প্রকাশ: ১১ আগস্ট ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।
সুদূর প্রবাসের মাটিতে জীবিকার তাগিদে কঠোর পরিশ্রম করতে গিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী রাষ্ট্র সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের একটি সোফা তৈরির কারখানায় সংঘটিত অত্যন্ত মর্মান্তিক ও ভয়াবহ এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রাণ হারানো ১৬ জন হতভাগ্য বাংলাদেশি শ্রমিকের শোকাহত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে বর্তমান সরকার। এই হৃদয়বিদারক ও বেদনাদায়ক ঘটনায় নিহত ওই প্রবাসী শ্রমিকদের পরিবারবর্গের জন্য এককালীন বিশেষ মানবিক আর্থিক অনুদান প্রদান করার একটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও মহৎ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। গত রোববার রিয়াদের একটি সোফা কারখানায় সংঘটিত ওই আকস্মিক ও সর্বগ্রাসী আগুনে এতগুলো তরতাজা প্রাণ ঝরে পড়ার সংবাদ শোনার পর থেকেই পুরো দেশজুড়ে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিদেশে কর্মরত রেমিডিয়েশন যোদ্ধা এই মানুষগুলোর এমন অকাল ও মর্মান্তিক মৃত্যুতে দেশবাসীর পাশাপাশি গভীর শোক ও তীব্র দুঃখপ্রকাশ করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর পাশে অত্যন্ত আন্তরিকভাবে দাঁড়ানোর জন্য দেশের সংশ্লিষ্ট সকল উচ্চপর্যায়ের কর্তৃপক্ষকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় সমস্ত মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার কঠোর নির্দেশ প্রদান করেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই অত্যন্ত মানবিক ও দ্রুত নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে গত সোমবার সকালে রাজধানী ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও উচ্চপর্যায়ের আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। রিয়াদের সেই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং নিহতদের পরিবারের পুনর্বাসনের রূপরেখা তৈরি করার জন্য আয়োজিত এই জরুরি সভায় দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। উক্ত সমন্বয় সভায় পররাষ্ট্র সচিব, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব, সৌদি আরবের রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের দায়িত্বশীল প্রতিনিধিরা, পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের প্রধান, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো বা বিএমইটি-এর প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ বিমানের শীর্ষস্থানীয় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। বিদেশের মাটিতে ঘটে যাওয়া এই জাতীয় ট্র্যাজেডি মোকাবিলায় আন্তঃমন্ত্রণালয়ের এই বৈঠকটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ ভূমিকা পালন করেছে।

উক্ত উচ্চপর্যায়ের আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় সভায় মূলত কয়েকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম প্রধান বিষয় ছিল সুদূর সৌদি আরবের রিয়াদের মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে অঙ্গার হওয়া নিহত প্রবাসী শ্রমিকদের মরদেহগুলো অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে নিখুঁতভাবে শনাক্ত করা এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে সেগুলোকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার সুব্যবস্থা করা। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সৌদি আরবস্থ স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং দেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে অত্যন্ত নিবিড় সমন্বয় ও যোগাযোগের মাধ্যমে রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাস দ্রুত মরদেহগুলো শনাক্তকরণের কাজ সম্পন্ন করবে। পরবর্তীতে সৌদি কর্তৃপক্ষের যাবতীয় নির্দেশনা ও স্থানীয় আইনি আনুষ্ঠানিকতা যথাযথভাবে অনুসরণ করে নিহত সকল প্রবাসীর মরদেহ সম্পূর্ণ সরকারি ব্যবস্থাপনায় ও নিজস্ব খরচে সৎকার কিংবা স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের জন্য দেশে পাঠানোর সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সুদূর প্রবাসে মর্মান্তিক মৃত্যুর শিকার হওয়া এসব রেমিট্যান্স যোদ্ধার মরদেহ যাতে দ্রুততম সময়ে চোখের জলে ভাসতে থাকা স্বজনদের কাছে পৌঁছাতে পারে, সে জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা প্রদর্শন করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা ও সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতির আলোকে রিয়াদের ওই অগ্নিকাণ্ডে নিহত ষোলো জন বাংলাদেশির প্রত্যেকের শোকার্ত পরিবারের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে এককালীন বিশেষ মানবিক অনুদান দেওয়ার সিদ্ধান্তটি ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের সংশ্লিষ্ট স্থানীয় জেলা প্রশাসনের সম্মানিত কর্মকর্তাদের মাধ্যমে নিহতদের নিজ নিজ পরিবারের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ স্থাপন করা হয়েছে। প্রতিটি শোকাহত পরিবারকে তাৎক্ষণিক সহায়তা হিসেবে ইতোমধ্যে কুড়ি হাজার টাকা করে বিশেষ অনুদান পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, যা এই দুর্দিনে পরিবারগুলোর সাময়িক আর্থিক সংকট মোকাবিলায় কিছুটা হলেও সাহায্য করবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সরকারের অন্যান্য দায়িত্বশীল সূত্র থেকে জানানো হয়েছে যে, শুধু আর্থিক অনুদান দিয়েই সরকারের দায়িত্ব শেষ হয়ে যাচ্ছে না, বরং রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নিহত সমস্ত শ্রমিকের পরিবারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক ও নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে। সরকার অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে ঘোষণা করেছে যে, এই চরম কঠিন ও শোচনীয় সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে অতীতেও যেমন সরকার ছিল, ভবিষ্যতেও তাদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের আইনগত, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হবে।
সুদূর প্রবাসের মাটিতে জীবিকার তাগিদে কঠোর পরিশ্রম করতে গিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী রাষ্ট্র সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের একটি সোফা তৈরির কারখানায় সংঘটিত অত্যন্ত মর্মান্তিক ও ভয়াবহ এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রাণ হারানো ১৬ জন হতভাগ্য বাংলাদেশি শ্রমিকের শোকাহত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে বর্তমান সরকার। এই হৃদয়বিদারক ও বেদনাদায়ক ঘটনায় নিহত ওই প্রবাসী শ্রমিকদের পরিবারবর্গের জন্য এককালীন বিশেষ মানবিক আর্থিক অনুদান প্রদান করার একটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও মহৎ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। গত রোববার রিয়াদের একটি সোফা কারখানায় সংঘটিত ওই আকস্মিক ও সর্বগ্রাসী আগুনে এতগুলো তরতাজা প্রাণ ঝরে পড়ার সংবাদ শোনার পর থেকেই পুরো দেশজুড়ে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিদেশে কর্মরত রেমিডিয়েশন যোদ্ধা এই মানুষগুলোর এমন অকাল ও মর্মান্তিক মৃত্যুতে দেশবাসীর পাশাপাশি গভীর শোক ও তীব্র দুঃখপ্রকাশ করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর পাশে অত্যন্ত আন্তরিকভাবে দাঁড়ানোর জন্য দেশের সংশ্লিষ্ট সকল উচ্চপর্যায়ের কর্তৃপক্ষকে তাৎক্ষণিকভবে প্রয়োজনীয় সমস্ত মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার কঠোর নির্দেশ প্রদান করেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই অত্যন্ত মানবিক ও দ্রুত নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে গত সোমবার সকালে রাজধানী ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও উচ্চপর্যায়ের আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। রিয়াদের সেই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং নিহতদের পরিবারের পুনর্বাসনের রূপরেখা তৈরি করার জন্য আয়োজিত এই জরুরি সভায় দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। উক্ত সমন্বয় সভায় পররাষ্ট্র সচিব, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব, সৌদি আরবের রিয়াদের অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের দায়িত্বশীল প্রতিনিধিরা, পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের প্রধান, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো বা বিএমইটি-এর প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ বিমানের শীর্ষস্থানীয় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। বিদেশের মাটিতে ঘটে যাওয়া এই জাতীয় ট্র্যাজেডি মোকাবিলায় আন্তঃমন্ত্রণালয়ের এই বৈঠকটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ ভূমিকা পালন করেছে।

উক্ত উচ্চপর্যায়ের আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় সভায় মূলত কয়েকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম প্রধান বিষয় ছিল সুদূর সৌদি আরবের রিয়াদের মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে অঙ্গার হওয়া নিহত প্রবাসী শ্রমিকদের মরদেহগুলো অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে নিখুঁতভাবে শনাক্ত করা এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে সেগুলোকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার সুব্যবস্থা করা। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সৌদি আরবস্থ স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং দেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে অত্যন্ত নিবিড় সমন্বয় ও যোগাযোগের মাধ্যমে রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাস দ্রুত মরদেহগুলো শনাক্তকরণের কাজ সম্পন্ন করবে। পরবর্তীতে সৌদি কর্তৃপক্ষের যাবতীয় নির্দেশনা ও স্থানীয় আইনি আনুষ্ঠানিকতা যথাযথভাবে অনুসরণ করে নিহত সকল প্রবাসীর মরদেহ সম্পূর্ণ সরকারি ব্যবস্থাপনায় ও নিজস্ব খরচে সৎকার কিংবা স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের জন্য দেশে পাঠানোর সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সুদূর প্রবাসে মর্মান্তিক মৃত্যুর শিকার হওয়া এসব রেমিট্যান্স যোদ্ধার মরদেহ যাতে দ্রুততম সময়ে চোখের জলে ভাসতে থাকা স্বজনদের কাছে পৌঁছাতে পারে, সে জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা প্রদর্শন করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা ও সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতির আলোকে রিয়াদের ওই অগ্নিকাণ্ডে নিহত ষোলো জন বাংলাদেশির প্রত্যেকের শোকার্ত পরিবারের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে এককালীন বিশেষ মানবিক অনুদান দেওয়ার সিদ্ধান্তটি ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের সংশ্লিষ্ট স্থানীয় জেলা প্রশাসনের সম্মানিত কর্মকর্তাদের মাধ্যমে নিহতদের নিজ নিজ পরিবারের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ স্থাপন করা হয়েছে। প্রতিটি শোকাহত পরিবারকে তাৎক্ষণিক সহায়তা হিসেবে ইতোমধ্যে কুড়ি হাজার টাকা করে বিশেষ অনুদান পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, যা এই দুর্দিনে পরিবারগুলোর সাময়িক আর্থিক সংকট মোকাবিলায় কিছুটা হলেও সাহায্য করবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সরকারের অন্যান্য দায়িত্বশীল সূত্র থেকে জানানো হয়েছে যে, শুধু আর্থিক অনুদান দিয়েই সরকারের দায়িত্ব শেষ হয়ে যাচ্ছে না, বরং রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নিহত সমস্ত শ্রমিকের পরিবারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক ও নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে। সরকার অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে ঘোষণা করেছে যে, এই চরম কঠিন ও শোচনীয় সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে অতীতেও যেমন সরকার ছিল, ভবিষ্যতেও তাদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের আইনগত, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হবে।