথ্যচিত্র বা প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, আকর্ষণীয় আলোকচিত্রের প্রদর্শনী, লিখিত ইতিহাস সংরক্ষণ, বিভিন্ন দলিলপত্র এবং আধুনিক জাদুঘরভিত্তিক বিভিন্ন প্রদর্শনীর মতো বিকল্প ও নান্দনিক পদ্ধতিগুলো অত্যন্ত সফলভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে। এই ধরনের বিকল্প পন্থাগুলো গ্রহণ করলে একদিকে যেমন জুলাই অভ্যুত্থানের বীরত্বপূর্ণ গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস যথাযথভাবে সংরক্ষিত হবে, অন্যদিকে তেমনি দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি ও পবিত্র মূল্যবোধ সম্পূর্ণ অক্ষুণ্ণ রাখা সম্ভব হবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন যে, বর্তমান জুলাই জাদুঘরে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের যে বা যেসব ভাস্কর্য ইতোমধ্যে স্থাপন করা হয়েছে, তা অবিলম্বে অপসারণ করতে হবে এবং ভবিষ্যতে দেশের কোনো আলেম, ইসলামি ব্যক্তিত্ব বা ধর্মীয় দলের কোনো নেতাকর্মীর অবয়বে এ ধরনের ভাস্কর্য বা মূর্তি নির্মাণ থেকে বিরত থাকতে হবে।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক চেতনা ও আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান চৌধুরী আরও বলেন যে, ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের প্রকৃত ইতিহাস ও সংগ্রামকে আমাদের অবশ্যই সর্বোচ্চ সম্মান জানাতে হবে। তবে সেই সম্মান জানানোর পদ্ধতি বা ধরণ যেন দেশের সামগ্রিক ধর্মীয়, কৃষ্টিগত ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, সেদিকে সংশ্লিষ্ট সকলের সজাগ দৃষ্টি রাখা বাধ্যতামূলক। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন যে, বিগত স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিস্ট আমলেও এ দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম-ওলামারা ভাস্কর্য বা এজাতীয় বিতর্কিত বিষয়ের বিরুদ্ধে আপসহীন আন্দোলন করতে গিয়ে পুলিশের নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, অনেকেই কারাবরণ করেছেন এবং কেউ কেউ নিজের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে শাহাদাতবরণ করেছেন। অথচ পরবর্তীতে সেই সমস্ত আদর্শের অনুসারীদের স্মরণ করার নামে যদি তাঁদেরই অবয়বে ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়, তবে তা অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং তা কোনোভাবেই ধর্মপ্রাণ সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না বলে তিনি দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন।

বিবৃতিতে অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মিজানুর রহমান চৌধুরী অত্যন্ত স্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন ভাষায় উল্লেখ করেছেন যে, পবিত্র ইসলামি শরিয়তের সুনির্দিষ্ট বিধান অনুযায়ী যেকোনো ব্যক্তি, নির্দিষ্ট কোনো সংগঠন কিংবা ইসলামি দলের কোনো নেতাকর্মীর অবয়বে ভাস্কর্য বা মূর্তি নির্মাণ করা সম্পূর্ণরূপে অবৈধ ও নিষিদ্ধ। মানুষের সামাজিক মর্যাদা, ঐতিহাসিক অবদান কিংবা কোনো রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক পরিচয়ের কারণে ইসলামি শরিয়তের এই মৌলিক বিধানের কোনো ব্যতিক্রম বা পরিবর্তন হয় না বলে তিনি মনে করিয়ে দেন। জুলাই জাদুঘরে হেফাজতে ইসলামের কোনো নেতাকর্মীর নামে বা তাদের অবয়ব ফুটিয়ে তুলে ভাস্কর্য স্থাপন করাকে তিনি অত্যন্ত ‘দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত’ বলে অভিহিত করেছেন। যাঁরা সর্বাবস্থায় ইসলামি মূল্যবোধ, সুমহান আদর্শ এবং শরিয়তের সঠিক বিধান বাস্তবায়নের পক্ষে কথা বলেন, তাঁদের স্মৃতি ও অবদান রক্ষা করার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় বিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বা সরাসরি বিরোধপূর্ণ কোনো পন্থা অবলম্বন করা উচিত নয় বলে তিনি কড়া ভাষায় মন্তব্য করেছেন।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বীর শহীদ এবং অকুতোভয় আন্দোলনকারীদের আত্মত্যাগ ও স্মৃতি চিরস্মরণীয় করে রাখার বিকল্প ও সুন্দর পদ্ধতির প্রস্তাব করে হেফাজতের এই শীর্ষ নেতা বলেন যে, ভাস্কর্য নির্মাণের পরিবর্তে তথ্যচিত্র বা প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, আকর্ষণীয় আলোকচিত্রের প্রদর্শনী, লিখিত ইতিহাস সংরক্ষণ, বিভিন্ন দলিলপত্র এবং আধুনিক জাদুঘরভিত্তিক বিভিন্ন প্রদর্শনীর মতো বিকল্প ও নান্দনিক পদ্ধতিগুলো অত্যন্ত সফলভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে। এই ধরনের বিকল্প পন্থাগুলো গ্রহণ করলে একদিকে যেমন জুলাই অভ্যুত্থানের বীরত্বপূর্ণ গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস যথাযথভাবে সংরক্ষিত হবে, অন্যদিকে তেমনি দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি ও পবিত্র মূল্যবোধ সম্পূর্ণ অক্ষুণ্ণ রাখা সম্ভব হবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন যে, বর্তমান জুলাই জাদুঘরে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের যে বা যেসব ভাস্কর্য ইতোমধ্যে স্থাপন করা হয়েছে, তা অবিলম্বে অপসারণ করতে হবে এবং ভবিষ্যতে দেশের কোনো আলেম, ইসলামি ব্যক্তিত্ব বা ধর্মীয় দলের কোনো নেতাকর্মীর অবয়বে এ ধরনের ভাস্কর্য বা মূর্তি নির্মাণ থেকে বিরত থাকতে হবে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক চেতনা ও আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান চৌধুরী আরও বলেন যে, ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের প্রকৃত ইতিহাস ও সংগ্রামকে আমাদের অবশ্যই সর্বোচ্চ সম্মান জানাতে হবে। তবে সেই সম্মান জানানোর পদ্ধতি বা ধরণ যেন দেশের সামগ্রিক ধর্মীয়, কৃষ্টিগত ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, সেদিকে সংশ্লিষ্ট সকলের সজাগ দৃষ্টি রাখা বাধ্যতামূলক। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন যে, বিগত স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিস্ট আমলেও এ দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম-ওলামারা ভাস্কর্য বা এজাতীয় বিতর্কিত বিষয়ের বিরুদ্ধে আপসহীন আন্দোলন করতে গিয়ে পুলিশের নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, অনেকেই কারাবরণ করেছেন এবং কেউ কেউ নিজের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে শাহাদাতবরণ করেছেন। অথচ পরবর্তীতে সেই সমস্ত আদর্শের অনুসারীদের স্মরণ করার নামে যদি তাঁদেরই অবয়বে ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়, তবে তা অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং তা কোনোভাবেই ধর্মপ্রাণ সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না বলে তিনি দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত